শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:৩৩

সুইন্ডনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৈশাখী মেলা অনুষ্টিত

সুইন্ডনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৈশাখী মেলা অনুষ্টিত

নিউজ ডেস্ক, লন্ডন / ১৪৮
প্রকাশ কাল: মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই, ২০২২

মহামারি করোনার দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বাংলাদেশ এসোসিয়েশন সুইন্ডনের উদ্যোগে স্থানীয় পারিংডন পার্কে কমিউনিটির প্রাণেরমেলা ঐতিহ্যবাহী ‘বৈশাখী মেলা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৭ ই জুলাই ২০২২ রবিবার অনুষ্ঠিত এই বৈশাখী মেলায় সুইন্ডনে বসবাসরত বাংলাদেশী ও অন্যান্য ভাষা-ভাষীদের এক মহামিলন মেলা বসে। প্রথম বারের অভুক্তপূর্ব সাফল্যের পর দ্বিতীয় বারের এই আয়োজন ছিল আর
ব্যাপক।

এসোসিয়েশনের সভাপতি এম এ কাহার বলেন, ইংল্যান্ডে জন্ম নেয়া ও বেড়ে উঠা বাংলাদেশি নতুন প্রজন্মকে জাতির ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও এর ইতিহাসের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়াই এই মেলার প্রধান উদ্দেশ্য।

শুরুতেই সুইন্ডনের মেয়র কাউন্সিলার আব্দুল আমিন স্বাগত জানিয়ে উপস্হিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান। এসোসিয়েশনের পক্ষে সহ সভাপতি জামান চৌধুরী, সাধারন সম্পাদক সালেহ আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হাসিম স্বপন ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সম্পাদক আকলাকুর রহমান মাসুম সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেন।

স্থানীয় একঝাঁক প্রতিভাবান সংস্কৃতি কর্মীদের মন মাতানো গান নাচ ফ্যাশন শো ও শিশুদের পারফরমেন্স ছিল মেলার মূল আকর্ষণ। সংস্কৃতি অনুষ্টান পরিচালনা ও পরিবেশনায় ছিলেন শাহানুর রানা চৌধুরী, ইয়াছমিন চৌধুরী মনি, সুহেল আহমেদ, পারভেজ চৌধুরী, বিথী সাহা, সুপন সাহা, নিপা পাল, সুমন রয়, কাকলী দাস,সুজন সাহা, কাকলী সাহা, রাজীব মালাকার রাজু, অনিন্দিতা দে, স্নেহা কর্মকার,অভি দেবনাথ সহ আরও অনেক।

এবারের মেলা প্রাঙ্গণে দর্শক-অতিথিতে ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। শুধু ইংল্যান্ড প্রবাসী বাঙালিরাই নয় অন্যান্য ভাষা-ভাষী অতিথিদের উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য। দূর-দূরান্ত থেকেও মেলায় অগণিত দর্শকদের সমাগম ঘটে। ইংল্যান্ডের বিভিন্ন এলাকা থেকে ছোট ছোট শিশু থেকে শুরু করে প্রবীণরাও বৈশাখী সাজে সজ্জিত হয়ে মেলাতে অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়াও মেলায় উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী বাংলাদেশি রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, পত্রিকা ও টিভি সাংবাদিকবৃন্দ, লেখক, সাহিত্যিক, কবি ও সুশীল সমাজসহ সর্বস্তরের প্রবাসী ব্রিটিশ বাংলাদেশিরা।

ঐতিহ্যবাহী এই ‘বৈশাখী মেলা’ প্রাঙ্গণে চারিদিক ঘিরে ছিল বাঙালি খাবার ও দেশীয় পোশাকের নানাবিধ স্টল। খাবারের স্টলগুলোতে ছিল নানা ধরনের মুখরোচক দেশীয় খাবারসহ পুরি, চটপটি, পিঁয়াজু, হালিম, জিলাপি, সিঙ্গারা বিরানি সহ রকমারি পিঠা ও মিষ্টি। আর তৈরি পোশাকের স্টলগুলোতে ছিল সালোয়ার কামিজ, জামদানি ও অন্যান্য তাঁতের শাড়ির বিপুল সমাহার।

বৈশাখী মেলা উপলক্ষে বাংলাদেশের জাতীয় খেলা কাবাডি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। মেলায় বিভিন্ন রকমের রাইড বড় দর্শকদের যেমন গ্রাম্য নাগরদোলার স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়েছে তেমনি ছোট ছোট বাচ্চাদের সারাবেলা আনন্দে মাতিয়ে রেখেছিল মেলার সার্বিক তত্বাবধে ছিলেন মোস্তাক আহমেদ ও এম এ আউয়াল।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
All rights reserved © shirshobindu.com 2024