বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ১২:২৮

শেফ আসার পথ খুলছে ব্রিটেনে

শেফ আসার পথ খুলছে ব্রিটেনে

/ ১০
প্রকাশ কাল: সোমবার, ১ এপ্রিল, ২০১৩

 

 

 

 

 

 

 

 

দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকার পর আবারো ব্রিটেনের রেস্টুরেন্টগুলোর জন্য শেফ নিতে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা চালু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরী হয়েছে। ব্রিটিশ সরকারের মাইগ্রেশন বিষয়ক পরামর্শক সংস্থা ‘ মাইগ্রেশন এডভাইজারী কমিটি‘ হোম অফিসের শর্টেজ অকুপেশন লিষ্ঠে আবারও ইউরোপিয় ইউনিয়নের বাইরের দেশগুলো থেকে দক্ষ শেফদের অর্ন্তভ’ক্ত করার সুপারিশ করেছে।

ব্রিটেনের ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্টগুলো নিয়ে গড়ে উঠা কারী ইন্ড্রাস্টির নিয়ন্ত্রন মূলত বাংলাদেশীদের হাতে। সারাদেশে বাংলাদেশী মালিকানাধীন ১২ হাজার রেস্টুরেন্টে কর্মরত প্রায় ৮০ হাজার মানুষ। প্রতিবছর বাংলাদেশীরা এই ইন্ড্রাস্ট্রির মাধ্যমে ব্রিটেনের জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখেন ৩.৫ বিলিয়ন পাউন্ড। কিন্তু এই ইন্ড্রাস্ট্রি এখন দিন দিন সংকটে পড়েছে দক্ষ শেফ-এর অভাবে। ব্রিটিশ সরকার দীর্ঘদিন যাবৎ বাংলাদেশ থেকে শেফ আনা বন্ধ করলে এ সংকট আরো ঘনিভূত হতে দেখা দেয়। এই সুযোগে স্থান দখল করতে যাচ্ছে ভারতসহ এশিয়ার অন্যান্য দেশ। বাংলাদেশীরা আশায় বুক বেঁধে আছেন, সরকার খুব শ্রীগ্রই শেফ আনার সুযোগ খুলে দিয়ে এই সমস্যার সমাধান করবে।

টেইকওয়ে হিসেবে ব্যবসা করছে এমন প্রতিষ্ঠান শেফ আনতে পারবে না। শুধুমাত্র রেস্টুরেন্টগুলো ইউরোপের বাহিরের দেশ থেকে দক্ষ শেফ আনতে পারবে। আর ওয়ার্ক পারমিট দিয়ে এসব শেফ আনতে হলে বার্ষিক বেতন দেখাতে হবে অন্ত:পক্ষে ২৯ হাজার ৫ শত ৭০ পাউন্ড। একটি প্রতিষ্ঠান সর্বোচচ কতজন শেফ আনতে পারবে তা নির্ধারন করে দেবে হোম অফিস। ব্রিটেনে ৫ বছরের বেশী ইউরোপিয় ইউনিয়নের বাইরের দেশগুলোর শেফদের অপর্যাপ্ততা রয়েছে। তাই নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমন শেফ আনতে সুযোগ দেওয়া ব্রিটেনের স্বার্থেই প্রয়োজন। গত ২২ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার সরকারের কাছে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা যায়।

ব্রিটেনে আগত অভিবাসীদের সংখ্যা আগের বছরের ৫ লাখ ৫৮ হাজারের তুলনায় এ বছর কমে ৫ লাখ ১৫ হাজারে নেমে এসেছে। একই সঙ্গে ব্রিটেন ত্যাগকারী অভিবাসীদের সংখ্যা আগের বছরের ৩ লাখ ৪২ হাজারের তুলনায় এ বছর ৩ লাখ ৫২ হাজারে উন্নিত হয়েছে। নিট মাইগ্রেশন ৩৪ শতাংশ কমে যাওয়ার পেছনে এই হিসেব গুলোই মূখ্য ভূমিকা পালন করেছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। ওএনএস এর তথ্য মতে, আগের বছরের ২ লাখ ৪৭ হাজার অভিবাসীদের তুলনায় এ বছরের নিট মাইগ্রেশন কমে ১ লাখ ৬৩ হাজারে দাঁড়িয়েছে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরুন প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন, ইউরোপিয় ইউনিয়নের বাহিরের দেশগুলো থেকে নাগরিকদের সংখ্যা ১ লাখ-এ নামিয়ে আনবেন আগামী নির্বাচনের আগে। অবশ্য ব্রিটিশ কোয়ালিশন সরকার ক্ষমতায় এসেই ঘোষনা দিয়েছিলো, ঘনহারে অভিবাসী আগমন ঠেকাতে। এ লক্ষে লিবডেম-কনজারভেটিব জোট সরকার বেশকিছু পদক্ষেপও গ্রহন করে। সরকারের এই পদক্ষেপ ফলপ্রসু হয়েছে বলে সম্প্রতি দাবী করেছেন দেশটির হোম সেক্রেটারী থেরেসা মে এমপি। গত সপ্তাহে এক জরিপে উঠে এসেছে, ব্রিটেনে অভিবাসীদের আসা ও যাওয়ার হার এক তৃতীয়াংশ হ্রাস পেয়েছে।

 




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
All rights reserved © shirshobindu.com 2021