l

শনিবার, ০৬ মার্চ ২০২১, ০৫:১২ অপরাহ্ন

তিন শতকের মধ্যে বড় ধরনের মন্দার কবলে যুক্তরাজ্য

তিন শতকের মধ্যে বড় ধরনের মন্দার কবলে যুক্তরাজ্য

এখানে শেয়ার বোতাম

২০২০ সালে অর্থনীতির সবচেয়ে বড় ধস দেখেছে যুক্তরাজ্য। চলতি বছর ২০২১ সালের ৫ জানুয়ারি থেকে জারি করা লকডাউন দেশটির অর্থনীতিকে ২০২১ সালের প্রথম প্রান্তিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করবে। ফলে গেল বছরের চতুর্থ প্রান্তিকে অর্জিত প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা ধরে রাখা যাবে না, বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গেল বছরে অর্থনীতি সঙ্কুচিত হয়েছে ৯.৯ শতাংশ, যদিও আরও দুর্দশা আশঙ্কা করা হয়েছিল। তারপরও এটি ১৯২১ সালে মহা-মন্দাকালীন সময়ের ৯.৭ শতাংশের চাইতে বেশি এবং ১৭০৯ সালের পর সবচেয়ে বড় বার্ষিক অবনতির ঘটনা। ২০২০ সালের বছর শেষে জিডিপি কমেছে প্রায় ১০ শতাংশ। বিগত তিন শতাব্দীর মধ্যে এটিই ছিল ব্রিটিশ অর্থনীতির সবচেয়ে বাজে দশা। এর অর্থ হলো, গত ৭ বছরে অর্জিত সমস্ত প্রবৃদ্ধি মহামারির প্রথম বছরেই মুছে গেছে। ফলে ২০১৩ সালে দেশটির অর্থনীতির যে আকার ছিল, আবার সেখানেই নিয়ে ঠেকিয়েছে বর্তমান মন্দা। কেন্দ্রীয় নিয়ামক সংস্থা- ব্যাংক অব ইংল্যান্ড সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

জানা যায়, গেল বছরে অর্থনীতি সঙ্কুচিত হয়েছে ৯.৯ শতাংশ, যদিও আরও দুর্দশা আশঙ্কা করা হয়েছিল। তারপরও, এটি ১৯২১ সালে মহা-মন্দাকালীন সময়ের ৯.৭ শতাংশের চাইতে বেশি এবং ১৭০৯ সালের পর সবচেয়ে বড় বার্ষিক অবনতির ঘটনা। ৩০০ বছর আগের ওই সময়েই ইউরোপে নেমে এসেছিল সবচেয়ে মারাত্মক শীতকাল, যা ছিল ৫ শতকের মধ্যে সবচেয়ে হিমশীতল। সেসময় রোগ ও অনাহারে ইউরোপ জুড়ে মৃত্যুর তাণ্ডব দেখা যায়।

সব মিলিয়ে গেল বছর গুরুত্বপূর্ণ বৃহৎ অর্থনীতিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ মন্দায় পড়ে যুক্তরাজ্য। সেই তুলনায় জার্মানি মহামারি সত্ত্বেও বেশ ভালো অবস্থানে ছিল, এমনকি গত বিশ্বমন্দার চাইতে সবল দশা ছিল জার্মানিতে। মধ্যবর্তী তথ্য-উপাত্ত সূত্রে গেল বছর ইউরোপের সবচেয়ে বড় অর্থনীতিটি মাত্র ৫ শতাংশ সঙ্কোচনে পড়েছে বলে জানানো হয়। সেই তুলনায় সমগ্র ইউরোপিয় ইউনিয়নের গড় জিডিপি ৬.৪ শতাংশ কমবে বলে আভাস দিয়েছে ইউরোস্ট্যাট।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রী রিশি সুনাক বলেন, ‘মহামারি সকল দেশে প্রভাব ফেললেও, আজ প্রকাশিত তথ্যে আমাদের অর্থনীতি যে মারাত্মক আঘাতের মধ্যে দিয়ে গেছে- তা উঠে আসে। শীতকালে কিছুটা উন্নতির লক্ষণ দেখা গেলেও, চলমান লকডাউন যে জনজীবন এবং ব্যবসা-বাণিজ্য উল্লেখযোগ্য মাত্রায় প্রভাবিত করেছে, সেটা আমরা সকলেই জানি।’

বিশ্লেষক সংস্থা সোসাইটি জেনারেলের কৌশলবিদ কিট জুক্স শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) এক গবেষণা নোটে বলেন, ওই সময়ে ভয়ঙ্কর শীতকে অর্থনীতির দুরাবস্থার জন্য দায়ী করা হয়েছিল, আজ সে স্থান পূরণ করেছে মহামারি।

তবে দেশটির জাতীয় পরিসংখ্যান দপ্তরের মতে, ২০২০ সালের শেষ কয়েক মাসে সামান্য উন্নতির লক্ষ্মণ দেখা যায়। চতুর্থ প্রান্তিকে জিডিপি ১ শতাংশ বাড়ে। তার আগে তৃতীয় প্রান্তিকে এসেছিল রেকর্ড প্রবৃদ্ধি। তবে অক্টোবর ও ডিসেম্বরের মধ্যে উৎপাদন হারের মধ্যে বড় পার্থক্য তৈরি হয়, নতুন করে জারি করা লকডাউন বিধি-নিষেধের কারণে।


এখানে শেয়ার বোতাম






পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
All rights reserved © 2021 shirshobindu.com