বানিজ্য

কৌশলে দাম বৃদ্ধি করা হচ্ছে কাঁচাপণ্যের

নিউজ ডেস্ক: কৌশলে কাঁচাপণ্যের দাম বৃদ্ধি করছেন পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা। পাইকারি বাজারে কোনো পণ্যের দাম সামান্য বৃদ্ধি পেলেই তার ব্যাপক প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে। কাঁচামরিচ, পেঁয়াজসহ কয়েকটি নিত্যপণ্যের আড়ালে অন্যান্য পণ্যের দামও বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে ক্রেতাদের অভিযোগ।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে ক্রেতা, বাজার বিশ্লেষণ ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমনই তথ্য পাওয়া যায়। বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রতিদিনই কোনো না কোনো পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে ছুটির দিনে এই প্রতিযোগিতায় বেশি করে নামছেন বিক্রেতারা।

গত সপ্তাহে কাঁচামরিচ কেজিপ্রতি ৬০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হলেও চলতি সপ্তাহের শুরুতে ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। টমেটোর দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত। এছাড়া একসপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজসহ কয়েকটি কাঁচাপণ্যের দাম কেজিপ্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।

কাঁচাপণ্য কিনতে আসা একজন ক্রেতা জানান, নানা কৌশলে কাঁচাপণ্যের দাম বৃদ্ধি করছেন বিক্রেতারা। তারা ভালো করেই জানে দাম বাড়লেও ক্রেতারা ঠিকই পণ্য কিনবেন। কিন্তু এরকম আচরণ হওয়া তো ঠিক নয়।

সবজি:
 কেজিপ্রতি বেগুন মানভেদে ৮০ থেকে ১১০ টাকা, কাঁচামরিচ ৭০ থেকে ১০০ টাকা, করলা ৪৫ থেকে ৫৫ টাকা, চিচিঙ্গা ৪৫ থেকে ৫৫ টাকা, কাকরুল ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পেঁপে ২৫ থেকে ৪০ টাকা, আলু (সাদা) ২২ থেকে ২৫, দেশি (লাল) ৪০ টাকা, টমেটো ৬৫ থেকে ৯০ টাকা, শসা ৫৫ থেকে ৭৫ টাকা, কচু ৪৫ থেকে ৬০ টাকা, পটল ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ১৫ থেকে ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মুদিখানা: পেঁয়াজ (দেশি) ৩৮ থেকে ৪০ টাকা, (বিদেশি) ৪২ থেকে ৪৫ টাকা, রসুন দেশি ৮০ থেকে ৯০ টাকা, বিদেশি ৮৫ থেকে ৯৫ টাকা, আদা (দেশি) ১৮০ থেকে ২২০ টাকা, বিদেশি ২২০ থেকে ২৪০ টাকা, ছোলা ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, দেশি মসুরের ডাল ৯৫ থেকে ১১০ টাকা, বুটের ডাল ৭০ থেকে ৮০ টাকা, মুগের ডাল ৯৫ থেকে ১২০ টাকা, খেসারির ডাল ৪৫ থেকে ৫৫ টাকা, বেশন ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, চিনি ৪৪ থেকে ৪৮ টাকা, দেশি ৫৪ টাকা, খোলা আটা ৩২ থেকে ৩৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খোলা সোয়াবিন তেল প্রতিলিটার ৯৮ থেকে ১০৫ টাকা, পামলিন ৯৫ থেকে ৯৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর ৪টি করে ডিম (লাল) ২৮ থেকে ২৯ টাকা, সাদা (দেশি) ৩৬ থেকে ৪০ টাকা, হাঁস ৩৪ থেকে ৩৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাংস: বাজার ভেদে গরুর মাংস কেজিপ্রতি ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, খাসি ৪৭০ থেকে ৪৯০ টাকা দরে, ব্রয়লার মুরগি আকারভেদে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা, দেশি ৩৬৫ থেকে ৩৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছ: আকারভেদে প্রতিকেজি পাংগাস মাছ ১২৫ থেকে ১৪৫ টাকা, সিলভার কাপ ১৫৫ থেকে ১৮৫ টাকা, শিং ৭৯০ থেকে ৮৬০ টাকা, তেলাপিয়া ১৭৫ থেকে ১৮৫ টাকা, রুই ২২০ থেকে ৩০০ টাকা, কাতল ২৩৫ থেকে ৩৫০ টাকা, চিংড়ি ৬০০ থেকে ৯০০ টাকা, বোয়াল ৪৫০ থেকে ৫৫০ টাকা, কৈ (চাষ) ১৯০ থেকে ২৬০ টাকা, জোড়া ইলিশ এক হাজার থেকে দুই হাজার ২০০ টাকা ও টেংরা ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

চাল: প্রতিকেজি মোট চাল ৩৪ থেকে ৩৬ টাকা, মিনিকেট ৪৬ থেকে ৫০ টাকা, আটাশ (২৮) ৪০ থেকে ৪২ টাকা,  বিআর-২৯ ৩৯ থেকে ৪২ টাকা, পারিজা ৩৮ থেকে ৪২ টাকা, নাজিরশাল ৫০ থেকে ৫৮ টাকা, স্বর্ণা ৩৫ থেকে ৩৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close