শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১২:৪৭

ব্যবসায়িক সম্ভাবনার নতুন দ্বার সিলেটের সাদাপাথর

ব্যবসায়িক সম্ভাবনার নতুন দ্বার সিলেটের সাদাপাথর

শীর্ষবিন্দু নিউজ, সিলেট / ৯৭
প্রকাশ কাল: মঙ্গলবার, ১২ অক্টোবর, ২০২১

সিলেট শহরের অল্প দূরেই চেরাপুঞ্জি তারপর শিলং গৌহাটি কিন্তু সেখানে যেতে খরচ, সময়ের অপচয় হয় খুব বেশি তাই ভোলাগঞ্জ শুল্ক স্টেশন এলাকায় একটি ইমিগ্রেশন স্টেশন চালুর প্রয়োজনীয়তা বেশ আগেই অনুভূত হয়ে আসছে সংশ্লিষ্ট মহলে

সিলেটের পর্যটন এলাকা সাদাপাথরের বিশাল স্পট ঘেঁষেই ভোলাগঞ্জ শুল্ক স্টেশন থাকলেও সেখানে ইমিগ্রেশন পোস্ট না থাকায় ব্যবসায়ীরা তাদের কাজে পথে সীমান্ত অতিক্রম করতে পারেন না। ব্যবসায়ীদের ভিন্ন রুটে ১৪০ কিলোমিটার পথ ঘুরতে হয়। ভোলাগঞ্জ স্টেশন দিয়েই প্রতিদিন বিশেষ করে ভারত থেকে কোটি কোটি টাকার পাথর চুনাপথর আসছে

কিন্তু ইমিগ্রেশনব্যবস্থা চালু না থাকায় মাত্র ১০১৫ হাত দূরে মেঘালয় সীমান্ত পার হতে ব্যবসায়ীদের সিলেটজৈন্তা হয়ে তামাবিল ইমিগ্রেশন দিয়ে সীমান্ত পার হতে হয়। তবে আশার কথা জানালেন সিলেটের জেলা প্রশাসক কাজী এমদাদুল ইসলাম

জেলা প্রশাসক বলেন, এখানে নির্মিত হচ্ছে বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক। এজন্য এই উপজেলায় মানুষের আনাগোনা বাড়ছে। বাড়ছে মানুষের কর্মসংস্থানও। সেই কর্মসংস্থানের পরিধি বাড়াতে সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র ঘিরেও পরিকল্পনা চলছে। সাদাপাথর আর পাহাড়ি মনোলোভা দৃশ্য অবলোকনে প্রতিদিনই বিপুলসংখ্যক পর্যটকের আনাগোনা থাকে সীমান্তের এই উপজেলায়। ইতিমধ্যে সাদাপাথর পর্যটন স্পটে ওয়াস ব্লক তৈরি হয়েছে, যা পর্যটকেরা ব্যবহার করছেন। বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে পর্যটকেরা উপভোগ করতে পারবেন নানা সুযোগসুবিধা। সাদাপাথর দেখে চেরাপুঞ্জি শিলং পরিদর্শন অনেক সহজ হবে।

সূত্রমতে, জেলা প্রশাসক দেশের ব্যবসায়ী পর্যটক খাতের সম্ভাবনাময় বিষয় তুলে ধরে ভোলাগঞ্জ স্টেশনে ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট পুনরায় চালু করার জন্য কী কী সুবিধাঅসুবিধা হবে তা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি পাঠিয়েছেন। সূত্র জানায়, চিঠিতে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয় ব্যবসায়ীদের সুযোগসুবিধার বিষয়টিচিঠিতে জেলা প্রশাসক উল্লেখ করেন, ভোলাগঞ্জ ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ফলে সিলেট জেলার অন্যান্য (তামাবিল, শেওলা জকিগঞ্জ) চেকপোস্টের ওপর চাপ কিছুটা কমে আসবে। পাশাপাশি ভারতীয় পর্যটকেরা বাংলাদেশের পর্যটন এলাকা যেমনভোলাগঞ্জ সাদাপাথর, উত্মাছড়া, তোরংছড়া বিছনাকান্দি ভ্রমণ করতে আগ্রহী হবেন

জেলা প্রশাসক এমদাদুল ইসলাম জানান, ইতিমধ্যে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের সুবিধাঅসুবিধা পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন পাঠানোও হয়েছে। বর্তমানে প্রতিবেদনটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে রয়েছে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এখন ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি বলেন, এখানে ইমিগ্রেশন চালু হলে ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি পর্যটকেরাও সুবিধা পাবেন। এতে ভোলাগঞ্জের চেহারাই বদলে যাবে




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
All rights reserved © shirshobindu.com 2021