এশিয়া জুড়ে

নিখোঁজ উড়োজাহাজ নিয়ে ‌‌রহস্য: নিখোঁজ বিমানের সন্ধানে ১০ স্যাটেলাইট

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: ১৪টি দেশের নাগরিকসহ নিখোঁজ মালয়েশীয় বিমানের সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে অনুসন্ধান কাজ জোরদার করতে চীন ১০টি স্যাটেলাইট যোগ করেছে।

মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ জানায়, যাত্রীদের মধ্যে চীনের ১৫৩, মালয়েশিয়ার ৩৮, ইন্দোনেশিয়ার ১২, অস্ট্রেলিয়ার ৭, ফ্রান্সের ৩, যুক্তরাষ্টের ৩, নিউজিল্যান্ডের ২, ইউক্রেনের ২, কানাডার ২, রাশিয়ার ১, ইতালির ১, তাইওয়ানের ১, নেদারল্যান্ডসের ১ ও অস্ট্রিয়ার ১ নাগরিক রয়েছেন। এদের মধ্যে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের দুই শিশু রয়েছে। এছাড়াও উড়োহাজাহটিতে ১২ জন ক্রু ছিলেন। তবে কোনো বাংলাদেশি যাত্রীর কথা জানায়নি কর্তৃপক্ষ।

উদ্ধার অভিযান দ্বিগুণ করা হয়েছে জানিয়ে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মালয়েশিয়ান কর্তৃপক্ষ জানায়, পশ্চিমাঞ্চলীয় উপকূলে উদ্ধার অভিযানে তৎপরতা দ্বিগুণ করা হয়েছে। সঙ্গে চীন ১০টি স্যাটেলাইট সংযুক্ত করেছে। এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উদ্ধারকারী দল অভিযানে যোগ দিয়েছে। বিমানটি উদ্ধার অভিযান যত বিলম্ব হচ্ছে যাত্রীদের আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে তত আতঙ্ক বাড়ছে।

মালয়েশিয়ার বেসরকারি বিমান পরিবহন সংস্থার প্রধান আজহার উদ্দীন আব্দুল রহমান স্থানীয় সময় সোমবার বিকেলে জানান, বিমানটি যে এলাকা থেকে নিখোঁজ হয়েছে সে এলাকার ৫০ থেকে একশ নটিক্যাল মাইলে উদ্ধার অভিযান দ্বিগুণ করা হয়েছে। অভিযান দক্ষিণ চীন সাগর পর্যন্ত অব্যাহত রাখ‍া হবে।এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ জানায়, বিমানটির উড্ডয়নের পথেও অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। মালয়েশিয়ার পশ্চিম উপকূল থেকে মালাক্কা প্রণালী বরাবর উদ্ধার অভিযান চালানো হবে।

এদিকে, বিমানটি নিয়ে নানা ‘ধোঁয়াশা’ সৃষ্টি হয়েছে। বিমানটিতে অন্তত দু’জন এমন ব্যক্তি ছিলেন, যারা ভুয়া কাগজপত্র ও নথি ব্যবহার করে বিমানটির আরোহী হয়েছিল।এর আগে প্রায় ২৪ ঘণ্টায় উদ্ধারকর্মীরা ভিয়েতনামের দক্ষিণে অবস্থিত দক্ষিণ চীন সাগরে অনুসন্ধান চালিয়ে বিমানটি খুঁজে পেতে ব্যর্থ হন।বিমানটি গত শুক্রবার দিনগত গভীর রাতে ২৩৯ জন যাত্রীসহ নিখোঁজ হয়। এর খোঁজে ব্যাপক তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে। কুয়ালালামপুর থেকে বেইজিংগামী বিমানটি ১৪টি দেশের নাগরিক ছিলেন।

 

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close