রাজনীতি

পাকিস্তানের সাথে বিরোধ থাকায় মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে ভারতের সহযোগিতা

শীর্ষবিন্দু নিউজ: পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ বাঁধে বলেই মুক্তিযুদ্ধে ভারত বাংলাদেশকে সহায়তা করেছিলো মন্তব্য যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের। রোববার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা-বিনাশী আওয়ামী সরকারের ক্রেস্ট কেলেংকারির সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি’র দাবিতে আলোচনা সভাটি আয়োজন করা হয়। আলাল বলেন, প্রতিবেশী দেশের (ভারত) পরামর্শে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রথম থেকেই ওলট-পালট করে দেওয়া হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের ফল যখন পাওয়া যাবে ঠিক সে সময় ভারত সহায়তা করেছে। আর ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য ভারত সহায়তা করেনি, তারা সহায়তা করেছে পাকিস্তানের সঙ্গে তাদের যুদ্ধ বাঁধার কারণে।

তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান দিতে গিয়ে সোনা, রুপা ও কাঠ চুরি করার মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের শালীনতাহানি করা হয়েছে। যারা এর সঙ্গে জড়িত তাদের নিরপেক্ষ বিচারকদের মাধ্যমে ট্রাইব্যুনাল গঠন করে বিচার করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ধূমপান যেমন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, তেমনি আওয়ামী লীগও গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর। ধূমপান যেমন মৃত্যু ঘটায়, আওয়ামী লীগও তেমন গণতন্ত্রের মৃত্যু ঘটায়।

সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিম বীর প্রতীক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর একটি অভ্যাস আছে। তা হলো অবলীলায় মিথ্যা কথার মাধ্যমে জিয়া ও খালেদা জিয়াকে আক্রমণ করা। প্রধানমন্ত্রীর এমন আচরণে দেশ ও জাতির ঈমান নষ্ট হচ্ছে। এর জন্য তাকে দায়ী করতে হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কমান্ড দুর্বল। তাই মুক্তিযোদ্ধাদের অবমাননা করা হচ্ছে, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্নস্থানে গুম খুনের ঘটনা ঘটছে। এর দায় শেখ হাসিনাকে নিতে হবে। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ তাদের অন্তর্দ্বন্দ্বের কারণে ধ্বংস হয়ে যাবে। কিন্তু দুঃখের বিষয় স্বাধীনতার ৪৩ বছর পর তাদের অন্তর্দ্বন্দ্বের কারণে জাতির জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠছে।

ড. তুহিন মালিক বলেন, ৪৩ বছর পর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে মাজার তৈরি করে ব্যবসা করা হচ্ছে। ভণ্ড পীররা যেমন মাজার নিয়ে ব্যবসা করে ঠিক তেমনি আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে ব্যবসা করছে। তিনি বলেন, বিদেশি বন্ধুদের যে ক্রেস্ট দেওয়া হয়েছে তার মাধ্যমে তাদেরকে ক্রেস্ট দেওয়া হয়নি দুর্নীতির সনদ দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে জাতিকে, বঙ্গবন্ধুকে ও তার দলকে অপমানিত করা হয়েছে।

দলের সভাপতি ইসফাক আজিজুল হক উলফাত’র সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ কল্যাণ পাটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিম বীর প্রতীক, যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ড. তুহিন মালিক, ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবদুস সালাম।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close