অর্থনীতি

দেশের বর্তমান রিজার্ভ ২২ বিলিয়ন ডলার

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নতুন মাত্রা ছুঁয়েছে। বৃহস্পতিবার রিজার্ভ ২২ বিলিয়ন ডলার (২ হাজার ২০০ কোটি) ছাড়িয়ে যায়। এর আগে গত ১৬ জুন রিজার্ভ নতুন রেকর্ড ছুঁয়ে দাড়ায় ২১ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র এএফএম আসাদুজ্জামান গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, রফতানি আয় এবং প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স প্রবাহের ইতিবাচক ধারার কারণে রিজার্ভ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। বিদেশি ঋণ রিজার্ভ বৃদ্ধিতে গুরুত্ব বহন করে বলেও জানান তিনি। এ রিজার্ভ দিয়ে প্রায় সাত মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। একটি দেশের রিজার্ভ নিয়ে ন্যূনতম তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সক্ষমতা থাকতে হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, ১৬ জুন নতুন রেকর্ড গড়ে রিজার্ভ ২১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। এদিকে পবিত্র ইদুল ফিতরকে সামনে রেখে গত জুলাই মাসে স্বাধীনতার পর থেকে এ যাবতকালের সর্বোচ্চ পরিমাণ প্রবাসী আয় দেশে এসেছে। প্রবাসীরা প্রায় ১৪৮ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন যাতে তাদের পরিবার-পরিজন ভালো ভাবে ঈদ উদযাপন করতে পারেন।

গত ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ১৪ দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স এসেছে। যদিও এ হার আগের অর্থবছরের তুলনায় কিছুটা কম। তবে পঞ্জিকা বছর হিসেবে গত সাত মাসে প্রবাসী আগের সময়ের তুলনায় বেড়েছে। এদিকে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের রফতানি আয় ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে ৩০ দশমিক ১৮ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। গত ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছিল।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ সংক্রান্ত তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০০৯ সালের ১০ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ১০ বিলিয়ন ডলার। ২০১৩ সালের ১০ এপ্রিল সেই রিজার্ভ বেড়ে ১৪ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে। চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি রিজার্ভ ১৯ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

আরও দেখুন...

Close
ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close