মহিলা অঙ্গন

আন্তর্জাতিক নারী দিবসের ইতিকথা

মীম নোশিন নাওয়াল খান: প্রিয় বন্ধুরা, তোমরা কী আজকে তোমাদের মা, বোন বা খালামণি- ফুপিদের শুভেচ্ছা জানিয়েছ? যদি না জানিয়ে থাকো, তাহলে এখনই জানিয়ে ফেলো।
কেন জানো তো?

আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। আচ্ছা, এই দিবসটা সম্পর্কে কতটুকু জানো তুমি? যদি বেশি কিছু না জানো, তাহলে কীভাবে সবাইকে শুভেচ্ছা জানাবে? তাই চলো আজকে তোমাদের সবাইকে জানিয়ে দিচ্ছি আন্তর্জাতিক নারী দিবসের ইতিকথা।

১৮৫৭ সালের কথা। যুক্তরাষ্ট্রের নিয় ইয়র্কের সুতা কারখানার নারী শ্রমিকেরা একদিন মজুরিবৈষম্য, কাজের সময় নির্ধারণ, অমানবিক কর্মপরিবেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে নেমে এলেন রাস্তায়। মিছিল করলেন তারা। সরকারের লেঠেল বাহিনী সেই মিছিলে দমন-পীড়ন চালায়।

১৯০৮ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় জার্মান সমাজতান্ত্রিক নেত্রী ক্লারা জেটকিনের নেতৃত্বে। ১৯১০ সালে ডেনমার্কে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন। সেই সম্মেলনে ক্লারা জেটকিন ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালন করার প্রস্তাব দেন। এরপর থেকে কিছু দেশ দিবসটি পালন করতে শুরু করে। ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে দেশগুলোর সংখ্যা। ১৯৭৫ সালে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে আন্তর্জাতিক নারী দিবস। জাতিসংঘের আহ্বানে সাড়া দিয়ে বিশ্বের প্রায় সব দেশ পালন করতে শুরু করে এই দিবস। আর এভাবেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে আন্তর্জাতিক নারী দিবস। এখন তা সারা বিশ্বে পালিত হয় নারীদের প্রতি সম্মান জানানো ও নারীদের সম অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিজ্ঞার মাধ্যমে। বাংলাদেশও প্রতি বছর পালন করে আসছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস।

কিছু কিছু দেশ এই দিনটিকে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করেছে। আবার কিছু দেশে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে সরকারি ছুটি ভোগ করেন শুধু নারীরা। এই দেশগুলোর মধ্যে আমাদের পরিচিত দুটি দেশও কিন্তু আছে। সে দুটো হচ্ছে নেপাল আর চীন।

আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বিশ্বের সব নারীর প্রতি ইচ্ছেঘুড়ির পক্ষ থেকে রইল শ্রদ্ধা।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

আরও দেখুন...

Close
ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close