l

বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৮:১৩ অপরাহ্ন

বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করলো জিডিডি

বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করলো জিডিডি

এখানে শেয়ার বোতাম

 

 

 

 

 

 

 

 

 

স্বদেশ জুড়ে: নতুন ধরনের রোগ সঠিকভাবে শনাক্তকরণ, দ্রুত ছড়িয়ে পড়া রোগের চিকিৎসা ও প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণ, সংক্রমণ প্রতিরোধসহ জনস্বাস্থ্য বিষয়ক যাবতীয় কার্যক্রম পরীক্ষণে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে গ্লোবাল ডিজিজ ডিটেকশন (জিডিডি) কার্যক্রম। মঙ্গলবার সকালে মহাখালীর আইইডিসিআর মিলনায়তনে জিডিডি’র উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক।

আমেরিকা ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফল ডিজিজ কন্ট্রোলের (সিডিসি) সহযোগিতায় চালু হয়েছে এ সেন্টার। স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনিস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এবং যুক্তরাষ্ট্র সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল (সিডিসি-আটলান্টা) যৌথভাবে এ সেন্টারে কাজ করবে।   এছাড়াও মাঠ পর্যায়ের সংক্রমণবিদ্যা প্রশিক্ষণ বা ফিল্ড এপিডেমিওলজি ট্রেনিং প্রোগ্রামের (এফইটিপি) উদ্বোধন করা হয়।

জিডিডি’র পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে সিডিসি’র দেশীয় পরিচালক ড. জেমস ডি হেফেলফিঙ্গার। আরও বক্তব্য রাখেন, এফইটিপি’র আবাসিক উপদেষ্টা ড. সুয়া জে চাই।   স্বাগত বক্তব্যে আইইডিসিআর পরিচালক অধ্যাপক ড. মাহমুদুর রহমান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সিডিসি-আটলান্টা কোর্সের জন্য আর্থিক, কারিগরি ও বিশেষজ্ঞ সহায়তা দিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে এ বছর সিডিসি-আটলান্টা বাংলাদেশ আইইডিসিআরকে তিন লাখ পঞ্চাশ হাজার মার্কিন ডলার দিয়েছে। প্রয়োজন অনুসারে আগামী পাঁচ বছর তারা এ অর্থ সাহায্য দেবে।

অধ্যাপক ড. মাহমুদুর রহমান বলেন, সিডিসি থেকে পাওয়া অর্থের পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারও এফইটিপি’র জন্য অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে। তবে সরকার কি পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে তা জানাতে পারেন নি আইইডিসিআর পরিচালক।   আইইডিসিআর পরিচালক বলেন, বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে সীমিত আকারে ফিল্ড এপিডেমিওলজি ট্রেনিং প্রোগ্রাম চালু করা হয়। পরে দীর্ঘ চার বছরের চেষ্টার পর সিডিসি-আটলান্টাকে এ কর্মসূচির ব্যাপারে রাজি করানো গেছে।

বিশ্বের অষ্টম দেশ হিসেবে এ সেন্টার চালু হলো বাংলাদেশে। এর কার্যক্রমের মাধ্যমে আমেরিকা ভিত্তিক সিডিসি বিশ্বব্যাপী সংক্রামক ব্যাধি ও বায়োটেরোরিজম (জীবাণু সন্ত্রাস) দ্রুত  ও সঠিকভাবে নির্ণয় করার সামর্থ্য বাড়ায়।   ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে পাঁচজন শিক্ষার্থী গবেষণায় উচ্চতর প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছেন।   অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, উন্নতর গবেষণার মাধ্যমে সংক্রামক ব্যাধি নির্ণয় ও প্রতিরোধে ভূমিকা রাখবে জিডিডি।   স্বাস্থ্য সচিব এম এম নিয়াজউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. খন্দকার মো. শেফায়েতউল্লা, বাংলাদেশে নিযুক্ত আমেরিকান ডেপুটি চিফ অব মিশন জন ডানিলভিজ ও ইউএস সিডিসি’র পরিচালক টমাস কেনিয়ন।   বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইউএস সিডিসি’র দেশীয় ব্যবস্থাপক ড. কাশাফ এজাজ বলেন, সিডিসি গত দুই দশক ধরে বাংলাদেশে গবেষণা কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।

 


এখানে শেয়ার বোতাম






পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

All rights reserved © 2021 shirshobindu.com