অন্য পত্রিকা থেকে

জানা-অজানা বিশ্বকাপ

শামীম হোসেন:

বিশ্বকাপের জানা-অজানা

বিশ্বের সব ফুটবলপ্রেমীদের মুখে একটাই আলোচনা তা হলো ‘ব্রাজিল বিশ্বকাপ’। অফিস-আদালত থেকে শুরু করে গ্রাম্য চায়ের কাপ- সবখানেই চলছে বিশ্বকাপ ঝড়। এই ঝড় আরো বাড়িয়ে দিতে বিশ্বকাপের নানা জানা অজানা কিছু খবর জানাচ্ছি…

বিশ্বকাপের এক আসরে সবচেয়ে বেশি গোলের মালিক ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রোনালদো। তিনি এক আসরে রেকর্ড সংখ্যক ১৫টি গোল করেছেন।

আর বিশ্বকাপের ২৫টি ম্যাচ খেলেছেন রেকর্ড করেছেন জার্মানির ফুটবলার ‘লুথার ম্যাথুউস’।

আমাদের নিশ্চই ২০০২ বিশ্বকাপের কথা মনে আছে। খেলা শুরুর ১১ সেকেন্ডের মাথায় গোল করে দ্রুততম গোলের রেকর্ড করেছিলেন তুরস্কের ‘হাসান সুকুর’। আর এই দ্রুততম গোলের রেকর্ডটি করেছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে।

জার্মানির গোলকিপার অলিভার কান’কে চেনে না এমন ফুটবলপ্রেমী খুঁজে পাওয়া দুস্কর। আর চিনবেই না কেন, কারণ তিনি তো একমাত্র গোলকিপার, যে ‘গোল্ডেন বল’ জিতে ফিফা ইতিহাসে নাম লিখিয়েছেন।

ফুটবল বিশ্বের অনেক চমকপ্রদ তথ্যে মধ্যে এটাও একটা। জানলে হয়তো অবাকই হবেন, বুট পরে খেলতে হবে, তাই ১৯৫০ সালে বিশ্বকাপ থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছিলো ইন্ডিয়া। ফিফার নিয়মানুসারে প্রত্যেক খেলোয়াড়কে পায়ে বুট পরে খেলতে হয়।

বিশ্বকাপে ২০টি ম্যাচ হেরে জাতি হিসেবে সবচেয়ে বেশি হতাশায় ভুগছে মেক্সিকো।


বিশ্বকাপে অংশনেওয়া সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে উত্তর আয়ারল্যান্ডের ‘নরম্যান হোয়াইসাইড’ কেই ধরা হয়।  তিনি ১৯৮২ সালে ফিফা বিশ্বকাপে মাত্র ১৭ বছর বয়সে খেলে রেকর্ড করেছিলেন।

বিশ্বকাপের ১৮টি আসরের মধ্যে দক্ষিণ আমেরিকা এবং ইউরোপিয়ানরা প্রত্যেকে ৯টি করে জিতেছেন। অন্য মহাদেশ বাকী একটি জিতেছে।

পর পর চারবার বিশ্বকাপ আসরের ফাইনাল (৯১৫৮, ১৯৬২, ১৯৬৬, ১৯৭০) খেলেছেন এমন খেলোয়াড় মাত্র ২ জন। এর মধ্যে একজন ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার পেলে ও অন্যজন পশ্চিম জার্মানির ইউউই স্যালার।

বিশ্বকাপ ফুটবলে অংশ নেওয়া খেলোয়াড়দের মধ্যে ‘রজার মিলার’ সবচেয়ে বেশি বয়সী খেলোয়াড়। তিনি ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে ৪২ বছর বয়সে গোলে করে রেকর্ড গড়েছেন। ১৯৩০ বিশ্বকাপে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে দ্রুততম সময়ে হ্যাট্রিক করে রেকর্ড গড়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ‘বার্ট পাতেনাউদি’।

১৯৮৬ সালে ফুটবল মাঠে শার্ট খোলা নিষেধ করেছেলিন কারণ তারা চান না খোলা বুক দেখুক দর্শকরা দেখুক। দেশ হিসেবে প্রতিটি বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে অংশ নিয়েছে ব্রাজিল। চূড়ান্ত পর্বে ১৮টিতে অংশ নিয়ে জয় পেয়েছে ৫টিতে এবং সবশেষ ২০১০ সালেও চূড়ান্ত পর্বে খেলেছিলেন তারা। ‘স্যার ভিভ রিচার্ডস’ একমাত্র ব্যক্তি যিনি ফুটবল এবং ক্রিকেট উভয় ফরম্যাটে বিশ্বকাপ খেলেছেন।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close