Featuredস্বদেশ জুড়ে

শুল্ক ফাঁকি দিয়ে হাইব্রিড গাড়ি আমদানি

কাগজপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে হাইব্রিড গাড়ি আমদানির প্রমাণ পেয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। এ জন্য কাস্টমস কর্তৃপক্ষ কড়া নজরদারি আরোপ করেছে। এরই মধ্যে বন্দরে থাকা গাড়িগুলো থেকে অতিরিক্ত আট লাখ টাকা আদায় করে ছাড় দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ দিকে যে সব গাড়ি শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস নেওয়া হয়েছে, সে সব গাড়ির দাবিনামা জারি করার পরিকল্পনা করছে কর্তৃপক্ষ। চট্টগ্রাম কাস্টমসের ‍যুগ্ম কমিশনার সুরেশ চন্দ্র বিশ্বাস বাংলানিউজকে বলেন, “জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে শুল্ক ফাঁকি দেওয়ায় খালাসের অপেক্ষায় থাকা গাড়িতে অতিরিক্ত আট লাখ টাকা আদায় করে ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া জাল কাগজপত্র ব্যবহারের মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে যে সব গাড়ি খালাস নেওয়া হয়েছে, সেগুলোর দাবিনামা জারির সুযোগ রয়েছে। তবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে নিয়ে যাওয়া গাড়ির সংখ্যা কম বলেও জানান তিনি।

অন্যদিকে ওইসব গাড়ি খালাসে অতিরিক্ত আট লাখ টাকা আরোপকে অযৌক্তিক বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিকেলস ইম্পোটার্স অ্যান্ড ডিলার অ্যাসোসিয়েশন’র (বারবিডা) সভাপতি হাবিবুল্লাহ ডন। তিনি জানান, কাস্টমস কর্তৃপক্ষ হাইব্রিড গাড়ি থেকে অতিরিক্ত যে আট লাখ টাকা আদায়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা মোটেও সঠিক হয়নি। এতে ব্যবসায়ীদের প্রতি অবিচার করা হয়েছে।

কাস্টমসের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, তেজগাঁও শিল্প এলাকার মোটর ওয়ার্ল্ড ইমপোটার্স গত মাসে জাল কাজগপত্র ব্যবহার করে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে তিনটি গাড়ি খালাস করে নেয়। এর মধ্যে আওডি এ-৮ গাড়ির মূল্য ৪৯ হাজার পাউন্ড হলেও ইনভয়েস মূল্য ৪১ হাজার পাউন্ড দেখিয়ে গাড়ি খালাস করে নেয় আমদানিকারক। এদিকে, কাজগপত্র জালিয়াতি করে শুল্ক ফাঁকির আশ্রয় নেওয়ায় ঢাকার দুটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের খালাস প্রক্রিয়া বন্ধ করে দিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো-ঢাকার জিআইটি রোডের ‘আরপিএম মোটরস’ ও গুলশান-২/৬৮ রোডের ‘বিগ পাথ’ কারস। এ ছাড়া হাইব্রিড গাড়ি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ কঠোর নজরদারিতে রেখেছে।

 

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close