অন্য পত্রিকা থেকে

উঠিয়ে নেয়া হলো ডিভাইস মেশিন প্রতিরোধ

নিউজ ডেস্ক: উল্টো পথে চলাচলকারী যানবাহন নিয়ন্ত্রক ও গাড়ির চাকা পাংচারকারি ডিভাইস মেশিন ‘প্রতিরোধ’ উঠিয়ে নিয়েছে ডিএমপি। মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে রাজধানীর হেয়ার রোড থেকে ডিভাইস মেশিন উঠিয়ে সেই জায়গায় বালু, সুড়কি ও সিমেন্ট দিয়ে ঢালাই করা হয়েছে।

তবে দুই পাশের চারটি নাট বল্টু এখনও সাক্ষীগোপাল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ডিভাইস স্থাপনা জায়গায়তে। এদিকে তড়িঘড়ি করে ডিভাইস স্থাপনের পাশাপাশি একই ভাবে তা তুলে নেয়ার ঘটনায় জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ডিএমপি ঢাকঢোল পিটিয়ে ১৪ দিন পরে ডিভাইস তুলে নিয়েছে সত্য কিন্তু তার জন্য গচ্চা দিতে হলো পাঁচ লাখ টাকা। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ডিএমপির আর্থিক সহযোগিতায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলার পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়িয়ে নিরাপদে যানবাহ আরোহী এবং পথচারীদের গমনাগমন নিশ্চিত করতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ট্রাফিক) বিভাগ হেয়ার রোডের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন সুগন্ধার সামনে স্বংয়ক্রিয় ডিভাইস মেশিন হেয়ার পরীক্ষামূলক স্থাপন করে। মেশিনের কাঁটাগুলো সোজা পথে গাড়ি পার হওয়ার সময় নিচু এবং উল্টো পথের গাড়ি পার হতে গেলে তিন ইঞ্চি উঁচু হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে।

কিন্তু পরীক্ষামূলক পর্যায়ে স্বয়ংক্রিয় ওই মেশিন থেকে কাঙ্ক্ষিত কোন ফল না পাওয়ায় পুলিশের ঊর্ধ্বতন মহলের নির্দেশে তা উঠিয়ে নেয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ২৩শে মে হেয়ার রোডের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন সুগন্ধার সামনে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার। স্বয়ংক্রিয় ডিভাইস মেশিনের তৈরিকারক ছিলেন ধোলাইখালের সোহেল মেটাল। প্রসঙ্গত উল্টো পথের গাড়ি ও চাকা কুপোকাত করতে আধুনিক ডিভাইস মেশিন স্থাপন করা হয় হেয়ার রোডে। ডিভাইসের যাত্রা শুরুতে সংশ্লিষ্টরা

গণমাধ্যমকে জানায়, ধাতব বস্তুর কাঁটাগুলো বিদেশী এক নম্বর স্টেনলেস স্টিল এবং সমপূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরী। এতে তাদের খরচ হয়েছে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা। এর ধারালা কাঁটাগুলো শক্তিশালী এবং উল্টো পথের গাড়ির জন্য ভয়ঙ্কর। ঝড় বৃষ্টি, ধুলোবালি কিংবা যানবাহনের ভারে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কম। ট্রাফিক সিগনাল পেরিয়ে কম সময়ে উল্টো পথে গাড়ি ডিভাইস পার হওয়ার চেষ্টা করলে শক্তিশালী কাঁটার আঘাতে চাকা ফুটো হয়ে জায়গায় বসে পড়বে ওই গাড়ি। কিন্তু এর একদিন পরে ঘটে যায় তার উল্টো ঘটনা। ২৪শে মে বিকালে ডিভাইসের ছয়টি কাঁটা স্বয়ংক্রিয় কায়দায় এঁকেবেঁকে যায়। এ ঘটনায় বুয়েটের চার প্রকৌশলী ডিভাইস এলাকা পরিদর্শন পরীক্ষা করে টেকনিক্যাল সহায়তার পরিবর্তে নতুন গবেষণার আশ্বাস দেন।

এ ব্যাপারে ট্রাফিক (দক্ষিণ) ডিসি খান মো. রেজওয়ান মানবজমিনকে বলেন, সাময়িক ভাবে ডিভাইস তুলে নেয়া হয়েছে। তারা দুই সপ্তাহের জন্য পরীক্ষামূলক চালু করেছিলেন ডিভাইস। কিন্তু এর ত্রুটি থাকায় ডিভাইস মেশিন নিয়ে বুয়েটের প্রকৌশলী দিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন। এর পর সমপূর্ণ আধুনিক পদ্ধতির ডিভাইস মেশিন পুনরায়  চালু করা হবে বলে জানান তিনি।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close