l

রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ১০:০৪ অপরাহ্ন

নারী শ্রমিকরা আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে বৈধতার আশায় লম্বা লাইনে সৌদীতে

নারী শ্রমিকরা আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে বৈধতার আশায় লম্বা লাইনে সৌদীতে

এখানে শেয়ার বোতাম

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

দুনিয়া জুড়ে ডেস্ক: সৌদি আরবে নিজেদের কাগজপত্র বৈধ করতে পুরুষদের পাশাপাশি ফিঙ্গার প্রিন্ট (আঙ্গুলের ছাপ) দিতে সৌদি সরকারের পাসপোর্ট বিভাগের লাইনে দাড়িয়েছেন। লাইনে দাঁড়াতে ভোর থেকে শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কারইয়ান আল মালেহ এলাকায় আসতে শুরু করেন এ নারীরা। এর ফলে রাস্তায় তৈরি হয় গাড়ির বিশাল জ্যাম। সৌদি বাদশার বেঁধে দেয়া ৩ জুলাইয়ের আগে অফিসগুলোতে হাজার হাজার নারী কর্মীদের দীর্ঘ লাইন পড়েছে। এদের অধিকাংশই বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারত, সোমালিয়া, সুদান এবং ইয়ামেনের নাগরিক।

এই বিশাল সংখ্যার নারী শ্রমিকরা উমরাহ, হজ্জ, ভ্রমণ এবং প্রবাসী স্বামীর সঙ্গে দেখা করতে সৌদিতে এসে অবৈধভাবে স্থায়ী বসবাস শুরু করেন।  বাসাবাড়ি এবং  বিভিন্ন কোম্পানিতে বৈধ কাগজপত্রবিহীন কর্মরত ছিলেন। আঙ্গুলের ছাপের জন্য নারী কর্মীদের এ লাইন সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত স্থায়ী হয়। আবার কেউ কেউ তিনদিন আগ থেকেই দাঁড়িয়ে আছেন। অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে কেন্দ্রটির প্রবেশ পথের কিছুটা অংশ ভেঙে গেছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মী।

প্রসঙ্গত: সৌদি বাদশার বিশেষ ক্ষমার মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৩ জুলাই। এর আগেই সৌদিতে অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের শ্রমিকরা বৈধ হতে নিজ নিজ দেশের দূতাবাস, সৌদি পাসপোর্ট অফিস, পুলিশ প্রশাসন, শ্রম আদালতসহ শ্রমিক সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রবাসীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

নারীদের জন্য খোলা হয়েছে আলাদা প্রবেশ পথ। আগত নারীদের সবাই এখন পর্যন্ত উমরাহ, হজ্জ এবং ভ্রমণ ভিসা বহন করছেন। সুদানের একজন নাগরিক জানান, গত রাত ১টা থেকে লাইনে দাঁড়ানো তার স্ত্রীর জন্য অপেক্ষা করছেন। পাকিস্তানের নাগরিক আব্দুল্লাহ গুলজাদা বলেন, তিন বছর আগে আমার স্ত্রী ভ্রমণ ভিসায় এখানে এসেছে। আমি তাকে যেতে দেইনি। আমার এক বছরের একটি মেয়েও আছে। কোনো ধরনের জরিমানা ছাড়া সৌদি বাদশার বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে বৈধ হতে চেষ্টা করছি। এ সময় বাংলাদেশী অনেককেই দেখা গেছে লাইনে দাড়িয়ে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করছেন। অনেকে অভিযোগ করে বলেন, সারাদিন ধরে একই জায়গায় দাড়িয়ে আছেন। কষ্টের চরম পর্যায়ে পৌছে গেছে বলে জানান তারা।

 

 


এখানে শেয়ার বোতাম






পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

All rights reserved © 2021 shirshobindu.com