সিলেট থেকে

জাতীয় জ্বালানী নিরাপত্তা দিবস সিলেটে উদযাপিত

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ বিভাগের উদ্যোগে পেট্রোবাংলা, সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড ও জালালাবাদ গ্যাস টি অ্যান্ড ডি সিস্টেম লিঃ এর যৌথ আয়োজনে শনিবার সিলেটে উদযাপিত হয়েছে জাতীয় জ্বালানী নিরাপত্তা দিবস-২০১৪। এ বছর জাতীয় জ্বালানী নিরাপত্তা দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো- জ্বালানী নিরাপত্তা আমাদের অংগীকার।

এ দিনটি প্রতিপালনের অংশ হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাসের গুরুত্ব অনুধাবনপূর্বক এর সাশ্রয়ী ব্যবহারে গণসচেতনতা বৃদ্ধিকল্পে সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড ও জালালাবাদ গ্যাস টি অ্যান্ড ডি সিস্টেম লিঃ এর যৌথ আয়োজনে এবং সিলেট জেলা প্রশাসকের সহযোগিতায় সিলেট নগরীতে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টায় সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে এ র‌্যালী শুরু হয়।

সিলেট  জেলা প্রশাসন এবং কোম্পানী দু‘টির সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ গ্যাসের সাশ্রয়ী ব্যবহার সম্পর্কে বিভিন্ন ধরণের শ্লোগান সম্বলিত রং-রেরংয়ের ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড নিয়ে র‌্যালীতে অংশগ্রহণ করেন। জাতীয় জ্বালানী নিরাপত্তা দিবস-২০১৪ উপলক্ষে আয়োজিত র‌্যালীটি কোর্ট পয়েন্ট, জিন্দাবাজার, চৌহাট্টা হয়ে রিকাবীবাজার গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। র‌্যালী শেষে এক সমাবেশ অনুষ্টিত হয়।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সিলেট জেলা প্রশাসন এর এডিএম শেখ মতিয়ার রহমান, সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড এর মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) অতুল চন্দ্র রায় ও জালালাবাদ গ্যাস টি অ্যান্ড ডি সিস্টেম লিঃ এর মহাব্যবস্থাপক (পরিকল্পনা) প্রকৌশলী মোঃ মাহবুব আলম প্রমুখ।

এ গ্যাস ক্ষেত্রগুলো দেশের অর্থনৈতিক বিকাশে ও জ্বালানী নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিশাল অবদান রেখে চলেছে। বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, দেশের জ্বালানী খাতের অগ্রযাত্রার শুভসূচনার এ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্যই ২০১০ সালে মহাজোট সরকার কর্তৃক ৯ আগস্টকে জাতীয় জ্বালানী নিরাপত্তা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে ২০১০ সাল হতে ৯ আগস্ট তারিখটি জাতীয় জ্বালানী নিরাপত্তা দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়ে আসছে।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ৯ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তদানীন্তন শেল অয়েল কোম্পানীর মালিকানাধীন এদেশের ৫টি গ্যাস ক্ষেত্র যথাঃ তিতাস, হবিগঞ্জ, কৈলাশটিলা, রশিদপুর ও বাখরাবাদ গ্যাস ক্ষেত্র নামমাত্র মূল্যে (৪.৫০ মিলিয়ন পাউন্ড স্টার্লিং) ক্রয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় ন্যস্ত করেন। বাংলাদেশের জ্বালানী নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এ চুক্তি একটি মাইল ফলক। এ ৫টি গ্যাস ক্ষেত্রের ক্রয়মূল্য ৪.৫০ মিলিয়ন পাউন্ড স্টার্লিং হিসেবে সে সময় পরিশোধিত অর্থের পরিমাণ ১৭.৮৬ কোটি টাকা।

তারা বলেন, জাতির জনক দেশের সম্পদ পুরোপুরিভাবে দেশের গণমানুষের স্বার্থে ব্যবহারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করেন। স্বাধীনতা উত্তর জ্বালানী খাতে বঙ্গবন্ধুর এ দূরদর্শী ও যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের কারণে জাতীয় অর্থনীতিতে এক বিরাট ইতিবাচক ও সুদুর প্রসারী প্রভাব পড়েছে। বক্তারা বলেন, আমাদের সকলকে গ্যাস ব্যবহারে মিতব্যয়ী ও সাশ্রয়ী হতে হবে। গ্যাস অফুরন্ত কোন সম্পদ নয়। এর সুষ্ঠু ও সাশ্রয়ী ব্যবহারে সংশ্লিষ্ট সকলকে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

 

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close