Featuredঅর্থনীতি

নতুন মাত্রায় বেড়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ

শীর্ষবিন্দু নিউজ: বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদেশি মুদ্রার মজুদ ১৯ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে, যা পাকিস্তানের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। যা স্বাধীনতার পর এ যাবতকালে সর্বোচ্চ। বুধবার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। রপ্তানি আয় ও রেমিটেন্স প্রবাহের ইতিবাচক ধারা রিজার্ভ বৃদ্ধিতে অবদান রেখেছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেক্স রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মহা ব্যবস্থাপক কাজী ছাইদুর রহমান জানিয়েছেন।

ছাইদুর রহমান বলেন, মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে  এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল পরিশোধের আগ পর্যন্ত রিজার্ভ ১৯ বিলিয়ন ডলারের উপরেই থাকবে বলে আমর আশা করছি। এই রিজার্ভ দিয়ে প্রায় সাত আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই  কর্মকর্তা জানান।

১৪ অর্থবছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। আর চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ১৪ দিনে দেশে এসেছে ৬৫ কোটি ডলারের বেশি রেমিটেন্স। ২০০৯ সালের ১০ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ১০ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের ৭ মে তা ১৫ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। আর গত ১৯ ডিসেম্বর প্রথমবারের মত বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয় ১৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান রিজার্ভ সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে ভারতের রিজার্ভ ২৭৫ বিলিয়ন ডলার; আর পাকিস্তানের ১০ বিলিয়ন ডলার।

অবশ্য অর্থবছরের সাত মাসের (জুলাই-জানুয়ারি) হিসাবে গতবারের চেয়ে এ অর্থবছরে ৮ শতাংশ কম রেমিটেন্স এসেছে। তবে এই সময়ে রপ্তানি আয় বেড়েছে প্রায় ১৫ শতাংশ। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের হাতে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো বিদেশি মুদ্রার মজুদ থাকতে হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করছে, বর্তমান রিজার্ভ দিয়ে সাড়ে ৬ থেকে সাত মাসের আমদানি ব্যয় নির্বাহ করা যাবে। একটি দেশের রিজার্ভ দিয়ে নূন্যতম তিন মাসের আমদানি ব্যয় নির্বাহের সক্ষমতা থাকতে হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র এএফএম আসাদুজ্জামান জানান, অপ্রয়োজনীয় আমদানি কমে যাওয়া, রপ্তানি আয়ের স্বাভাবিক গতি এবং প্রবাসী আয়ের কারণে রিজার্ভ উচ্চমাত্রা পাচ্ছে। আগামী ২ থেকে তিন মাসের মধ্যে রিজার্ভের পরিমাণ ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close