বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১, ০৯:০২

আশরাফ-মাঈনুদ্দীনের অনুপস্থিতিতে বুদ্ধিজীবী হত্যার বিচার শুরুর আদেশ

আশরাফ-মাঈনুদ্দীনের অনুপস্থিতিতে বুদ্ধিজীবী হত্যার বিচার শুরুর আদেশ

এখানে শেয়ার বোতাম
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

স্বদেশ জুড়ে ডেস্ক: বিচারপতি ওবায়দুল হাসান নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল-২ সোমবার একাত্তরে বুদ্ধিজীবী হত্যার আসামি আশরাফুজ্জামান খান ও চৌধুরী মাঈনুদ্দীনকে পলাতক দেখিয়ে তাদের বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন।  আশরাফুজ্জামান ও মাঈনুদ্দীনের পক্ষে মামলা লড়ার জন্য ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে আব্দুস শুকুর খান ও সালমা হাই টুনিকে আইনজীবী নিয়োগ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এর বিচারক।

আদেশে আসামিপক্ষের আইনজীবীদের হাতে আগামী ৪ জুনের মধ্যে মামলার নথিপত্র পৌঁছে দিতে প্রসিকিউশনকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। এর আগে গত ২ মে আল বদর নেতা আশরাফুজ্জামান খান ও চৌধুরী মাঈনুদ্দীনকে গ্রেপ্তারের জন্য পরোয়ানা জারির আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। পুলিশ তাদের না পাওয়ায় ট্রাইব্যুনালের আদেশ অনুসারে দুটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তাদের হাজির হতে বলা হয়। তারপরও তারা হাজির না হওয়ায় বিদেশে অবস্থানরত এই দুই ব্যক্তিকে পলাতক দেখিয়ে বিচার শুরুর আবেদন জানায় প্রসিকিউশন। এই পরিপ্রেক্ষিতে সোমবারের আদেশ এলো।

গত ২৫ এপ্রিল তদন্ত প্রতিবেদন জমা হওয়ার পর ২৮ এপ্রিল আশরাফুজ্জামান খান ও চৌধুরী মাঈনুদ্দীনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেন প্রসিকিউটর মোখলেসুর রহমান বাদল। আসামীদের মধ্যে আশরাফুজ্জামান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে এবং চৌধুরী মাঈনুদ্দীন যুক্তরাজ্যে রয়েছেন। এর আগে আবুল কালাম আযাদের অনুপস্থিতিতেই ট্রাইব্যুনালে বিচার কাজ চলে এবং যুদ্ধাপরাধের দায়ে তার মৃত্যুদণ্ডাদেশ হয়। আশরাফুজ্জামানের গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের বেজড়া ভাটরা (চিলেরপাড়) গ্রামে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত করেন ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তা মো. শাহজাহান কবীর। আর চৌধুরী মাঈনুদ্দীনের বাড়ি ফেনীর দাগনভুঞার চানপুরে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত করেন মো. আতাউর রহমান।

আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়, আশরাফুজ্জামান খান ছিলেন ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের ‘দায়িত্বপ্রাপ্ত’ আলবদর বাহিনীর ‘চিফ এক্সিকিউটর’। আর চৌধুরী মাঈনুদ্দীন ছিলেন তার ‘অপারেশন ইনচার্জ’। তারা দুজনেই জামায়াতে ইসলামীর তখনকার সহযোগী সংগঠন  ইসলামী ছাত্রসংঘের সদস্য ছিলেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে ‘সক্রিয় অবস্থান’ নেন। পলাতক আশরাফুজ্জামান খান ও চৌধুরী মাঈনুদ্দীনের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের ১০ থেকে ১৫ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নয় জন শিক্ষক, ছয় জন সাংবাদিক ও তিনজন চিকিৎসকসহ ১৮ বুদ্ধিজীবীকে অপহরণের পর নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ৫ ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধের মোট ১৬টি অভিযোগ রয়েছে।

সদ্য নিয়োগকুত আইনজীবিদের মধ্যে আব্দুস শুকুর খান এর আগে ট্রাইব্যুনালে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক রুকন  আবুল কালাম আযাদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসাবে কাজ করেন। আর সালমা হাই টুনি এখনো সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর আইনজীবী হিসাবে কাজ করছেন।

 


এখানে শেয়ার বোতাম
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  






পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  
All rights reserved © 2021 shirshobindu.com