Featuredস্বদেশ জুড়ে

সাকা চৌধুরীর ফাঁসির আদেশ কার্যকর

শীর্ষবিন্দু নিউজ: একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের মামলায় আটক সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসির রায় দিয়েছেন যুদ্ধাপরাধ বিয়ষক বিশেষ আদালত। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীর মঙ্গলবার এই রায় ঘোষণা করেন।

১৭২ পৃষ্ঠার এই রায়ের সার সংক্ষেপে বলা হয়, সাংসদ সালাউদ্দিন কাদেরের বিরুদ্ধে এ মামলায় প্রসিকিউশন যে ২৩টি অভিযোগ এনেছে, তার মধ্যে নয়টি (২ থেকে ৮, ১৭ ও ১৮ নম্বর অভিযোগ) সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। ১, ১০, ১১, ১২, ১৪, ১৯, ২০ ও ২৩ নম্বর অভিযোগ প্রসিকিউশন প্রমাণ করতে পারেনি। আর প্রসিকিউশন শুনানির সময় কোনো সাক্ষী হাজির করতে না পারায় ৯, ১৩, ১৫, ১৬, ২১ ও ২২ নম্বর অভিযোগের বিষয়ে রায়ে কোনো মূল্যায়ন করা হয়নি।

অভিযোগের মধ্যে অন্যতম অপরাধগুলোর মধ্যে রাউজানে কুণ্ডেশ্বরী ঔষধালয়ের মালিক নূতন চন্দ্র সিংহকে হত্যা, সুলতানপুর ও ঊনসত্তরপাড়ায় হিন্দু বসতিতে গণহত্যা এবং হাটহাজারীর এক আওয়ামী লীগ নেতা ও তার ছেলেকে অপহরণ করে খুনের দায়ে। রাউজানের কুণ্ডেশ্বরীর এ স্থানেই কুণ্ডেশ্বরী ঔষধালয়ের প্রতিষ্ঠাতা নূতন চন্দ্র সিংহকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

৩, ৫ , ৬ ও ৮ নম্বর অভিযোগে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে হত্যা, গণহত্যা ও অপহরণের পর খুন করার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে। এই চার ঘটনাতেই এসেছে তার সর্বোচ্চ সাজার রায়। এ ঘটনায় বিএনপির এই সাংসদের বিরুদ্ধে অপহরণ, আটক ও নির‌্যাতনের অভিযোগ আনা হয়।

২০১০ সালে ট্রাইব্যুনাল গঠনের মধ্য দিয়ে যুদ্ধাপরাধের বহু প্রতীক্ষিত বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এরপর গত বছরের ৪ এপ্রিল বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে তার বিচার শুরুর আদেশ দেন বিচারক।

এছাড়া হত্যা, গণহত্যার পরিকল্পনা সহযোগিতা এবং লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও দেশান্তরে বাধ্য করার মতো তিনটি অভিযোগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্যকে ২০ বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। অপহরণ ও নির্যাতনের দুটি ঘটনায় দেয়া হয়েছে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড।
Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

আরও দেখুন...

Close
ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close