জাতীয়

গণতন্ত্র বলতে কিছু নেই: ধংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে দেশ

শীর্ষবিন্দু নিউজ: দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ক্রমাগত ফ্যাসিবাদের দিকে ধাবিত হচ্ছে। গণতন্ত্র বলে কিছু নেই। প্রতিনিয়ত মানবাধিকার ও মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন হচ্ছে। বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে ইয়ুথ মুভমেন্ট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ‘বাংলাদেশ: মানবাধিকারের নিম্নমুখী গতি শীর্ষক সেমিনারে অংশ নিয়ে বক্তারা এসব কথা বলেন।

সংগঠনটির কো-অর্ডিনেটর ইরফানুল নাহিদের সঞ্চালনায় সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক শামা ওবায়েদ। সেমিনারে বক্তব্য রাখেন সিপিবি’র প্রেসিডিয়াম সদস্য হায়দার আকবর খান রনো, সাংবাদিক নাঈমুল ইসলাম খান, বিএনপির মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বিশ্ব বৌদ্ধ ধর্ম ঐক্যপরিষদের বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সভাপতি ড. সুকোমল বড়ুয়া ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট আসাদুজ্জামান।

নাঈমুল ইসলাম খান তার বক্তব্যে বলেন, বর্তমানে তুচ্ছ কারণে মিডিয়ার উপর হস্তক্ষেপ করছে সরকার। সংবাদপত্রের স্বাধীনতার কোন সীমারেখা নেই। সাংবাদিকরা অপরাধ করলে তার বিচার হবে। যে রিপোর্টের কারণে দৈনিক ইনকিলাব বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল তা আদৌ দেশের কোন ক্ষতি করেছে কিনা সে বিষয়টি বিবেচনা করা দরকার বলে মন্তব্য করেন তিনি। এছাড়া, অবিলম্বে কারাগারে থাকা সকল সাংবাদিকের মুক্তি দাবি করেন তিনি।

ড. সুকোমল বড়ুয়া বলেন, বর্তমান সময়ে মানবাধিকার নিশ্চিত না হওয়ার মূলে রয়েছে সুশাসনের অভাব, গণতান্ত্রিক অধিকারের অভাব, সরকারের নৈতিক শক্তির অভাব, বিবেকবহির্ভূত কাজ ও ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য সরকারের আপ্রাণ চেষ্টা। বর্তমানে দেশে ভিন্নমতাবলম্বীদের হয়রানি করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। হায়দার আকবর খান রনো তার বক্তব্যে বলেন, বর্তমানে মানবাধিকার পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ তার প্রকৃত চিত্র কোনভাবেই তুলে ধরা সম্ভব নয়। মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন কোন গহ্বরে পৌঁছেছে তা কল্পনাও করা যায় না। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারী ছাত্রলীগ নেতারা পুলিশের সাহায্যকারী বাহিনী কিনা সরকারের কাছে প্রশ্ন রাখেন তিনি।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close