Featuredসিলেট থেকে

চাঁদাবাজি করতে গিয়ে সিলেটে পুলিশ কর্মকর্তা আটক

শীর্ষবিন্দু নিউজ: শাহপরান থানার তেররতন এলাকায় গতকাল সন্ধ্যায় এক কাপড় ব্যবসায়ীকে আটক করার ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে শাহপরান থানার এএসআই আমিনূরকে আটক করে রাখেন স্থানীয় এলাকাবাসী। এদিকে, শাহ্পরান থানার ওসি বলেন, এলাকাবাসী যেসব অভিযোগ করেছে তা সঠিক নয়। পুলিশ ঐ ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞেসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসতে চেয়েছিল।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, শাহপরান থানার এএসআই আমিনূর গতকাল সন্ধ্যায় টহল ডিউটি করার সময় তেররতন এলাকায় যান। সেখানে গিয়ে তিনি বিভিন্ন নামে সাধারণ মানুষকে খোঁজ করতে থাকেন তখন তিনি এলাকাবাসীকে জানান, তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ এসল্ট  মামলা রয়েছে। এক পর্যায়ে এএসআই আমিনূর স্থানীয় কাপড় ব্যবসায়ী সোমাইয়া স্টোরে প্রবেশ করেন। সেখানে গিয়ে দোকানের মালিক আকবর আলীর উপর ওয়ারেন্ট আছে বলে তাকে আটক করে নিয়ে যাত্তয়ার সময় স্থানীয় এলাকাবাসী পুলিশের কাছে আটক করার কারণ জানতে চাইলে এবং কাগজপত্র দেখাতে বললে পুলিশ কর্মকর্তা কোন ধরনের কাগজপত্র দেখাতে পরেননি।

এরপর স্থানীয় জনতা পুলিশকে আটক করে রেখে পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে খবর দেন। খবর পেয়ে উপশহর ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ নূর মোহাম্মদসহ কাউন্সিলর সুহেল আহমদ রিপন ও মহিলা কাউন্সিলর সালেহা কবীর শেপী সেখানে গিয়ে উপস্থিত হন। আমিনূরসহ শাহপরান থানার এএসআই রিপন, এএসআই রিমন, এএসআই জামাল অপরাধীদের সাথে অবৈধ সখ্যতা বজায় রেখে তারা মাদক স্পট, নারী ব্যবসা, ছিনতাইকারীদের কাছ থেকে  দীর্ঘদিন থেকে চাঁদা আদায় করে আসছে বলে অভিযোগও করেন এলাকাবাসী।

ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, আমাদের এলাকা থেকে পুলিশ বিভিন্ন অপরাধের স্পট থেকে চাঁদা আদায় করে আসছে। এমনকি এসকল ব্যাপারে পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদেরকে অভিযোগ করে কোন ধরনের লাভ হয়নি বরং উল্টো আমাদের এলাকার সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে। অপরাধীদের সাথে পুলিশের সখ্যতা থাকার কারণে তারা কোন অপরাধীকে আটক করেন। গত কয়েকমাস থেকে পুলিশ রাতের বেলা আমাদের এলাকার সাধারণ মানুষকে বিনা কারণে আটক করে নিয়ে গেছে। এর মধ্যে অনেকেই মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ছাড়া পেলেও অনেকেই জেল খেটেছেন।

পরবর্তীতে আমিনূরকে পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ছাড়িয়ে নিয়ে যান। এ ব্যাপারে মহিলা কাউন্সিলর সালেহা কবীর শেপী বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া শাহপরান থানা পুলিশের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে আসছে র্দীঘদিন থেকে। আর যাতে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য প্রশাসনের হস্তকেপ কামনা করি।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close