স্বদেশ জুড়ে

মাছের পোনা পাচার হয়ে যাচ্ছে ভারতে

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

স্বদেশ জুড়ে: প্রতিদিন যশোরের চাঁচড়াসহ বিভিন্ন স্থান থেকে পিকআপ ভ্যান ও ট্রাকে করে পাচারকারীরা বেনাপোল সীমান্তে মাছের পোনা নিয়ে আসছেন। পরে দৌলতপুর ও পুটখালী সীমান্ত পথে স্থানীয় ঘাট মালিকদের মাধ্যমে ভারতে পাচার করা হচ্ছে এসব পোনা। যশোরের বেনাপোল সীমান্ত পথে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচার হওয়া পণ্য তালিকায় নতুন যোগ হয়েছে মাছের পোনা।

সীমান্তের একাধিক সূত্র জানায়, মাছের পোনা নিরাপদে ভারতে পাচারের জন্য ঘাট মালিকরা ভারতের ইছামতি নদীর তীরে মাছের ঘের তৈরি করে রেখেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাছ আটক করলে ঘাট মালিকরা এসব মাছ তাদের ঘেরে ছাড়া হবে বলে জানিয়ে থাকেন। ফলে পাচারের আগ মুহূর্তে মাছের পোনা খুব কম ধরা পড়ে। গত দুই বছর ধরে প্রতিদিন চাঁচড়াসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ট্রাকে করে মাছের পোনা বেনাপোলে আনা হয়। পরে তা পুটখালী ও দৌলতপুর সীমান্ত পথে ভারতে পাচার করা হয়। পাচার হওয়া মাছের পোনার মধ্যে চিংড়ি, রুই, কাতলা ও পাঙ্গাস উল্লেখযোগ্য।

চলতি বছরে ভারতে পাচারের উদ্দেশে বেনাপোল সীমান্তে আনা ৬০ লাখ টাকার মাছের পোনা আটক করে বিজিবি সদস্যরা। এসময় মাছের পোনা বহনকারী দু’টি ট্রাক আটক করা হয়। এ ব্যাপারে রোববার সকালে পুটখালী বিজিবি ক্যাম্পের সুবেদার আলাউদ্দিন বাংলানিজকে জানান, পুটখালী সীমান্ত দিয়ে কোনো মাছের পোনা ভারতে পাচার হয়না। তবে দৌলতপুর সীমান্ত পথে মাছের পোনা পাচার হয় এটা আমিও জানি।

এ ব্যাপারে মাছ পাচারকারীদের সঙ্গে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশ প্রশাসনের কিছু অসাধু সদস্যের সখ্য রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এদিকে, মাছের পোনা পাচার হওয়ায় গত দুই বছরে মাছের দাম বেড়েছে দ্বিগুণ। দাম বাড়ায় নিম্ন আয়ের মানুষেরা এখন সপ্তাহে একদিনও মাছ খেতে পারেন না। দিন দিন মাছে ভাতে বাঙালি পরিচয় মুছে যেতে বসেছে।

 

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close