ব্রিকলেন টু জিন্দাবাজার

ষড়যন্ত্রের কবলে পড়তে যাচ্ছে দেশীয় অনলাইন নীতিমালা

শীর্ষবিন্দু নিউজ: অনেকদিন ধরেই শুনা যাচ্চিলো অনলাইন নীতিমালা গনমাধ্যম সহায়ক হবে। কিন্তু সম্পূর্ণ তার উল্টো কঠিন একটি ষড়যন্ত্রের কবলে পড়তে যাচ্ছে অনলাইন গনমাধ্যম নীতিমালা। তবে তা কতটুকু সহায়ক তা অনকেটাই আচ করতে পারছে অনলাইন সংশ্লিষ্টরা।

কয়েকটি সূত্র থেকে জানা যায় অনলাইন নীতিমালা মোটেই গণমাধ্যম সহায়ক হচ্ছে না। প্রচলিত সংবাদপত্র, টেলভিশন ও রেডিওর মালিকানা এখন কালো টাকা ও ভুমিদস্যুদের হাতে চলে গেছে। তারই ধারাবাহিকতায় অনলাইন পত্রিকাও একই পথের পথিক হতে যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। রেডিও, টেলিভিশন, সংবাদ পত্রের মত এ মাধ্যমটিকেও গুটিকয়েক গোষ্টির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার জন্য একটি মহল উঠে পরে লেগেছে। তারা চায় না তারা ব্যাতিত অন্যকোন অনলাইন থাকুক।

ইতিমধ্যে প্রচলিত সংবাদপত্র, টেলিভিশন ও রেডিওর মালিকানা কালো টাকা ও ভুমিদস্যুদের হাতে চলে গেছে। তারই পথ অনুসরনে হতে পারে অনলাইন গনমাধ্যম নীতিমালা। নতুন এ নীতিমালায় জুড়ে দেয়া হতে পারে আকাশচুম্বি কয়েকটি শর্ত যা পুরনে ব্যর্থ হবে ৯৮ ভাগ অনলাইন পোর্টাল। থাকবে অর্থের বিশাল আধিপত্য যা ছোট ছোট অনলাইন গনমাধ্যম পুরনে ব্যর্থ হবে। এমন কিছু শর্ত জুড়ে দেয়া হবে যা দৈনিক পত্রিকার নীতিমালার জন্যও প্রযোজ্য হয় না।

এই নীতিমালা করতে পারলে অন্যাঅন্য মিডিয়ার মতই ঘুড়ির নাটাই থাকবে তাদের হাতে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ২৫০০ বেশি অনলাইন মিডিয়া রয়েছে। যারা কম বেশি সংবাদ পরিবেশন করে থাকে। অনলাইন অচ্ছে অবাধ তথ্য প্রবাহের একটি মাধ্যম। এখান থেকে খুব সহজেই সত্য ঘটনা জানতে পারছে সাধারন মানুষ। অনেক খবরই টিভি, রেওি বা সংবাদ পত্রে প্রকাশিত হয় না যা অনলাইনে হরহামেশাই প্রকাশ হচ্ছে। এতে করে অনেক অপরাধি যেমন সনাক্ত হচ্ছে তেমনি অনেক অপরাধও সংগঠিত হচ্ছে।

গত বছরও একটি অনলাইন নীতিমালা প্রনয়ন করতে গিয়েছিল সরকার। তবে নানা চাপের মুখে সেই অবস্থান থেকে সরে যেতে বাধ্য হয় তারা। আমাদের দেশের মিডিয়াগুলো মূলত রাজনীতি নির্ভর এবং কালো টাকা ব্যায় করার একটি স্থান। দেশের মিডিয়া একটি গোষ্টি বা দলের কাছে জিম্মি। সে ক্ষেত্রে দেখা যায় বেশির ভাগ মিডিয়াগুলোই ব্যক্তি নির্ভর বা দল নির্ভর সংবাদ প্রচার করে। এতে করে তারা নিরপেক্ষতা হারিয়েছে। গত কয়েক বছর আগেও মানুষ মিডিয়াগুলো কোন দল বা গোষ্টির তা বুঝতে পারত না সহজে। এখন সংবাদের ধরন দেখলেই বুঝতে পারে এটা কোন পন্থি বা কোন দলের। বিষয়টা ঠিক এরকম যে প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিকে ছায়া দেয় মিডিয়া ।

আবার এই মিডিয়াই ছায়া দেয় রাজনৈতিক দল বা গোষ্টিকে। এসব মিডিয়া পরিচালনা বা প্রতিষ্ঠা করতে প্রয়োজন কোটি কোটি টাকা। যা কোন সাধারণের পক্ষে কোন দিনও কল্পনা করাও সম্ভব নয়। আর আমাদের দেশে কোটি কোটি টাকা আছে অবৈধ কর্মকান্ডের সাথে যারা জড়িত, ভূমিদস্যু ইত্যাদির হাতে। এরাই মূলত এদের মিডিয়া প্রতিষ্ঠায় অগ্রনি ভূমিকা পালন করে থাকে। আর অর্থের দাপটে মিডিয়াগুলোকে নিজেদের ইচ্ছা স্বাধীনভাবে পরিচালনা করছে। এক্ষেত্রে অনেক সত্যিই আরাল হয়ে যায় মিথ্যার দাপটে। আর এটাই হল মূল কারন ভয়ংকর অনলাইন নীতিমালা প্রনয়নের ক্ষেত্রে।

অনাকাঙ্খিত যে নীতিমালা প্রনয়ন করতে যাচ্ছে সরকার তার বিরুপ প্রভাব পরতে পারে আমাদের সমাজে। প্রথমই প্রভাব পরবে তরুন সমাজের উপর। যারা এই অনলাইন পোট্রাল বা পত্রিকা দিয়ে দু-চার টাকা আয় করার সুযোগ খুজতো তাদের উপর বিরাট প্রভাব পরবে। সাধারন জনগন বিশ্বস্ততার শেষ ভরসাটুকুও হারাবে। এ নীতিমালা প্রনয়ন হলে বর্তমান সরকার বিপুল পরিমান ভোট হারানোর সম্ভাবনা রয়েছে। বেকার হয়ে পরবে কয়েক হাজার অনলাইন মিডিয়া কর্মী।

মূলত অনলাইন মিডিয়া চালু করা খুবই সহজ এবং কম খরচ। সেই জন্যই আজকাল এই মিডিয়ার প্রতি ঝুকছে তরুনরা। সখে হোক আর ব্যবসার খাতিরেই হোক অনলাইন যে সাধারণ মানুষের কাছে অনেকটাই গ্রহনযোগ্য একটি সংবাদ মাধ্যম তার মধ্য কোন দ্বন্ধ নাই। ঐ গোষ্টি বা দল বিষয়টি আচ করতে পেরেই অনলাইন কালো নীতিমালা প্রনয়ন করতে উঠে পরে লেগেছে। যাতে করে খোলা মাঠে একাই গোল দিতে পারে।

নীতিমালা হল অনলাইন পরিচালনার ক্ষেত্রে কতগুলো আইন বা নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে যা দেশের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে। আর সত্যিই যদি অনাকাঙ্খিত এই কালো অনলাইন নীতিমালা হয়েই যায় তাহলে তার মোবাবিলা করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে বিভিন্ন সংগঠন।

 

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close