ঘর মন জানালা

গোয়ালিয়র-ঝাঁসি দেখে ভূপালে…

লিয়াকত হোসেন খোকন: গোয়ালিয়র, ওরছা, শিবপুরী, খাজুরাহো, ভূপাল, মান্ডু আর ইন্দোরের নানা স্বর্ণযুগের অসংখ্য স্মৃতি নিদর্শন দেখার জন্য ভারতের মধ্যপ্রদেশে বার তিনেক ভ্রমণে যাওয়ার কত না ঘটনা আজও যে ক্ষণে ক্ষণে নিয়ে যায় পেছনের দিনগুলোতে। শুনেছিলাম, ইতিহাসের এই মালভূমি মধ্যপ্রদেশে একদা মৌর্য চন্দ্রগুপ্তর রাজ্যের সীমানা ছিল নর্মদা তীর বরাবর। খ্রিস্টপূর্ব ২ শতকে সম্রাট অশোকের কর্মজীবন শুরু হয় উজ্জয়িনী থেকে। মহাকবি কালিদাসের কাব্য প্রেরণার স্থলও মধ্যপ্রদেশ। ৯ শতকে চান্দেলা বংশের অমর সৃষ্টি এখানকার খাজুরাহোর শিল্প নিদর্শন বিশ্বখ্যাত। এছাড়া মোগল ও মারাঠাদের রণভূমি মধ্যপ্রদেশে পারমার, ইন্দোরের হোলকার ও গোয়ালিয়রের সিন্ধিয়াদের স্বাধীন মারাঠারাজ্য ইংরেজদের দখলে যায় ১৮০৩ সালে।

মধ্যপ্রদেশের উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান দেখার জন্য ২০১১ সালে আগ্রা ভ্রমণ শেষ করে ভাবলাম, গোয়ালিয়র গেলে কেমন হয়! কথাটা বন্ধু মাহমুদ রানাকে বলতেই রানা একটু হেসে বলেন, বেশ তো—ভালোই হবে। আগ্রা থেকে সড়কপথে বাসে উঠে রওনা হলাম গোয়ালিয়রের দিকে। ১১৮ কিলোমিটার দূরের গোয়ালিয়রে পৌঁছতে প্রায় চার ঘণ্টা সময় লেগে গেল। গোয়ালিয়রে গিয়ে উঠলাম হোটেল অশোকায়। গোয়ালিয়রে ছিলাম দু’রাত। ওখানে গিয়েই জানলাম, ঐতিহাসিক শহর গোয়ালিয়র যে আজ আধুনিক শহর। ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহে ঝাঁসির রানী লক্ষ্মীবাঈ ও তাঁতিয়া তোপির নেতৃত্বে প্রায় ২০ হাজার সংগ্রামী সেনা গোয়ালিয়র দুর্গে অবস্থানসহ তারা যুদ্ধ পরিচালনা করেন ইংরেজদের বিরুদ্ধে।

গোয়ালিয়রে দুপুরে খাওয়া-দাওয়া করলাম জিপিও’র দিকে জয়াজি চকে সরস্বতী মহল রেস্টুরেন্টে। ওখান থেকে এবার চললাম গোয়ালিয়র দুর্গ দেখতে। ৯০ মিটার উঁচু পাহাড়ের ওপর লাল বেলে পাথরের তৈরি লম্বা ও ১০ মিটার উঁচু পাঁচিলে ঘেরা দুর্গ। এই দুর্গে ঢুকে দেখলাম গুজরি মহল। এটি বর্তমানে আর্কিওলজিক্যাল মিউজিয়াম। এরই একটু দূরে রয়েছে মানমন্দির প্যালেস। ভাগ্যিস ওখানে একজন গাইডের সঙ্গে পরিচয় হলো। তিনি মন্দির প্যালেসটি দেখিয়ে বললেন, এটি রাজা মানসিংহ নির্মিত প্রাসাদ। ওই যে দেখছেন পাথরের নকশা ও কারুকার্য মণ্ডিত দেয়াল, এরই আড়ালে বসে একদা রাজ-মহিলারা সে কালের শ্রেষ্ঠ ওস্তাদদের কাছে গান শিখতেন। আর প্রাসাদের ভূগর্ভস্থ কক্ষে কারাগার ও ফাঁসিঘর…। এখানেই মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেব তার ভাই মুরাদকে বন্দি রেখে হত্যা করান। দেখলাম, দুর্গের মাঝামাঝি রয়েছে সুরজ কুণ্ডু। এটি দেখিয়ে গাইড নিয়ে এলেন শামসবাহকা মন্দিরে। গাইড বললেন, এগারো শতকে ভগবান বিষ্ণুর উদ্দেশ্যে এটি নির্মিত হয়।

গাইডকে দশ রুপি দিয়ে রানা ও আমি বাইরে এলাম। দুর্গ থেকে বেরিয়ে পুরনো শহরে দুর্গের কাছেই দেখলাম তানসেনের সমাধি। সম্রাট আকবরের সভার নবরত্নের এক রত্ন ও ভারতের শ্রেষ্ঠ সঙ্গীতশিল্পী তানসেনকে সমাধিস্থ করা হয় এই গোয়ালিয়রে। ওখানে দাঁড়িয়ে এক পথচারীর মুখে শুনলাম, তানসেনের সম্মানে প্রতি বছর নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে সর্বভারতীয় সঙ্গীত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এখানে। তানসেনের সমাধি দেখার পরে এলাম গাউস মহম্মদের সমাধি দেখতে। মোগল যুগের এই আফগান রাজপুরুষ গাউস মহম্মদের সমাধি দেখে বার বার মনে পড়লো মোগলদের শৌর্যবীর্যের কথা। জালির কাজ দেখে বার বার তাকিয়ে রইলাম ওই সমাধির দিকে। পরদিন রানা ও আমি জয় বিলাস প্যালেস দেখবার জন্য বের হলাম। তখন সকাল ১০টা। এটি দেখতে গিয়ে জানলাম, সিন্ধিয়া রাজপরিবারের বাসস্থান এটি। তবে এর ৩৫টি কক্ষে বসেছে এখন মিউজিয়াম। এই মিউজিয়াম দেখার পরে রিকশা নিয়ে শহর দেখতে বেরুলাম। ঝাঁসির রানী লক্ষ্মীবাঈ ও তাঁতিয়া তোপির স্মৃতিস্তম্ভ দেখে তো আমরা অবাক। এছাড়া রাস্তার বিভিন্ন মোড়ে সিন্ধিয়া বংশের রাজা-রানীদের স্মৃতিস্তম্ভ চোখে পড়লো। ঝাঁসির রাণী লক্ষ্মীবাঈয়ের স্মৃতি স্তম্ভ দেখার সময় বার বার মনে পড়লো চিত্রনায়িকা মেহেতাব বানুর কথা। ১৯৫৩ সালে সোহরাব মোদী নির্মিত ‘ঝাঁসি কি রানী’ ছবিতে মেহেতাব বানু সেজেছিলেন রানী লক্ষ্মীবাঈ। সে কী অসাধারণ অভিনয় তার। সে কী ভোলার!! গোয়ালিয়র দেখা শেষ করে এক সকালে আমরা রওনা হলাম ঝাঁসির দিকে। গোয়ালিয়র থেকে ঝাঁঁসির দূরত্ব ১০৭ কিলোমিটার। সড়কপথে বাসে ঝাঁসিতে পৌঁছতে প্রায় ৪ ঘণ্টা লাগলো। ঝাঁসিতে এসে উঠলাম হোটেল বীরাঙ্গনায়। হোটেল ম্যানেজার এসে বললেন, শহর ঘুরে দেখানোর জন্য প্যাকেজ ট্যুরের ব্যবস্থা রয়েছে। যাবেন নাকি? আমরা সম্মতি জানালাম। বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ঝাঁসি ঘুরিয়ে দেখার জন্য অগ্রিম জনপ্রতি ৪০ টাকা করে নেয়া হলো। আমি ও রানা বের হলাম ঝাঁসি দেখতে। শুনলাম, এই ঝাঁসি পড়েছে উত্তর প্রদেশে। সতেরো শতকের প্রথম দিকে ওরছা রাজাদের তৈরি ঝাঁসি দুর্গ আজ বিখ্যাত রাণী লক্ষ্মীবাঈয়ের স্মৃতিতে ভাস্বর। ১৮৫৩ সালে স্বামী গঙ্গাধর রাওয়ের মৃত্যুর পর সিংহাসনে বসেন তার স্ত্রী লক্ষ্মীবাঈ। কিন্তু ব্রিটিশ ভারতে তখন আইন হয়েছে রাজার মৃত্যুতে তার সিংহাসনে বসার উপযুক্ত বয়সের পুত্র না থাকলে রাজত্বের কর্তৃত্ব চলে যাবে ইংরেজ সরকারের হাতে এবং ভাতা পাবেন রাণী। এটা রানী লক্ষ্মীবাঈ মেনে নিতে পারেননি। রানী লক্ষ্মীবাঈ ১৮৫৭-তে নেতৃত্ব দেন ইংরেজদের বিরুদ্ধে সিপাহিবিদ্রোহের। পরের বছর আবার ব্রিটিশ আক্রমণে ঝাঁসির দুর্গ ছেড়ে তিনি চলে যান গোয়ালিয়র দুর্গে। সেখানে ইংরেজদের সঙ্গে সম্মুখ সমরে শহীদ হন ঝাঁসির রানী লক্ষ্মীবাঈ।

গাড়িতে আমরা ছিলাম ৭ জন ট্যুরিস্ট। প্রথমে আমাদের নিয়ে এলো রানী লক্ষ্মীবাঈয়ের প্রাসাদ দেখাতে। প্রাসাদটি দেখানোর সময় গাইড বললেন, “আমার ঝাঁসি আমি ওদের হাতে তুলে দেবো না”—রানী লক্ষ্মীবাঈ এ কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে ১৮৫৭ সালের প্রথম স্বাধীনতাযুদ্ধে পুরুষের বেশে ঘোড়ায় চেপে তরবারি হাতে ব্রিটিশের (ইংরেজ) সঙ্গে আমরণ লড়াই করেছিলেন তিনি। রানী লক্ষ্মীবাঈয়ের বীরত্বে ধুলোয় লুটিয়ে যায় ইংরেজ শক্তির গৌরব মুকুট। লক্ষ্মীবাঈ প্রাসাদে এখন স্থাপিত হয়েছে মিউজিয়াম। এখানে ঢুকে দেখলাম ৯ থেকে ১২ শতকের ভাস্কর্য ছাড়াও লক্ষ্মীবাঈয়ের ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী। এবার এলাম ঝাঁসির দুর্গে। ছোট টিলার ওপর প্রশস্ত প্রাচীর ঘেরা ঝাঁসির দুর্গ। এর ওপরে উঠে দেখে নিলাম এক নজরে ঝাঁসি শহরের দৃশ্য। ২০ ফুট উঁচু প্রাচীরের যেখান থেকে শিশুপুত্রকে পিঠে বেঁধে নিচে ঘোড়ার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে দুর্গ ছেড়ে গিয়েছিলেন রাণী, সেখানে বোর্ড লাগানো হয়েছে রানীর বীরত্বের স্মরণে। বার বার তাকিয়ে রইলাম সেদিকে। ঝাঁসিতে আরও দেখানো হলো—লক্ষ্মী মন্দির, লক্ষ্মীতাল, লক্ষ্মীবাঈ পার্ক, সরকারি পার্ক প্রভৃতি। ঝাঁসি দেখতে গিয়ে সত্যিই লক্ষ্মীবাঈর ভাস্কর্য আমাকে ভীষণভাবে মুগ্ধ করলো। হাত উঠিয়ে ‘সালাম’ জানালাম লক্ষ্মীবাঈকে। এক রাত কাটিয়ে পরদিন ঝাঁসি থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরের শিবপুরী দেখতে চললাম। শিবপুরী জায়গা অতীতে ছিল সিন্ধিয়া রাজবংশের গ্রীষ্মকালীন রাজধানী। শিবপুরীতে ১৮৫৭ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামী তাঁতিয়া টোপিকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলানো হয়।

শিবপুরীতে গিয়ে উঠলাম শিবপুরী হোটেলে। এখানে গিয়ে দেখলাম—মোগল উদ্যান, মহারানী সাথাবাদে সিন্ধিয়া ও পুত্র মাধব রাওয়ের সমাধি স্মারক মন্দির। শহর থেকে ৬ কিলোমিটার দূরে গিয়ে দেখলাম অর্ধ চন্দ্রাকার লেক সাথা সাগর। পরদিন ট্রেনযোগে আমরা চললাম ভূপালের দিকে। মধ্যপ্রদেশের রাজধানী হলো এই ভূপাল। শিবপুরী থেকে ভূপালের দূরত্ব ২৯৪ কিলোমিটার। ভূপালে গিয়ে উঠলাম রেল স্টেশনের সামনে হাদিয়া রোডের হোটেল রঞ্জিতে।

ভূপালে গিয়ে জানলাম, এখানে নতুন শহর ও পুরনো শহর দুই-ই রয়েছে। রেল স্টেশনের সামনে পুরনো শহরে দেখলাম—তাজউল মসজিদ। শুনলাম, এটি নাকি ভারতের বৃহত্তম মসজিদ। ১৮ শতকের ভূপালের অষ্টম শাসক রানী শাহনাজ বেগম এটির নির্মাণ কাজ শুরু করেন। রানীর মৃত্যুতে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। আবার ১৯৭১ সালে শুরু হয়ে শেষ হয় ১৯৮২-তে। এরই কাছে তাজ মার্কেট। এখানের চক এলাকায় রয়েছে সদর মঞ্জিল। এটি একদা ভূপালের প্রাক্তন শাসকদের রাজদরবার। এর অদূরেই দেখলাম—খুদসিয়া বেগম নির্মিত ‘জুমা মসজিদ’। এছাড়া ভূপালের পুরনো আরও রয়েছে যেমন— মতি মসজিদ, হারি মহল, সাওকাত মহল। ভূপালে আরো দেখলাম—আর্কিওলজিক্যাল মিউজিয়াম, গান্ধী ভবন, কমলা পার্ক, আশিষবাগ, নূরবাগ প্রভৃতি।

সন্ধ্যার পরে হোটেলে এলেন এক গাইড। তার মুখেই শুনলাম, এই ভূপাল থেকে উজ্জয়িনীর দূরত্ব ১৮৯ কিলোমিটার। ট্রেন ও বাস দুই-ই যাচ্ছে ভূপাল থেকে। আর খাজুরাহোর দূরত্ব ৩৮৭ কিলোমিটার। খাজুরাহো গেলে দেখবেন মন্দির আর মন্দির। এখানকার মন্দিরগুলো স্থাপত্য-ভাস্কর্যের বিস্ময়কর নিদর্শন। এক হাজার বছর আগে মধ্যযুগের শিল্পীদের হাতে প্রেম, আনন্দ, ধর্ম, বিশ্বাস ও জীবন প্রকৃতি পাথরের গায়ে উত্কীর্ণ হয়ে চান্দেল্লা রাজপুত বংশ ইতিহাসে অমরত্ব পেয়েছে এ জন্য। ইন্দোরের দূরত্ব এই ভূপাল থেকে ২০০ কিলোমিটার। রাণী অহল্যাবাঈর হাতেই ইন্দোরের শ্রীবৃদ্ধি ঘটে। ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহে ইন্দোর ছিল অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। মার্গ সঙ্গীতের জগতে ইন্দোরের অবদান ইন্দোর ঘরানা নামে পরিচিত। প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকরের জন্মস্থানও এই ইন্দোরে।

গাইডের মুখে এই কথাগুলো শুনে ভাবলাম, বাহ্, ভারতের এমন এক প্রদেশে এলাম এখানে কী নেই—হিন্দু-মুসলিম কীর্তি, সবই তো রয়েছে। বাড়তি দেখলাম উত্তর প্রদেশের ‘ঝাঁসি’—রানী লক্ষ্মীবাঈয়ের ঝাঁসি দেখার স্মৃতি তো কোনোদিনই মন থেকে মুছে যাওয়ার নয়। পরদিন চললাম ভূপাল থেকে ৪৬ কিলোমিটার দূরের সাঁচাতে। ওখানে দেখলাম সম্রাট অশোক নির্মিত অপরূপ বৌদ্ধ স্তূপ।

বিকালে ফিরে এলাম ভূপালে। পায়ে হেঁটে চলেছি ভূপাল শহর দেখতে। হঠাত্ দেখি দেয়ালে লেখা-ভূপাল থেকে উজ্জয়িনী—১৮৪ কিলোমিটার, মাণ্ডু ২৮৫ কিলোমিটার, শিবপুরী ৩০৮ কিলোমিটার, গোয়ালিয়র ৪২৮ কিলোমিটার, খাজুরাহো ৩৮৭ কিলোমিটার, ঝাঁসি ৪০২ কিলোমিটার, আগ্রা ৫৪১ কিলোমিটার, দিল্লি ৭৪১ কিলোমিটার ও কলকাতা ১৪৫৬ কিলোমিটার। খাজুরাহো, গোয়ালিয়র, উজ্জয়িনী, ঝাঁসিতে কিভাবে যাবেন তা এখানে উল্লেখ করা হলো। কলকাতার হাওড়া রেল স্টেশন থেকে শিপ্রা এক্সপ্রেস কিংবা মুম্বাই মেলে চেপে সাতনা পৌঁছান। সাতনা থেকে বাস যাচ্ছে ১২০ কিলোমিটার দূরের খাজুরাহো। খাজুরাহোতে থাকার জন্য রয়েছে মধ্যপ্রদেশের পর্যটন হোটেল ঝংকার, হোটেল পায়েল, ট্যুরিস্ট ভিলেজ, হোটেল গ্রিন হাউস প্রভৃতি। কলকাতার হাওড়া থেকে গোয়ালিয়র যাচ্ছে চম্বল এক্সপ্রেস। খাজুরাহো ও ঝাঁসি থেকে বাস যায় গোয়ালিয়র। গোয়ালিয়রে থাকার জন্য রয়েছে মধ্যপ্রদেশ পর্যটনের হোটেল তানসেন রেসিডেন্সি, চন্দ্রলোক, সোনালিকা, গ্রেস, শিবালয় প্রভৃতি হোটেল। ঝাঁসিতে থাকার জন্য রয়েছে উত্তর প্রদেশ ডাকবাংলো, অশোক হোটেল, প্রকাশ হোটেল, রাকেশ লজ, ভারতী লজ। কলকাতার হাওড়া থেকে চম্বল এক্সপ্রেসে যাওয়া যায় ঝাঁসিতে। মধ্যপ্রদেশের ভূপাল, খাজুরাহো, গোয়ালিয়র, শিবপুরী, ওরছা, উজ্জয়িনী এবং উত্তর প্রদেশের ঝাঁসি ঘুরে দেখতে ১০ থেকে ১২ দিন সময় লাগবে। এ ভ্রমণে কম করে হলেও ৩০০ ডলার অর্থাত্ প্রায় ২৫ হাজার টাকা খরচ পড়বে।

 

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরও দেখুন...

Close
ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close