জাতীয়

সাত খুনে আমার কেউ জড়িত নয়

শীর্ষবিন্দু নিউজ: নারায়ণগঞ্জে সাত খুনে অভিযুক্তদের সঙ্গে নিজের পরিবারের কোনো সদস্যের সংশ্লিষ্টতা নেই বলে দাবি করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। তদন্তে সন্দেহভাজন র‌্যাব সদস্যদের সংশ্লিষ্টতার আলামত তাদের তদন্ত উঠে আসছে বলে বাহিনীর একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

যদিও এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠার পর মন্ত্রীর জামাতা ও র‌্যাব-১১ এর সাবেক কমান্ডার তারেক সাঈদ মাহমুদকে এরইমধ্যে সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুৎ করা হয়েছে। শুক্রবার এক বিবৃতিতে নারায়ণগঞ্জের কাউন্সিলর নজরুল ইসলামসহ সাতজনকে অপহরণ ও হত্যায় শোক প্রকাশ করেন আওয়ামী লীগের ঢাকা মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক মায়া।

মন্ত্রী বলেছেন, ওই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত যাতে প্রভাবিত না হয় সেজন্য কোনো ধরনের মন্তব্য করা থেকে তিনি বিরত রয়েছেন। তবে এমন সময়ে তার এ বিবৃতি এসেছে, যখন র‌্যাব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনার তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশে তাদের সম্মানহানি হয়েছে বলে দাবি করেন ত্রাণমন্ত্রী।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে জানিয়ে রাখতে চাই, এ হত্যাকাণ্ড সম্পর্কিত মামলায় অভিযুক্তদের সঙ্গে আমার পরিবারের কোনো সদস্যের কখনোই কোনো রকম যোগাযোগ বা ব্যবসায়িক লেনদেন বা সম্পর্ক ছিল না। গত ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম ও আইনজীবী চন্দন কুমার সরকারসহ সাতজন অপহৃত হন। এর দুদিনের মাথায় র‌্যাব-১১ এর সিও লেফটেন্যান্ট কর্নেল তারেক সাঈদ মাহমুদ ও নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপারসহ কয়েক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়।

পরদিন শীতলক্ষ্যা নদীতে অপহৃতদের লাশ ভেসে ওঠে, যাদের অপহরণের পরপরই হত্যা করা হয়েছিল বলে ময়না তদন্তকারী চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। নিহত নজরুল ইসলামের পরিবার থেকে ওই হত্যাকাণ্ডে র‌্যাব সদস্যদের জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠার পর ঘটনা খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে র‌্যাব। এরপর র‌্যাব-১১ সে সময়ের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তারেক সাঈদ মাহমুদ, মেজর আরিফ হোসেন এবং লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এমএম রানাকে অকালীন এবং বাধ্যতামূলক অবসর দেয়া হয়েছে।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close