মঙ্গলবার, ০৩ অগাস্ট ২০২১, ০৫:০৭

ইসলামী ব্যাংকের সাথে শেয়ার চুকিয়ে দিচ্ছে কুয়েতি প্রতিষ্ঠান

ইসলামী ব্যাংকের সাথে শেয়ার চুকিয়ে দিচ্ছে কুয়েতি প্রতিষ্ঠান

/ ১০
প্রকাশ কাল: সোমবার, ২৫ মার্চ, ২০১৩

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের মালিকানায় অংশীদার কুয়েতের তিনটি প্রতিষ্ঠান নিজেদের শেয়ার বিক্রি করার আগ্রহ সাফ জানিয়ে দিয়েছে। কুয়েতের পাবলিক ইন্সটিটিউট অব সোশ্যাল সিকিউরিটি, কুয়েত আওকাফ পাবলিক ফাউন্ডেশন এবং কুয়েত ফাইন্যান্স হাউজ তাদের শেয়ার বিক্রি করে দিতে চাচ্ছে। তিন প্রতিষ্ঠানের কাছে ইসলামী ব্যাংকের ২০ কোটি ৪ লাখ ৩৩ হাজার ২২৫টি শেয়ার রয়েছে, রোববারের বাজারমূল্যে যার দাম প্রায় ৮৬১ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। পুঁজিবাজারে উদ্যোক্তাদের শেয়ার বিক্রি করতে হলে একমাস আগে তার ঘোষণা দেয়া বাধ্যতামূলক। তবে শেয়ার বিক্রির বিষয়ে তিন প্রতিষ্ঠান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিলেও যে ব্যাংকের শেয়ার তারা বিক্রি করতে চান সেই ইসলামী ব্যাংক এবিষয়টি না জানার কথা জানিয়েছে।

যুদ্ধাপরাধী ব্যক্তি ও সংগঠনের পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলন থেকে ব্যাংকটি বর্জনের আহ্বানের মধ্যে মধ্যেই এ ঘটনা ঘটল। ৩০ বছরের পুরনো ইসলামী ব্যাংকের মোট শেয়ারসংখ্যা ১২৫ কোটি ৯ লাখ ৬৪ হাজার। ইসলামী ব্যাংকের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, তাদের বিদেশি অংশীদারদের হাতে বর্তমানে প্রায় ৫৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। উদ্যোক্তা হিসেবে ব্যাংকটির ১৫ শতাংশ শেয়ারধারী এই তিন প্রতিষ্ঠান শেয়ার বিক্রির প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে একটি চিঠি দিয়েছে।

এবিষয়ে জানতে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) চিঠি পাঠায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। চিঠির উত্তরে বিএসইসি জানিয়েছে, যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে শেয়ার বিক্রিতে কোনো বাধা নেই। ২৮ ফেব্রুয়ারি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে লেখা বিএসইসির ওই চিঠিতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের ঠিকানাও সংযুক্ত করে দেয়া হয়েছে। তবে রোববার পর্যন্ত ওই প্রতিষ্ঠানগুলো শেয়ার বিক্রির কোনো ঘোষণা দেয়নি।

ফেব্রুয়ারি মাসে গণজাগরণ মঞ্চ থেকে যুদ্ধাপরাধী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের তালিকায় নাম আসার পর বড় ধরনের সঙ্কটে পড়ে ইসলামী ব্যাংক। বিভিন্ন শাখার গ্রাহকদের টাকা তোলার হিড়িক, বিভিন্ন স্থানে হামলার মুখে পড়ার পর আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও এই ব্যাংকের এলসি নিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ওই পরিস্থিতিতে অস্তিত্ব রক্ষায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাহায্য চায় ইসলামী ব্যাংক, জঙ্গি অর্থায়নের অভিযোগ যার ওপর বাংলাদেশ ব্যাংকেরও নজর রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১০ সাল থেকেই এই ব্যাংকে একজন পর্যবেক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়। ইসলামী ব্যাংকের ওপর বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরদারি আগে থেকেই ছিল।

 




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
All rights reserved © shirshobindu.com 2021