রাজনীতি

নিজ বাসায় গৃহবন্দি খালেদা জিয়া

শীর্ষবিন্দু নিউজ: যে কোনো মূল্যে নয়া পল্টনে সমাবেশের ঘোষণা দিয়ে তাতে খালেদা জিয়া উপস্থিত থাকবেন বলে বিএনপির পক্ষ থেকে জানানোর পরপরই বিরোধীদলীয় নেতার গুলশানের বাড়িতে পুলিশ পাহারা জোরদার করা হয়েছে। রাত ৮টার দিকে খালেদা জিয়ার দলীয় কার্যালয়ে যাওয়ার কথা থাকলেও সাড়ে ৮টা পর্যন্ত তিনি বের হননি।

গৃহবন্দি বিরোধী নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। গণতন্ত্রের অভিযাত্রা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তার বাসভবন ঘিরে রেখেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। পুলিশ প্রটোকল প্রত্যাহার করে নিয়েছে সরকার। ব্যারিকেড সরিয়ে খালেদা জিয়া আজকের কর্মসূচিতে যাওয়ার চেষ্টা করলেও তা আটকে দেয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। তার বাসভবনের সামনের দু’দিকের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে দু’টি বালুভর্তি ট্রাক।

বিরোধীদলীয় নেতার প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) আবদুল মজিদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিরোধীদলীয় নেতার মর্যাদা অনুসারে প্রাপ্য পুলিশি প্রটোকল প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। তার নিরাপত্তায় নিয়োজিত সমস্ত প্রটোকল ও পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে তাদের বদলে বিপুল সংখ্যক পুলিশ, মহিলা পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি অবস্থান নিয়েছে। অফিস অভিমুখে যাওয়ার রাস্তা দু’টি বন্ধ করে সেখানেও অসংখ্য র‌্যাব ও বিজিবি অবস্থান করছে।

এছাড়া, রাস্তার দু’ধারেই ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে রাখে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। বিএনপি চেয়ারপারসন কার্যালয় সূত্র জানায়, গতকাল সন্ধ্যায় বিএনপি চেয়ারপারসনের ভাই মরহুম সাঈদ এস্কান্দারের ছেলের বিয়েতে যোগদানের জন্য তার প্রথমে গলফ ক্লাবে ও পরে গুলশান কার্যালয়ে যাওয়ার কথা ছিল। গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে রাতে বিকল্প ধারা প্রেসিডেন্ট ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম ও জাসদ (রব) সভাপতি আসম আবদুর রবের নেতৃত্বে জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট নামে নবগঠিত রাজনৈতিক জোটের শীর্ষনেতাদের সঙ্গে বৈঠকের কথা ছিল।

এদিকে মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’কে কেন্দ্র করে গত তিন দিন ধরে খালেদা জিয়ার বাসভবন ও রাজনৈতিক কার্যালয়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। খালেদা জিয়ার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়-স্বজন ছাড়া কোন নেতাকর্মীকে বাসভবনে ঢুকতে দেয়া হয়নি। নেতাকর্মীদের কয়েকজনকে সেখান থেকে গ্রেপ্তার ও কয়েকজনকে গ্রেপ্তারের পর ছেড়ে দেয়া হয়। কাউকে কাউকে আটক করে পৌঁছে দেয়া হয় তাদের বাসায়। এমন পরিস্থিতিতে শুক্রবার নিজের রাজনৈতিক কার্যালয়ে কয়েক ঘণ্টা একাকী অপেক্ষা করতে হয় খালেদা জিয়াকে। পরে তার সঙ্গে কয়েকজন সাংবাদিক নেতা সাক্ষাৎ করেন।

গতকাল বিকালে তার বাসভবন ও রাজনৈতিক কার্যালয়ে মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ ও র‌্যাব। বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সূত্র জানায়, রাত ৮টার দিকে দু’টি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বাসভবন থেকে বেরোনোর প্রস্তুতি নেন খালেদা জিয়া। এ সময় তার নিরাপত্তার দায়িত্বরত পুলিশের প্রটোকলকে ডাকা হয়। পুলিশ প্রটোকলের গাড়ি সেখানে গেলে তাদের সরিয়ে দেয় খালেদা জিয়ার বাসভবনের সামনে অবস্থানরত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। ফলে ভাইপোর বিয়ের অনুষ্ঠান ও রাজনৈতিক কার্যালয়ে যেতে পারেননি বিরোধী নেতা খালেদা জিয়া।

এর আগে শুক্রবার তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে এক ভিডিও বার্তায় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আমি উপস্থিত হতে না পারলেও সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত আপনারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। এদিকে গতকাল সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে দলের ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, যে কোন মূল্যে নয়া পল্টনে সমাবেশে খালেদা জিয়া উপস্থিত থাকবেন। পরে রাত সাড়ে আটটার দিকে খালেদা জিয়ার বাসভবনের সামনের রাস্তা দু’টি বালু বোঝাই ট্রাক দিয়ে বন্ধ করে রাখা হয়।

ট্রাকের একজন চালক জানান, গাবতলী থেকে ট্রাক দু’টি বালু বোঝাই করে বনানীর একটি নির্মাণাধীন বাড়িতে নেয়ার কথা ছিল। কিন্তু পুলিশ তাদের গাবতলী থেকে বিরোধী নেতার বাসার সামনে নিয়ে আসে। তাদের বলা হয়েছে আগামীকাল পর্যন্ত গাড়িগুলো সেখানে থাকবে। মহিলা পুলিশ কেন আনা হয়েছে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান জোনের সহকারী কমিশনার নুরুল আলম বলেন, বিরোধী দলের নেত্রীর অধিকতর নিরাপত্তার জন্যই সেখানে মহিলা পুলিশ রাখা হয়েছে। তবে খালেদার যাতায়াতের ক্ষেত্রে কোন বাধার সৃষ্টি করা হচ্ছে না।

ওদিকে বিরোধী নেতার প্রটোকল প্রত্যাহারের নিন্দা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিবৃতিতে তিনি বলেন, রাত ৮টা থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন ও বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়াকে তার বাসভবনে সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অবরুদ্ধ করে রেখেছে। তাকে তার গুলশানের কার্যালয়ে যেতে দেয়া হচ্ছে না। বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে তার বাসভবন ঘেরাও করে রাখা হয়েছে। বাসার সামনে ট্রাক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুল সংখ্যক গাড়ি এলোপাতাড়ি করে রেখে রাস্তার দু’পাশে ব্যারিকেড দেয়া হয়েছে।

মির্জা আলমগীর  বলেন, আমি সরকারের এহেন ন্যক্কারজনক ও চরম ফ্যাসিবাদী আচারণের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমি গভীর উদ্বেগের সঙ্গে জানাচ্ছি, বিরোধীদলীয় নেতার নিরাপত্তার জন্য নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের সরকার অবৈধ ও বেআইনিভাবে প্রত্যাহার করে নিয়েছে। আমি অবিলম্বে বিরোধীদলীয় নেতার সার্বিক নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক  চলাফেরা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহবান জানাচ্ছি। অন্যথায় উ™ভূত পরিস্থিতির সরকারকে দায়িত্ব বহন করতে হবে। অবিলম্বে বিরোধী নেতার বাসভবনের সামনে থেকে ব্যারিকেডসহ অতিরিক্ত পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি সরিয়ে দেয়ার দাবিও জানান তিনি।

গণতন্ত্রের অভিযাত্রা কর্মসূচি ও চলমান আন্দোলনের সাফল্য নিয়ে দারুণ আত্মবিশ্বাসী বিরোধী নেতা খালেদা জিয়া। তিনি মনে করেন, মুক্তিযুদ্ধের পর অন্য কোন আন্দোলনে গণমানুষের এত বেশি সম্পৃক্ততা ঘটেনি। নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবির মতো এককভাবে কোন দাবিও এত জনসমর্থন পায়নি। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মতামত ও বিশ্ববাসীর অনুরোধ উপেক্ষা করে কোন সরকারের পক্ষেই ক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব নয়। রাজনীতির বড় শিক্ষা হচ্ছে বাধা-বিঘœ ও দমন-পীড়ন আন্দোলনকে বেগবান করে।

গতরাতে দুই দফায় সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠককালে আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ়প্রত্যয়ের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করেছেন বিরোধী নেতা খালেদা জিয়া। দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেছেন, মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’তে তিনি অংশ নেবেন। পুলিশি ব্যারিকেড দিয়ে বা প্রটোকল প্রত্যাহার করে সরকার তার ব্যত্যয় ঘটাতে পারবে না। একইভাবে যানবাহন বন্ধ করে, পথে পথে তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করে গণতন্ত্রকামী মানুষের জোয়ারও রুখতে পারবে না সরকার। বৈঠকে অংশ নেয়া সাংবাদিকরা এমন তথ্য জানিয়েছেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন সূত্র জানায়, বৈঠকে খালেদা জিয়া বলেছেন- মুক্তিযুদ্ধের পর নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিই আন্দোলনের ইস্যু হিসেবে সবচেয়ে বেশি জনসমর্থন পেয়েছে। বিএনপি এ দাবি উত্থাপন করলেও দেশের বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮দলীয় জোটের প্ল্যাটফর্মে জড়ো না হলেও স্ব-স্ব অবস্থান থেকে কথা বলছে। বাংলাদেশের ৪২ বছরের ইতিহাসে চলমান আন্দোলনেই সবচেয়ে বেশি মানুষের সম্পৃক্ততা ঘটেছে। অতীতের আন্দোলনগুলো রাজধানী বা বিভাগীয় শহর কেন্দ্রিক থাকলেও এবার তা ছড়িয়ে পড়েছে গ্রাম-গঞ্জে। নির্দিষ্ট করে রাজনৈতিক কর্মী-সমর্থক নয় সব শ্রেণী-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ ঘটেছে চলমান আন্দোলনে। সত্যিকারের গণদাবিতে পরিণত হয়েছে নির্দলীয় সরকার ইস্যু। রাজধানীর বাইরে সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেই বললেই চলে।

খালেদা জিয়া সাংবাদিকদের বলেছেন, চলমান আন্দোলনে আন্তর্জাতিক মহলের সমর্থন জনদাবির প্রতি। দেশের ইতিহাসে অন্য কোন সময় বন্ধু রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এত আন্তরিকভাবে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেয়নি। কূটনীতিকরা দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের রাজনীতি ও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেই এ প্রচেষ্টা চালিয়েছেন। জনদাবির প্রতি তাদের সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। খালেদা জিয়া বিশ্বাস করে অল্পসময়ের মধ্যে প্রতিবেশী দেশ ভারতও বাংলাদেশের ব্যাপারে তাদের পলিসি পরিবর্তন করবে।

বিএনপি চেয়ারপারসন সাংবাদিকদের বলেছেন, দেশের যে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তাতে অব্যাহতভাবে চাপের মুখে সরকার। তারা প্রকাশ্যে স্বীকার না করলেও সেটা দৃশ্যমান। এভাবে চললে অল্প সময়ের মধ্যে দেশের অর্থনৈতিক খাত স্থবির হয়ে পড়বে। সার্বিক বিচারে সরকার এখন দিশেহারা। তারা যে পথেই এগোবে সে পথেই হোঁচট খাবে। বিরোধী নেতাকর্মীদের ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দমন-পীড়নের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বাংলাদেশেরই নাগরিক। তাদের আত্মীয়-স্বজনরাও চলমান সঙ্কটে অন্য দশজনের বাইরে নন। দায়িত্বপালন করতে গিয়ে এখন যে কঠোর মনোভাব দেখাচ্ছেন বিবেকের কাছে পরাজিত হয়েই তারা অবস্থান পরিবর্তন করবে।

মার্চ ফর ডেমোক্রেসির ব্যাপারে খালেদা জিয়া বলেন, সরকারের নানামুখী বাধা ও গণগ্রেপ্তারের ভেতরেও রাজধানীতে সারা দেশ থেকে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী-সমর্থক সমবেত হয়েছে। বাধা দিয়ে তাদের রুখে দেয়া যাবে না। তবে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এমন মনোভাব ব্যক্ত করেছেন যে, গণতন্ত্রের অভিযাত্রা কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ করতে চায় ১৮দল। নয়াপল্টনে সমবেত হলেও দীর্ঘমেয়াদি অবস্থানের পক্ষে নন তিনি। মার্চ ফর ডেমোক্রেসি থেকে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবেন বিরোধী নেতা।

মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’তে অংশগ্রহণের দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন খালেদা জিয়া। গুলশানের বাসভবনে সাংবাদিক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে রাত সোয়া ১০টা থেকে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে তিনি এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বৈঠক শেষে বিএফইউজের একাংশের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী বলেন, বিরোধী নেতা বলেছেন জাতীয় সংসদ এখনও ভেঙে দেয়া হয়নি। প্রধানমন্ত্রী যে ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতারও একই সুযোগ সুবিধা পাওয়ার কথা। কিন্তু সরকার বিরোধী নেতার প্রটোকল প্রত্যাহার করে দিয়েছে। দুদিকে রাস্তায় বালুর ট্রাক দিয়ে ব্যারিকেড দিয়েছে। গণতান্ত্রিক দেশে এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়।

রুহুল আমিন গাজী বলেন, বিরোধী নেতা বলেছেন- সরকারের দাবি অনুযায়ী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এখন নির্বাচন কমিশনের অধীনে রয়েছে। তারা কেন এগুলো দেখছে না। খালেদা জিয়া বলেছেন, মার্চ ফর ডেমোক্রেসি হবে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি। কর্মসূচিতে বিরোধী দলের যুদ্ধংদেহি মনোভাব নেই। এ কর্মসূচিতে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে খালেদা জিয়া বলেছেন, সেখান থেকে তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন। কর্মসূচিতে বাধা না দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান ও বাসভবনের সামনে থেকে ব্যারিকেড তুলে নেয়ার দাবি জানিয়েছেন। গণতন্ত্র সমুন্নত রাখতে তিনি গণমাধ্যমেরও সহযোগিতা কামনা করেছেন। দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, জাতীয় পতাকা হাতে কর্মসূচি অংশ নেয়ার জন্য।

বিএফইউজের একাংশের সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর নেতৃত্বে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ, যুগ্ম সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি মাহবুবুর রহমান, ডিপ্লোমেটিক করেসপন্ডেট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বশির আহমেদ ও দৈনিক অর্থনীতি প্রতিদিনের বিশেষ প্রতিনিধি খুরশিদ আলম ও ডিইউজে নেতা বাছির জামাল প্রতিনিধি দলে অংশ নেন। পরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, সাংবাদিক নেতা এলাহী নেওয়াজ খান সাজু ও জাস্ট নিউজ সম্পাদক মুশফিকুল ফজল আনসারী বিরোধী নেতা খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে তার বাসভবনে যান।

সাক্ষাৎ শেষে কামাল উদ্দিন সবুজ সাংবাদিকদের বলেন, গণতন্ত্রের অভিযাত্রায় অংশ নিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এমন মনোভাব ব্যক্ত করেছেন বিরোধী নেতা খালেদা জিয়া। তিনি পরিষ্কার বলেছেন, শত বাধা উপেক্ষা করে দেশের মানুষে কর্মসূচিতে অংশ নেবে। মার্চ ফর ডেমোক্রেসি সফল হবে।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close