দুনিয়া জুড়ে

ব্রিটেনে বাড়ির মূল্য গত দু’বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ

বৃটিশ ভূমি নিবন্ধন অফিস সূত্রে প্রকাশ, সম্প্রতি বাড়ির মূল্য গত প্রায় দুই বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশী বার্ষিক প্রবৃদ্ধি লাভ করেছে। ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে সেপ্টেম্বরে শতকরা ১.১ ভাগ বৃদ্ধি ছিলো ২০১০ সালের নভেম্বরের পর থেকে সবচেয়ে বড় বার্ষিক বৃদ্ধি। এটা সাধারণতঃ ১ লাখ ৬২ হাজার ৫৬১ পাউন্ড। এই বার্ষিক মূল্যবৃদ্ধি দক্ষিণ পূর্ব, দক্ষিণ পশ্চিম সহ দক্ষিণাঞ্চল এবং লন্ডন ও পূর্বে লক্ষণীয়। যা-ই হোক তবে উত্তর, মধ্যাঞ্চল ও ওয়েলসে হ্রাস পেতে দেখা যায়। লন্ডনের মার্কেট ক্রমশ: বৃদ্ধি পেতে দেখা যাচ্ছে যা শতকরা ৫.৫ ভাগ পর্যন্ত। এক্ষেত্রে একটি বাড়ির গড় মূল্য ৩ লাখ ৬৩ হাজার ৮০২ পাউন্ড।
বিদেশী ক্রেতারা রাজধানীতে ক্রমশঃ ভিড় করছে। গত বছরের তুলনায় গত জুলাইয়ে বাড়ি বিক্রি এক পঞ্চমাংশ বেশী ছিলো। এ সময় ১০ লাখ বাড়ি বিক্রি হয়। উত্তর পূর্বাঞ্চলে বার্ষিক পতন লকষ্য করা যায়। এটা ছিলো শতকরা ৩.২ ভাগ। বাড়ির গড় মূল্য ৯৯ হাজার ১শ’ ৬৩ পাউন্ড। সামগ্রিকভাবে হাউস প্রাইস বা বাড়ির দাম প্রতি বছর বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেটা ২০১১ সালের জানুয়ারী থেকে ২০১২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত প্রতি মাসেই বাড়ছে। অনেকের মতে, এপ্রিলে এসে সেটা থমকে যায় অলিম্পিক এবং রাণীর সিংহাসনে আরোহনের হীরক জয়ন্তী অনুষ্ঠানের কারণে।
যা-ই হোক, হাউস সেইলসে এখন বছর খানেক আগের চেয়ে মন্দাভাব বিদ্যমান। এ বছর এপ্রিল ও জুলাই মাসে গড়ে মাসিক বিক্রির সংখ্যা ৫২৩০০। অথচ ২০১১ সালের একই সময়ে তা ছিলো ৫৫০০০। বিশেষজ্ঞদের মতে, মূল্যবৃদ্ধির পেছনে মার্কেটে বাড়ির ঘাটতি একটি অন্যতম কারণ। এক্ষেত্রে ক্রেতাদের পছন্দ অপছন্দ অনেক দূরে। অলিম্পিক ক্রীড়ানুষ্ঠান ও হীরক জয়ন্তী বাড়ি বিক্রিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।
যদিও প্রতি বছর বাড়ির মূল্য বাড়ছে তা সত্ত্বেও মাসিক হ্রাসের ক্ষেত্রে গত সেপ্টেম্বরে ০.৩ ভাগহ্রাস পরিলক্ষিত হয়। আগষ্টে তা ছিলো ০.১ ভাগ।
ওয়েলস ০.৫ ভাগ বৃদ্ধির প্রবণতা ছিলো যার ফলে বাড়ির মূল্য সাধারণ হিসেবে ১ লাখ ১৭ হাজার ২৬৪ পাউন্ডে গিয়ে দাঁড়ায়।
ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেজ অথোরিটি (এফএসএ) অনুসারে ইতিহাসে প্রথম ক্রেতারা ২৮ বছরের দীর্ঘ মেয়াদী ঋণ গ্রহণ করছে। অনেকের কাছে বাড়ি পাওয়ার এটাই একমাত্র উপায়।
এফএসএ আরো জানায়, প্রথম-ক্রেতাদের অর্ধেক ২০১২ সালের প্রথম ৬ মাসে ২৫ বছরের চুক্তিতে বাড়ি নেন। তরুণ ক্রেতারা গড়ে অতীতের চেয়ে ৫ বছর বেশী মেয়াদে ঋণ পরিশোধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
‘দীর্ঘমেয়াদী ঋণ’ এটাকে প্রতি মাসে সস্তা করে, কারণ নিয়মিত পরিশোধে স্বল্প অর্থ ব্যয় হয় কিন্তু সুদের হার ফেঁপে উঠে। এ ধরনের ব্যবসা জীবন ব্যাপী একটি বন্ধক পরিশোধে বেশ কয়েক হাজার পাউন্ড অতিরিক্ত যুক্ত করতে পারে মোট পরিশোধিত অর্থে ।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close