Featuredঅন্য পত্রিকা থেকে

এখনও অগোছালো বিএনপি

কাফি কামাল: নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনে যাচ্ছে বিএনপি। শিগগিরই দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ও জোটের শরিক দলের সঙ্গে বৈঠক করে আন্দোলনের ছক ও কর্মসূচি প্রণয়নের কথা ঘোষণা দিয়েছেন

দলের শীর্ষ নেতারা। আন্দোলনে নতুন করে ঢেউ তোলার ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা মহানগর কমিটিও। শীর্ষ নেতৃত্ব ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনের প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানালেও অগোছালো দলের তৃণমূল। নেতৃত্ব নিয়ে পাল্টাপাল্টি ও দ্বন্দ্ব-কোন্দল জেলা থেকে উপজেলা সকল পর্যায়ে। নেতাদের কোন্দল ও গা বাঁচিয়ে চলা নীতির কারণে তুঙ্গে নিয়েও ৫ই জানুয়ারির একতরফা নির্বাচন প্রতিহত করতে পারেনি দলটি। চলমান দুঃসময়ে দলকে সুসংগঠিত করে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার প্রস্তুতি নিতে নেতাকর্মীদের বারবার আহ্বান জানাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। কিন্তু আন্দোলনের প্রস্তুতির বদলে কোন্দলের আগুনে পুড়ছে অন্তত দুই ডজন জেলা কমিটি।

নিজেদের মধ্যেই মারামারি, পাল্টাপাল্টি ও প্রচার-অপপ্রচারে সেসব জেলায় দিন দিন ক্ষয় হচ্ছে সাংগঠনিক শক্তি। তৃণমূল নেতাকর্মীরা বলছেন, অযোগ্য ও অগণতান্ত্রিকভাবে কমিটি গঠন করায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ৫ই জানুয়ারি একতরফা নির্বাচনের পর আন্দোলনে ঘুরে দাঁড়াতে সাংগঠনিক পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তৃণমূলের সাংগঠনিক পরিস্থিতি জানতে গঠন করা হয়েছিল বিএনপির পর্যবেক্ষণ টিম।

কিন্তু সে টিমের কর্মকাণ্ড নিয়ে অসন্তোষ ও নানা অভিযোগ আসে শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে। এমন পরিস্থিতিতে জেলা নেতাদের সঙ্গে নিজেই মতবিনিময় শুরু করেন খালেদা জিয়া। তারই ধারাবাহিকতায় পুরোনো কমিটি ভেঙে সময়সীমা বেঁধে দিয়ে গঠন করা হয় ডজনখানেক নতুন জেলা আহ্বায়ক কমিটি। কিন্তু তৃণমূলের বিরোধ ও প্রতিবাদের মুখে অচিরেই থেমে যায় সে উদ্যোগ। এদিকে সর্বশেষ ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হলেও দ্বন্দ্বের কালো ছায়া পড়েছে সেখানে। দূরত্ব তৈরি হয়েছে আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের মধ্যে।

এ নিয়ে ভাঙচুর ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে মহানগর কার্যালয়ে। বিএনপির পাশাপাশি যুবদল, ছাত্রদল, মহিলা দলসহ প্রতিটি অঙ্গ সংগঠনের অবস্থাও তথৈবচ। ছাত্রদলের বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটি দীর্ঘদিনেও পুনর্গঠন করতে পারেনি সাংগঠনিক জেলাগুলো। বৃহত্তর চট্টগ্রামের ১৪টি জেলা ও একাধিক বিশ্ববিদ্যালয় শাখার মধ্যে মাত্র তিনটি কমিটির ঘোষণা এসেছে বর্তমান কমিটির তরফে। কিন্তু সে সব কমিটি নিয়েও চলছে মতদ্বৈততা। আন্দোলনের মাঠে ব্যর্থতার অভিযোগে তীরবিদ্ধ  যুবদল, কৃষক দল, মহিলা দলসহ বেশির ভাগ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন।

এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনের দাবিতে আগামীদিনের আন্দোলন কিভাবে সাফল্যের দিকে নিয়ে যাবে তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বে। সাংগঠনিক অস্থিরতার মধ্যেও আগামী দিনের আন্দোলনের সাফল্য নিয়ে আশাবাদী দলের শীর্ষ নেতারা। স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার (অব.) হান্নান শাহ বলেন, হাইকমান্ড ভুল করলে তৃণমূল একটু ক্ষুব্ধ হয় বৈকি। তবে আমাদের শীর্ষ নেতা খালেদা জিয়ার প্রতি দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের আস্থা ও বিশ্বাস আছে। তার নেতৃত্বের প্রতি সবার সমর্থন অটুট। আমি বিশ্বাস করি আন্দোলন শুরু হলে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ভুলে সবাই রাজপথে ঝাঁপিয়ে পড়বে। দলের ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ বলেন, অন্তর্কোন্দল অবশ্যই নেতিবাচক পরিস্থিতি তৈরি করে। তবে আন্দোলনের স্রোত যখন তৈরি হবে তখন আর গ্রুপ থাকে না। সবাই একই মোহনার দিকে ছুটে যায়।

অভ্যন্তরীণ কোন্দলে পুড়ছে নেত্রকোনা জেলা বিএনপি। কোন্দল তীব্র আকার ধারণ করায় দ্বিধাবিভক্ত নেতাকর্মীদের মাঝে হামলা, পাল্টা হামলা, দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরসহ রক্তাক্ত ঘটনায় চরম অস্থির হয়ে উঠেছে স্থানীয় রাজনীতি। ভোল পাল্টানো নেতাদের নেতৃত্বে বহাল ও ত্যাগী-যোগ্য নেতারা কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। ওয়ান ইলেভেনের পর সৃষ্ট বিরোধ মিটেনি দীর্ঘ সময়েও। এ পর্যন্ত চারবার জেলা বিএনপির কমিটি বদল হয়েছে সময় মতো পূর্ণাঙ্গ কমিটি না দিতে পারার কারণে। ২০০৯ সালে আশরাফ উদ্দিন খান, ২০১০-১১ সালে নুরুজ্জামান নুরু, আবু তাহের ও এসএম শফিকুল কাদের সুজার নেতৃত্বে দফায় দফায় কমিটি বদল, কমিটির বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষের মিটিং-মিছিল ও একে অন্যের বিরুদ্ধে অবস্থানের কারণে ক্ষয় হচ্ছে সাংগঠনিক শক্তি। সম্প্রতি খান-সুজা গ্রুপের মারামারির ঘটনায় একাধিক মামলা দায়ের ও গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে।

এছাড়া, মূল কমিটিতে দ্বন্দ্ব থাকার ফলে প্রায় এক যুগ পার হলেও গঠন করা যায়নি ছাত্রদলের কমিটি। রংপুরে বিএনপির অবস্থা অনেকটাই বেহাল। নতুন কমিটি কোন্দল নিরসনের বদলে বাড়িয়েছে। প্রতিদিনই নিজেদের মধ্যে ঘটছে সংঘর্ষের ঘটনা। নতুন কমিটি গঠনের পর থেকে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত হয়েছে কমপক্ষে অর্ধশত নেতাকর্মী। ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে অর্ধশতাধিক। নতুন জেলা ও মহানগর কমিটি রমজানে যে আটটি ইফতারির আয়োজন করে প্রতিটিতেই বাধার মুখে পড়েছেন তারা। পীরগঞ্জে ইফতারের আগ মুহূর্তে মঞ্চের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে মঞ্চ ও চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর চালায় পদবঞ্চিতরা।

তারাগঞ্জে তৃণমূল নেতাকর্মীদের হামলার শিকার হন জেলা নেতারা। পুলিশি পাহারায় ইফতার পার্টি করতে হয় বদরগঞ্জে। রংপুর জেলা ও মহানগর কমিটি ঘোষণার পর থেকেই কাঙ্ক্ষিত পদবঞ্চিতরা কমিটি বাতিলের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে। তারা নতুন কমিটির কর্মসূচি প্রতিহতের ঘোষণা দিয়েছেন। পদবঞ্চিতরা কমিটি বাতিল ও দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুকে রংপুরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ পাঁচ বছর পর গত ৬ই জুন রংপুর জেলা ও মহানগর বিএনপি গঠন করা হয়। দলীয় কোন্দলে জর্জরিত পাবনা জেলা বিএনপি। দুইপক্ষের কোন্দল এতটাই তীব্র যে মাঝে মধ্যে তাদের একাংশকে কর্মসূচি পালন করতে হয় পাশের সিরাজগঞ্জ জেলায় এসে। কমিটি গঠন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পাবনা জেলা বিএনপিতে চলছে কোন্দল। বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রভাবে পকেট কমিটি গঠনের অভিযোগে প্রতিবাদ করে আসছে জেলা বিএনপির একাংশ। তারই ধারাবাহিকতায় খালেদা জিয়ার পাবনা সফরকালেও তারা রাস্তায় দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে।

কিন্তু দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও পাবনা বিএনপিতে শৃঙ্খলা ও নেতাকর্মীদের আস্থা ফেরাতে পারেনি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বর্তমানে পাবনায় ‘বিএনপি রক্ষা কমিটি’ গঠন করেছে বঞ্চিতরা। কোন্দল আক্রান্ত সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি। জেলা বিএনপির কোন্দল আগে সভা সমাবেশে সীমিত থাকলেও এখন তা গড়িয়েছে হত্যা, হামলা আর মামলায়। সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির গ্রুপিংয়ের শিকার হয়ে সমাবেশ মঞ্চেই জীবন দিয়েছেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি ও জেলা মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান। এই হত্যাকাণ্ডের পর চূড়ান্ত স্তরে পৌঁছে জেলা বিএনপির বিরোধ। আমান হত্যা মামলায় জেলা বিএনপি, জেলা যুবদল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ অর্ধশত নেতা এখন দৌড়াচ্ছেন আদালতের বারান্দায়। ভেঙে দেয়া হয়েছে জেলা বিএনপির কমিটিও।

নতুন কমিটি ঘোষণা দেয়া হলেও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি সাতক্ষীরা বিএনপি। পাঁচ বছরে গঠন করা যায়নি নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি। ২০০৯ সালের ২৫শে নভেম্বর সম্মেলনের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির ছয় সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হলেও তা পূর্ণাঙ্গ হয়নি ৫ বছরে। আন্দোলনের সূতিকাগার খ্যাত নারায়ণগঞ্জের জেলা নেতারা রয়েছেন ইমেজ সঙ্কটে। তারই খেসারত দিতে হয়েছে সর্বশেষ স্থানীয় নির্বাচনে। দুর্বল নেতৃত্বের কারণে আলোচিত সাত খুনের পরও নারায়ণগঞ্জে জোরালো কোন আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেনি জেলা বিএনপি।

এছাড়া নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের উপনির্বাচনে লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী সেলিম ওসমানের পক্ষ নেয়ায় কতিপয় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে বইছে সমালোচনার ঝড়। ভেঙে পড়েছে চেইন অব কমান্ড। সাংগঠনিক দ্বন্দ্বের আগুনে পুড়ছে চট্টগ্রাম মহানগর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি। দীর্ঘদিনেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে পারেনি মহানগর বিএনপি। সর্বশেষ ছাত্রদল-যুবদলের কমিটি নিয়ে মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে তৈরি হয়েছে দূরত্ব। কিছুদিন ধরেই দলের কর্মসূচি পালনসহ সার্বিক কর্মকাণ্ডে নেই সমন্বয়। এ নিয়ে বিবদমান গ্রুপের মধ্যে লেগে আছে মারামারি, হাতাহাতি, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা। অন্যদিকে দক্ষিণ জেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি হলেও কোন্দলের কারণে সক্রিয় হতে পারেনি আন্দোলনে। উপজেলা কমিটি ও যুবদলের কমিটি গঠন নিয়ে নেতারা মেতেছেন পরস্পরবিরোধিতায়। দলীয় অঙ্গ সংগঠন হলেও ‘যুবদল’ পরিণত হয়েছে বিএনপির বিষফোঁড়ায়।

এরই মধ্যে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দীর্ঘদিন ধরেই অবস্থান করছেন কানাডায়। বগুড়া জেলা বিএনপিতে কর্মীর চেয়ে নেতার সংখ্যা বেশি। ভেঙে পড়েছে নেতৃত্বের চেইন অব কমান্ড। কমিটি ভাঙা-গড়ার খেলা ও ত্যাগীদের বাদ পড়ায় অসন্তোষ সর্বত্র। ভিপি’র পকেট কমিটি হিসেবে আখ্যায়িত বর্তমান বগুড়া বিএনপি। ফলে খালেদা জিয়ার নির্দেশনার পরও তিস্তা ব্যারেজ অভিমুখে বিএনপির লংমার্চে রাস্তায় নামেনি বগুড়া জেলা বিএনপি। সেদিন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের উপস্থিতিতে পথসভায় অংশ নিয়েছিল মাত্র শতাধিক লোক। খোদ জেলা সভাপতিই অংশ নেননি সে পথসভায়। ইলিয়াস আলী গুম হওয়ার পর পাল্টে গেছে সিলেট বিএনপি। শক্ত সাংগঠনিক অবস্থান এখন ক্ষয়িঞ্চু। কোন্দলে সময় কাটছে সিলেট বিএনপির। নেই কোন সাংগঠনিক তৎপরতা। ঝিমিয়ে পড়েছে জেলা ও মহানগর দুটি কমিটির কার্যক্রম। গতি ফিরিয়ে আনতে গত এপ্রিল মাসে ৪৫ দিন সময় বেঁধে দিয়ে কেন্দ্র থেকেই জেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন করলেও মেলেনি ফল। আড়াই মাসে কয়েকটি থানা ও পৌর কমিটি গঠনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে সিলেট বিএনপির কার্যক্রম।

অন্যদিকে তিন বছর আগে ২০১১ সালের ৫ই নভেম্বর মহানগর বিএনপির দ্বিবার্ষিক কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তবে সেটা বাতিল করে নতুন কমিটি দেয়া হয় গত বছর। কিন্তু ২২ সদস্যের এই কমিটি ঘোষণার তিনদিনের মাথায় পদত্যাগ করেন ১ম যুগ্ম সম্পাদক শামসুজ্জামান জামান। এক পর্যায়ে দুই গ্রুপ মহানগরীর ২৭টি ওয়ার্ডে পাল্টাপাল্টি কমিটি গঠন করে। পরে সেগুলো বাতিল করলেও নতুন কমিটি দিতে পারেনি মহানগর নেতৃত্ব। অন্যদিকে ইলিয়াস আলীর সন্ধানসহ সম্প্রতি নিহত দুই ছাত্রদল নেতার বিচারের দাবিতে গড়ে তুলতে পারেনি কার্যকর আন্দোলন। একই পরিস্থিতি মৌলভীবাজার জেলা বিএনপিতেও। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দুইটি গ্রুপের দূরত্ব কমাতে পারেনি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও। চাঁদপুরে বিএনপির কোন্দল এখন চরমে।

জেলা বিএনপির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কয়েকজন এমপি’র রয়েছে আলাদা গ্রুপ। দলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচিগুলো পালিত হয় দ্বিধাবিভক্তভাবে।  বাগেরহাট, গোপালগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ সহ অন্তত আরও ১০টি জেলা বিএনপিতে বিরাজ করছে এমন পরিস্থিতি।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close