মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:৪০

ইউরোজোনের ২৫টি দেশ শাস্তির মুখোমুখি

ইউরোজোনের ২৫টি দেশ শাস্তির মুখোমুখি

/ ১৫৮
প্রকাশ কাল: বৃহস্পতিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০১৩

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত গোয়েন্দা সংস্থাকে সিআইএ গোপনে বন্দিশিবির পরিচালনায় সহায়তা করার দায়ে ব্রিটেনসহ ২৫ ইউরোপীয় দেশকে বিচারের মুখোমুখি করা যেতে পারে। মানবাধিকার সংস্থাথওপেন সোসাইটি জাস্টিস ইনিশিয়েটিভের (ওএসজেআই) মতে, সিআইএর চোখে সন্দেহভাজনদের অপহরণ, আটক ও নির্যাতনে সহায়তা করায় দেশগুলোকে ইউরোপের মানবাধিকার আদালতের (ইউসিএইচআর) কাঠগড়ায় তোলা যায়।

নিউ ইয়র্কভিত্তিক ওএসজেআই গত মঙ্গলবার সিআইএর ‘অপকর্মে’ বিশ্বের ৫৪টি দেশের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ হাজির করেছে। টুইন টাওয়ারে সন্ত্রাসী হামলার পর শুরু করা মার্কিন সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে সিআইএকে সহায়তা করে দেশগুলো। এ ৫৪ দেশের মধ্যে ২৫টি ইউরোপের, ১৪টি এশিয়ার, ১৩টি আফ্রিকার ও দুটি লাতিন আমেরিকার দেশ।

এসজেআইয়ের ওই প্রতিবেদনের লেখক অমৃত সিং বলেন, সিআইএর বন্দি নির্যাতন ও গোপন বন্দিশিবির চালানোর অনুমতি দেওয়ায় ইউরোপীয় দেশগুলোকে মানবাধিকার আদালতে বিচারের সম্মুখীন করা যেতে পারে। ‘গোপনে বন্দিশিবির চালানোর দায় শুধুই যুক্তরাষ্ট্রের নয়, এ কাজে সহায়তাকারী ৫৪ দেশেরও দায় আছে।’

‘গ্লোবালাইজিং টর্চারথসিআইএ সিক্রেট ডিটেনশন অ্যান্ড এক্সট্রাঅর্ডিনারি রেনডিশন’ শীর্ষক প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, সিআইএকে আকাশসীমা ব্যবহারেরও অনুমতি দিয়েছিল ব্রিটেন। এ ছাড়া সামি আল সাদি নামের এক ব্যক্তিকে সপরিবারে নির্যাতনের অভিযোগও রয়েছে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।

ইউসিএইচআর এর আগে অবৈধভাবে জার্মান নাগরিককে আটক ও নির্যাতনের অভিযোগে মেসিডোনিয়াকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। সিআইএকে গোপনে বন্দিশিবির চালানোর অনুমতি দেওয়ায় পোল্যান্ড, লিথুয়ানিয়া ও রোমানিয়ার বিচার করা হবে। মুসলিম এক ধর্মীয় নেতাকে অপহরণ করায় ইতালির বিচার চলছে। গত সপ্তাহে দেশটির স্থানীয় সিআইএ প্রধান ও দুই মার্কিন নাগরিককে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। সিআইএকে সহায়কারী দেশগুলো হলোথআফগানিস্তান, আলজেরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রিয়া, আজারবাইজান, বেলজিয়াম, বসনিয়া-হার্জেগোভিনা, কানাডা, ক্রোয়েশিয়া, সাইপ্রাস, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, জিবুতি, মিসর, ইথিওপিয়া, ফিনল্যান্ড, গাম্বিয়া, জর্দান, জর্জিয়া, জার্মানি, গ্রিস, হংকং, আইসল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, জর্দান, কেনিয়া, লিবিয়া, লিথুয়ানিয়া, মেসিডোনিয়া, মালাউই, মালয়েশিয়া, মৌরিতানিয়া, মরক্কো, পাকিস্তান, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, সৌদি আরব, সোমালিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, স্পেন, শ্রীলঙ্কা, সুইডেন, সিরিয়া, থাইল্যান্ড, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ব্রিটেন, উজবেকিস্তান, ইয়েমেন ও জিম্বাবুয়ে। যুক্তরাষ্ট্রে অন্যতম শত্রু ইরান ও সিরিয়ার সহায়তা করার বিষয়টি বিস্ময়কর। ওএসজেআই বলছে, ২০০২ সালে আফগান সরকারের কাছে ১৫ বন্দিকে হস্তান্তর করে ইরান। এদের ১০ জনকে পাঠানো হয় যুক্তরাষ্ট্রে। আর সিরিয়া অভ্যন্তরে গোপন বন্দিশিবির স্থাপনের অনুমতি দিয়েছিল সিআইএকে। সূত্র : গার্ডিয়ান, ওয়াশিংটন পোস্ট।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
All rights reserved © shirshobindu.com 2024