রাজনীতি

আগামীকাল হরতালে শিবিরের ব্যাপক সহিংসতার আশংকা

শীর্ষবিন্দু নিউজ: ইসলামী ছাত্রশিবির আগামীকাল মারমুখী হরতাল পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সারা দেশের ছাত্রশিবিরের ১২৬টি শাখাকে এ সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীতে রাজপথে সক্রিয় ছিল বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের শরিক জামায়াত ও এর ছাত্রসংগঠন ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা। ওই দিন মিছিলে থাকা আওয়ামী লীগের কর্মীদের হাতে ছিল লগি-বইঠা। জামায়াতের কর্মীদের হাতে ছিল গজারি কাঠের লাঠি ও আগ্নেয়াস্ত্র। সেদিন পল্টনে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত হন পাঁচজন। তাঁদের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয় গুলিতে। আর শিবিরের দুই কর্মীর মৃত্যু হয় গণপিটুনিতে। শিবিরের নেতারা জানিয়েছেন, দলীয়ভাবে তাঁরা কয়েকটি দিবস পালন করে থাকেন। ২৮ অক্টোবর তাঁদের কাছে কালো দিবস। তাঁরা ‘যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি পালন করবেন।

ছাত্রশিবিরের এক নেতার সূত্র মতে, এমনিতেই ২৮ অক্টোবর ছাত্রশিবির বিক্ষোভ মিছিল করে। এবার এই দিনে ১৮-দলীয় জোটের হরতাল কর্মসূচিও আছে। ছাত্রশিবির অন্যান্য দিনের মতো এ দিনও রাজপথে থাকবে। আজ হরতালের প্রথম দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতায় পাঁচজনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে যশোরের অভয়নগর উপজেলায় যুবলীগের নেতা, পিরোজপুরে যুবলীগের কর্মী, ফরিদপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা, পাবনার ঈশ্বরদীতে জামায়াতের নেতা এবং বগুড়ায় বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন।

এ ছাড়া সারাদেশে ১২১ জনের মতো আহত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। এ অবস্থায় কাল আরও কঠোরভাবে হরতাল পালনের আহ্বান জানিয়েছে শিবির। ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল মো. আবদুল জব্বার আজ বলেছেন, ‘ছাত্র-জনতা এবার প্রতিরোধের মানসিকতা নিয়েই রাজপথে নেমেছে। সরকার যদি অগণতান্ত্রিক আচরণ অব্যাহত রাখে, তা হলে ছাত্র-জনতার প্রতিরোধে সরকারের পতন নয়, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের কবর রচনা করা হবে।’ এ ছাড়া ছাত্রশিবির আজ ঈশ্বরদীতে নিহত জামায়াত নেতা জুলহাস এবং গতকাল নিহত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবিরের কর্মী রাশেদুল ইসলাম রান্টুর ছবি দিয়েছে তাদের ফেসবুক পেজে।

 

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close