Featuredস্বদেশ জুড়ে

ঘুষ নিয়ে ইলিশ শিকারে সহায়তার অভিযোগ

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: ঘুষ নিয়ে ইলিশ শিকারে সহায়তা করার অভিযোগ উঠেছে কোস্ট গার্ড কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। শনিবার  বরগুনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়। এছাড়া সরকারের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বরগুনাসহ দক্ষিণ উপকূলের নদ-নদী ও বঙ্গোপসাগরে ব্যাপক ইলিশ শিকার চলছে বলেও দাবি করা হয় সংবাদ সম্মেলনে।

এ সময় তালতলী উপজেলার সকিনা গ্রামের বাসিন্দা সাবেক ইউপি সদস্য কবির আকন বলেন, সকিনা কোস্ট গার্ড সদস্যদের সহযোগিতায় গত ১৪ অক্টোবর রাতে ১৪০টির মতো ট্রলার বরফ বোঝাই করে বঙ্গোপসাগরে গেছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতি বরগুনা জেলা সভাপতি আবদুল খালেক হাওলাদার বলেন, সকিনা কোস্টগার্ডের পেটি অফিসার শহিদুল ইসলাম ট্রলার মালিকদের কাছ থেকে ১৫ লক্ষাধিক টাকা উৎকোচ নিয়ে এসব ট্রলারগুকে বঙ্গোপসাগরে ইলিশ শিকারে যেতে সুযোগ করে দিয়েছেন। খালেক হাওলাদার জানান, আগামী ২৩ অক্টোবরের পর এসব ট্রলার মাছ নিয়ে ফিরবে।

এ ব্যাপারে কোস্ট গার্ড দক্ষিণ জোনের কমান্ডার ক্যাপ্টেন মেহেদি হাসান জানান, তিনি শুক্রবার এ অভিযোগ পেয়ে পাথরঘাটা কোস্ট গার্ডের কন্টিনজেন্ট কমান্ডার লে. শহিদ আল হাসানকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রজনন মৌসুমে ১৩ অক্টোবর থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ১১দিন মা ইলিশ শিকার নিষিদ্ধ করেছে সরকার। এই সময়ের মধ্যে কেউ ইলিশ মাছ ধরলে, বিক্রি করলে, ক্রয় করলে, বহন করলে, সংরক্ষণ করলে, অথবা কারো কাছে পাওয়া গেলে ১ থেকে ২ বছরের কারাভো করতে হবে, অথবা ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা দিতে হবে। দ্বিতীয়বার কেউ একই অপরাধ করলে তাকে দ্বিগুণ শাস্তি পেতে হবে।

এদিকে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ শিকার করায় শুক্রবার রাতে তিন জেলেকে কারাদণ্ড এবং ৫৭ জেলেকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

বরগুনা সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন জানান, তিন মাস করে কারাদণ্ড পাওয়া তিনজন হলেন ছোনবুনিয়া গ্রামের নিজাম উদ্দিন কাজী, পনু মিয়া ও আবদুর রহিম। এছাড়া ৫৭ জেলের কাছ থেকে ৯৪ হাজার ৬শ’ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। বিপুল পরিমাণ জাল আটক করে পোড়ানো হয়।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close