অন্য পত্রিকা থেকে

কাতারে মৎস্যখাতে বাংলাদেশী নিয়োগের সুযোগ

শরীফ উদ্দীন সন্দ্বীপি |

কাতারে মৎস্যখাতে বাংলাদেশী নিয়োগের সুযোগ তৈরি হয়েছে।  মাছ কাটিং, মমাছ ব্যবসা ও আরব সাগর পারের মাছ ঘাট গুলোতে কর্মরত আছেন ১০ থেকে ১৫ হাজার বাংলাদেশী। সম্ভাবনাময় এই খাতটিতে রয়েছে আরো ব্যাপক শ্রমিক নিয়োগের সুযোগ। চট্টগ্রাম সনদ্বীপ থানার বাউরিয়া ইউনিয়নের কৃত্তিলাল দাস কাতারের মৎস্যখাতে কাজ করছেন দীর্ঘদিন।

তিনি বলেন,  ভালোভাবে কাজ করতে পারলে প্রচুর অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। কৃত্তিলাল জানান, এ ইউনিটে নিয়োজিতদের কেউই মাসিক বেতনে চাকরি করেননা। সবাই ইউনিটের নিয়ম অনুযায়ি নির্দিষ্ট হারে ফি জমা দিয়ে কাজ করতে হয়। এতে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ রিয়াল উপার্জন করেন তারা। যা বাংলাদেশী মুদ্রায় ২১৩০ থেকে ৩১৯৫ টাকা। চট্টগ্রাম ফটিকছড়ির মানিক দাস জানালেন গত ৩ বছর ধরে তিনি কাজ করছেন এই পেশায়। সুযোগ সুবিধা ভালো থাকায় এ পর্যন্ত তিনি ৪ জনকে ভিসা দিয়ে একাজে এনেছেন। সনদ্বীপের রঞ্জিত দাসও জানালেন একই কথা। তিনিও গত ৫বছরে এনেছেন ৪ জনকে।

তবে তারা বলেছেন এদেশেটিতে ২লক্ষাধিক বাংলাদেশীর মধ্যে এ পেশায় সংখ্যা বিবেচনায় খুব কম হলেও কাতারের মাছ বাজারে মাছ কাটিং, মাছ ব্যবসায়ী বাংলাদেশীরা সকলেই ভাল অবস্থানে রয়েছেন।তবে তাদের অভিযোগ, এ কাজে কর্মরতদের ভালো চোখে দেখছেননা অনেক বাংলাদেশী। অথচ পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের লোকেরা মাছ ধরা, বিক্রি করা ও মাছ কাটিং পেশায় কাতারের বাজার দখল করে নিয়েছে একচেটিয়াভাবে। তাদের কথা বাংলাদেশীদের মানসিকতার পরিবর্তন হলে মৎস্যখাতে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি সংসারে আসবে স্বচ্ছলতা।

উল্লেখ্য প্রতিদিন আরব সাগর থেকে জেলেরা মাছ ধরে সাগর তীরবর্তী মাছ ঘাটগুলোতে নিয়ে এসে ডাকের মাধ্যমে বেচা- কেনা করেন।এখান থেকে পাইকাররা কিনে নিয়ে বাজারে বিক্রি করেন। তাছাড়া প্রতিটি মাছ বাজারে ক্রেতাদের সবিধার্থে রয়েছে মাছ কাটিং সেকশন। ক্রেতারা তাদের পছন্দ মতো মাছ কাটিং করে নেন। জানা গেছে প্রতিদিন আরব সাগর পারের একেকটি মাছ ঘাটে প্রায় ৭/৮ টন মাছ বেচা- কেনা হয়। নতুন কর্মসংস্থানের সম্ভাবনাময় এ খাতটিতে বাংলাদেশ মিশন কর্তৃপক্ষ খোজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহন করলে বাংলাদেশ থেকে আরো ব্যাপক শ্রমিক আনার সুযোগ হবে।অন্যদিকে কাতার  থেকে বাড়বে আরো  রেমিটেন্স প্রবাহ ।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close