লন্ডন থেকে

সরেজমিনে সাফল্য দেখতে বাংলাদেশ সফরে ক্যামেরুনের আগ্রহ প্রকাশ

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: অর্থনীতি, সামাজিক ও নারী উন্নয়নে বাংলাদেশের অগ্রগতির ভূয়সী প্রশংসা করে শেখ হাসিনার সরকারের প্রতি সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরুন। এই সাফল্য কিভাবে এলো- তা দেখতে বাংলাদেশ সফরেরও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার লন্ডনের ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে নিজের কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তিনি এই আগ্রহের কথা জানান।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব একেএম শামীম চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, অব্যাহত অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং নারীর স্বাধীনতা ও অধিকার সুরক্ষায় বাংলাদেশ যে অগ্রগতি অর্জন করেছে তার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ডেভিড ক্যমেরন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশ অনেক দিনের বন্ধু। যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে যে সহযোগিতা করে যাচ্ছে তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরের আগ্রহের কথা জানিয়ে পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক বলেন, উনি বলেছেন যে, নারীর উন্নয়ন, অব্যাহত ৬ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি- এটা তোমরা কীভাবে করলে তা আমি সরেজমিনে দেখতে চাই। আমি এটাও দেখতে চাই যে, তোমরা মৌলবাদী শক্তির চ্যালেঞ্জকে কিভাবে মোকাবিলা করছ। এজন্যও উনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। এটা খুব ডিফিকাল্ট চ্যালেঞ্জ, উনি যেটা করে যাচ্ছেন এতদিন ধরে। ক্যামেরন সিলেটে যাওয়ারও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন জানিয়ে বলেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উনাকে বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণ ও সরকার অত্যন্ত আন্তরিকভাবে তাকে স্বাগত জানাবে।

ডেভিড ক্যামেরনের আমন্ত্রণে গার্ল সামিটে যোগ দিতে তিন দিনের সফরে সোমবার লন্ডনে পৌঁছান শেখ হাসিনা। টানা দ্বিতীয় মেয়াদে বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্ব নেয়ার পর যুক্তরাজ্যে এটাই তার প্রথম সফর। সোমবার দুপুরে গার্ল সামিটে যোগ দেয়ার আগে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে আধা ঘণ্টারও বেশি সময় বৈঠক করেন দুই প্রধানমন্ত্রী। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।

শহীদুল হক বলেন, বৈঠক খুবই সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আন্তরিক পরিবেশে হয়েছে। এতে শেখ হাসিনার সরকারের প্রতি ক্যামেরন সরকারের আস্থার প্রকাশ ঘটেছে। তিনি শুধু প্রশংসা করেছেন তাই না, সরকারের প্রতি গভীর আস্থা প্রকাশ করেছেন এবং শেখ হাসিনার সরকারের সাথে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর দুই প্রধানমন্ত্রী গার্ল সামিটে যোগ দেন। লন্ডনের ওয়ালওয়র্থ একাডেমিতে গার্ল সামিটের ভেন্যুতে ব্রিটেনের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ডেসমন্ড সোয়ানে এবং ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্থনি লেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। 

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close