Featuredএশিয়া জুড়ে

অবস্থান কর্মসূচি পালনে কেজরিওয়ালকে আটকে দেয় পুলিশ

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বাধা ডিঙিয়ে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুশীল কুমার সিন্ধের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালনের চেষ্টা করলে তাকে আটকে দিয়েছে পুলিশ। এনডিটিভি তাৎক্ষণিক এক খবরে কেজরিওয়ালকে আটকের কথা জানালেও পুলিশ তা অস্বীকার করেছে।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়, বাধা পাওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী পুরো দিল্লিকে তার সঙ্গে বিক্ষোভে যোগ দেয়ার আহ্বান জানান। রোষের সঙ্গে তিনি বলেন, তারা বলে আমি নৈরাজ্যবাদী। হ্যাঁ আমি তাই। আজ আমি মিস্টার সিন্ধের জন্য নৈরাজ্যই সৃষ্টি করব।

কেজরিওয়ালের অভিযোগ ছিল, রাজ্যের আইনমন্ত্রী সোমনাথ ভারতী মাদক ও পতিতা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে চেয়েছিলেন। এজন্য সোমনাথ সহায়তা চাইলে পুলিশের তিন সদস্য তাতে অস্বীকৃতি জানান। এজন্য কেজরিওয়াল ওই তিন পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত অথবা বদলি দাবি করে আসছেন।

রাজ্য সরকারের দুই মন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করতে রাজি না হওয়ায় পুলিশের তিন সদস্যের বরখাস্তের দাবিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে এই কর্মসূচি দেন আম আদমি পার্টির প্রধান কেজরিওয়াল। দাবি পূরণের জন্য সোমবার সকাল ১০টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দেন তিনি। ওই সময়ের মধ্যে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া না হওয়ায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সুশীল কুমার সিন্ধের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করতে রওনা হন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী।

কিন্তু সচিবাললয়ের পথে ইন্ডিয়া গেইটের কাছে পুলিশের ব্যারিকেডে আটকা পড়েন কেজরিওয়াল ও তার মন্ত্রিসভার ছয় সদস্য। তাকে ঠেকাতে সুশীল সিন্ধের কার্যালয়ের সামনে ১৪৪ ধারাও জারি করা হয়। এই পরিস্থিতিতে সেখানেই অবস্থান নেন কেজরিওয়াল ও তার দলবল। আর পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, দুপুরে ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের মহড়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের সেখানেই অবস্থান করতে হবে।

কেজরিওয়ালের কর্মসূচিতে মানুষের অংশগ্রহণ ঠেকাতে সকাল ৯টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত নর্থ ব্লক সংলগ্ন প্যাটেল চক, কেন্দ্রীয় সচিবালয়, উদ্যোগ ভবন ও রেস কোর্সে মেট্রো স্টেশনগুলোও বন্ধ রাখা হয়। সম্প্রতি দিল্লিতে ডেনমার্কের ৫১ বছর বয়সী এক পর্যটককে ধর্ষণের ঘটনাও পুলিশ যথাযথভাবে তদন্ত করছে না বলে তিনি অভিযোগ করেছেন।

দিল্লির পুলিশ কমিশনার বিএস বাসি বরখাস্তের দাবি নাকচ করে দিয়ে বলেছেন, ঘটনার সত্যতা উদঘাটনে তদন্ত চলছে। এছাড়া একটি ঘুষের মামলায় রাজ্যের আরেক মন্ত্রী রাখি বিড়লার সঙ্গে বিবাদে জড়ানো আরেক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা চান দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close