রাজনীতি

তারেকের বিষয়ে সতর্কভাবে এগুচ্ছে সরকার

শীর্ষবিন্দু নিউজ: বঙ্গবন্ধুকে অবৈধ প্রধানমন্ত্রী বলায় তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার দাবি আওয়ামী লীগ নেতারা তুললেও সব বিষয় খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নিতে সময় নেয়ার কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

শনিবার রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ‘আহছানিয়া মিশন নারী মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন’ উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী একথা বলেন। অনুষ্ঠানে ঢাকা আহছানিয়া মিশনের সভাপতি কাজী রফিকুল আলমও বক্তব্য রাখেন।

তারেক গত ৮ এপ্রিল লন্ডনে এক আলোচনায় সভায় বঙ্গবন্ধুকে অবৈধ প্রধানমন্ত্রী বলার পর থেকে আওয়ামী লীগ নেতারা তার সমালোচনামুখর। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দায়েরের অভিযোগও ওঠে। ২১ অগাস্টে গ্রেনেড হামলাসহ বেশ কয়েকটি মামলা মাথায় নিয়ে ২০০৮ সাল থেকে যুক্তরাজ্যে রয়েছেন খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক।

আসাদুজ্জামান বলেছেন, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করার দাবি কতটা যৌক্তিক তা খতিয়ে দেখবে সরকার। বাধা আসে বা প্রশ্নের সম্মুখীন হই, এমন কিছু করব না। তিনি বলেন, তারেক জিয়া দোষী বলেই প্যারোলে মুক্তির পাওয়ার পরও দেশে আসছেন না। পহেলা বৈশাখের আগে এই অনুষ্ঠানে নয় বছর আগে রমনা বটমূলে নববর্ষের অনুষ্ঠানে বোমাহামলার বিচার নিয়েও সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে।

সরকার এ মামলা গতিশীল করতে উদ্যোগী হবে জানিয়ে তিনি বলেন, আসামিরা কেউ বিদেশে পালিয়ে থাকলেও তাদের ফেরত আনার চেষ্টা করা হবে। মাদকাসক্তি পুনর্বাসন কেন্দ্রের এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসাদুজ্জামান বলেন, গাঁজা ছাড়া কোনো মাদক বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় না। ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা দিয়ে এদেশে মাদক ঢোকে। মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের কোনো ছাড় সরকার দিচ্ছে না বলে জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাদক নিরাময়ে সরকারি হাসপাতালগুলোতে মেয়ে ও শিশুদের জন্য শয্যা সংরক্ষণের কথা সরকার ভাবছে। পুলিশ কর্মকর্তা নিহত মাহফুজুর রহমানের  মেয়ের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, অনেক মেয়েরা এখন মাদকাসক্ত। তাদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সবার উদ্যোগী হতে হবে। আহছানিয়া মিশনের মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রটি বাংলাদেশের প্রথম নারী মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্র বলে অনুষ্ঠানে জানান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আতাউর রহমান। তিনি বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ৯০টি মাদক নিরাময় কেন্দ্রের লাইসেন্স দিয়েছে। এসব কেন্দ্রের মধ্যে আহছানিয়া মিশন কেবল নারীদের নিরাময়ে কাজ করবে বলে লাইসেন্স নিয়েছে।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close