Featuredবেড়ানো

রহস্যময় গুহা

নূরুল আমিন: একটি গুহা নিয়ে শুরু হয়েছে মানুষের কৌতূহল। কিভাবে এই গুহা কে কখন তৈরি করেছে এমন কোন তথ্য নেই কারও কাছে। এ ব্যাপারে কিছুই বলতে পারেন না সাতছড়ি বিনোদন পার্ক কর্তৃপক্ষ। এই পার্কে হাজারও পর্যটক আসেন। কিন্তু ভয়ে কেউ গুহার কাছে যান না। এই গুহা নিয়ে রহস্য সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়রা বলছেন, গুহাটি ২-৩ মাস আগে আবিষ্কার হয়েছে। পাম অয়েল বৃক্ষ বাগানের অনতিদূরে এই গুহার অবস্থান। ওই গুহায় একসঙ্গে ২ জন মানুষ অবস্থান করতে পারে। সমপ্রতি এই গুহায় কপোত-কপোতিদের আপত্তিকর অবস্থায় পাওয়া যাচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ড উদ্যান কর্তৃপক্ষকে তেমন একটা বিচলিত না করলেও পর্যটকদের পড়তে হয় বিভ্রতকর অবস্থায়।

আরমান নামের এক পর্যটক বলেন, গুহাটি দেখলে মনে হয় কেউ এটা তৈরি করেছে। এ স্থানটি খুবই নিরিবিলি। বখাটে যুবক-যুবতীদের কাছে এ গুহার কদর খুব বেশী। তবে উদ্যান কর্তপক্ষ বলছেন, এ গুহা প্রকৃতির সৃষ্টি। কেউ এটা তৈরি করেনি। ২০০৫ সালে বন বিভাগের সহায়তায় সাতছড়ি সংরক্ষিত বনকে জাতীয় উদ্যানে রূপান্তরিত করে একটি এনজিও।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

উদ্যানটিকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে ইউএসএআইডি যোগান দেয় অর্থ। উদ্যানের সার্বিক নিরাপত্তা দিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠন করা হয় ‘সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটি’। সাতছড়িকে নিয়ে মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচারের পর প্রকৃতিপ্রেমীরা হুমড়ি খেয়ে পড়েন এখানে। ২০ টাকার টিকিটের বিনিময়ে সারা দিন জঙ্গলে বিচরণ করার সুযোগ রয়েছে। এ সুযোগে অপরাধীরা সাতছড়িকে অপরাধ সাম্রাজ্য হিসেবে গড়ে তোলে। সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির কিছু অসাধু সদস্যের সঙ্গে আঁতাত করে সন্ত্রাসীরা সাতছড়িতে মদ-গাঁজা ব্যবসার প্রসার ঘটায়। শুধু তা-ই নয়, সাতছড়িকে ওই অপরাধীচক্র নিরাপদ পতিতাপল্লী হিসেবে গড়ে তুলেছে।

সারা দেশের কুখ্যাত পতিতাদের পদচারণায় মুখরিত নৈসর্গিক সৌন্দর্য়ের লীলাভূমি সাতছড়ি। না বুঝে কোন পর্যটক সাতছড়িতে বেড়াতে এলে বখাটের যন্ত্রণায় অল্প সময়ের মধ্যেই ফিরে যেতে বাধ্য হন। এ কারণে সম্ভাবনাময় সাতছড়ির ললাটে লেগেছে কলঙ্কের দাগ। সমপ্রতি জঙ্গলের অভ্যন্তরে একটি গুহা আবিষ্কৃত হওয়ায় পর্যটকদের মনে নানা ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে। কেন এই গুহা তৈরি করা হলো, এর কোন জবাব নেই উদ্যান কর্তৃপক্ষ বা প্রশাসনের কাছে।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close