শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:০০

যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম সমস্যা মূল্যস্ফীতি

যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম সমস্যা মূল্যস্ফীতি

শীর্ষবিন্দু নিউজ, নিউ ইয়র্ক / ৪০
প্রকাশ কাল: শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২

গত ১৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বার্ষিকভিত্তিতে চলতি বছরের আগস্টে ভোক্তা মূল্যসূচক বেড়ে দাঁড়িয়েছে আট দশমিক তিন শতাংশে। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এখনো অন্যতম সমস্যা হলো মূল্যস্ফীতি।

শুরু থেকেই মূল্যস্ফীতির ওপর নজর রাখছে হোয়া

ইট হাউজ। কারণ এটি প্রেসিডেন্ট বাইডেনের জনপ্রিয়তার ওপর প্রভাব ফেলে। তবে মূল্যস্ফীতির ভীতি এখন কিছুটা কমেছে।

তবে মাসিকভিত্তিতে এ সময়ে মূল্য বেড়েছে মাত্র শূন্য দশমিক এক শতাংশ। এমন পরিস্থিতিতে দেশটির রিপাবলিকান নীতি নির্ধারকরা বাইডেনের সময়ের রেকর্ড মূল্যস্ফীতির সমালোচনা করার পরামর্শ দিয়েছেন।

মূলত আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্য কমার পরই দেশটিতে মূল্যস্ফীতির ভয়হীন পরিসংখ্যান সামনে এসেছে। চলতি বছরের জুনে তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। যদিও তা কমে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে।

তবে জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বাদ দিলে মাসিকভিত্তিতে আগস্টে মূল মূল্যস্ফীতি পাওয়া যায় শূন্য দশমিক ছয় শতাংশ। এই হারে বার্ষিক মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়ায় সাত দশমিক চার শতাংশে, যা ফেডারেল রিজার্ভের লক্ষ্যমাত্রা দুই শতাংশের চেয়ে অনেক বেশি।

এদিকে বিনিয়োগকারীরা মনে করেন, এই মাসের শেষের দেকে ফেড তার টানা তৃতীয় তিন-চতুর্থাংশ-পয়েন্ট সুদের হার বৃদ্ধির জন্য বেছে নেবে। অনুমানকারীরা ভেবেছিলেন মাসিকভিত্তিতে আগস্টে মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক তিন শতাংশে আসবে। কিন্তু শূন্য দশমিক ছয় শতাংশের ফলে বোঝা যাচ্ছে প্রত্যাশার চেয়ে মূল্যের ওপর চাপ অনেক বেশি। একারণেই ফের সুদের হার বাড়ানোর দিকে নজর ফেডের।

ফেডের রেট সেটিং কমিটির সদস্যদের প্রত্যাশা বেকারত্বের হার ২০২৪ সালে চার দশমিক এক শতাংশে থাকাতে পারে, বর্তমানে যা রয়েছে তিন দশমিক সাত শতাংশে। কিন্তু জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটির লরেন্স বল ও আইএমএফের ড্যানিয়েল লেই-প্রাচি মিশ্রের সাম্প্রতিক একটি গবেষণাপত্রে যুক্তি দিয়ে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে মূল মূল্যস্ফীতি দুই দশমিক সাত শতাংশ থেকে আট দশমিক আট শতাংশের মধ্যেই বেকারত্বের হার চার দশমিক এক শতাংশে থাকবে।

মূল্যস্ফীতি ইস্যুতে মানুষের মধ্যে নানা ধরনের প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। বিশেষ করে ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। কারণ যে কোনো মূল্যই গুরুত্বপূর্ণ। প্রকৃতপক্ষে পেট্রোলের দাম আমেরিকানদের বেশি দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তবে জুন থেকে দেশটিতে মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।

মূল মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার কারণে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে শ্রম বাজারে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বেকার ব্যক্তির জন্য মোটামুটি দুটি পদ খালি রয়েছে। এতে কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে চাকরিপ্রত্যাশীরা। ফেডের আটলান্টা শাখার তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট মাসে মজুরি বার্ষিকভিত্তিতে বেড়েছে প্রায় সাত শতাংশ।




Leave a Reply

Your email address will not be published.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

All rights reserved © shirshobindu.com 2022