শীর্ষবিন্দু আন্তর্জাতিক নিউজ: শুক্রবার সকাল থেকে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইরানে অতি গুরুত্বপূর্ণ দুটি জাতীয় নির্বাচন। ২৯০ আসনবিশিষ্ট পার্লামেন্ট বা মজলিসে শূরায়ে ইসলামির নির্বাচনের পাশাপাশি ৮৮ আসনবিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ পরিষদেরও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
প্রায় পাঁচ কোটি ৫০ লাখ ভোটার এ নির্বাচনে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এই নির্বাচনকে উদারপন্থি প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির রাজনৈতিক ও সামাজিক সংস্কারের প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে একটি বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৬,২২৯ প্রার্থী, যাদের মধ্যে নারী প্রার্থী আছেন ৫৮৬ জন। অন্যদিকে বিশেষজ্ঞ পরিষদের জন্য মোট ১৬১ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বুধবার মোবাইল ফোনে মেসেজ পাঠিয়ে জনগণকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, দেশের ভবিষ্যত গড়ার লক্ষ্যে এই মুহূর্তে তাদের ভোট অতি প্রয়োজন। আইন অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শুরুর ২৪ ঘন্টা আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় নির্বাচনী প্রচারাভিযান শেষ হয়েছে। ইরানের সব রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতা ভোটকেন্দ্রগুলোতে বিপুল সংখ্যায় উপস্থিত হয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
নির্বাচনের আগে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে ভোট দেয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, শত্রুরা নানাভাবে ষড়যন্ত্র করেও ইরানের ক্ষতি করতে না পেরে এখন নির্বাচনি পদ্ধতির ভেতর দিয়ে এদেশে প্রভাব বিস্তার করতে চায়।
বুধবার এক ভাষণে তিনি আরো বলেছেন, ইরানি জনগণ সরকারপন্থি বা সরকার-বিরোধী কোনো পার্লামেন্ট চায় না। তারা চায় এমন একটি সাহসি পার্লামেন্ট যা আমেরিকাসহ সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর রক্তচক্ষুকে ভয় পাবে না।