হলিউড

হ্যাকারদের কবলে অভিনেত্রীদের নগ্ন ছবি

অস্কারজয়ী অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স সহ বহু নারী তারকার নগ্ন ছবি ফাঁস করেছে হ্যাকাররা। বিষয়টি বেশ আলোড়ন তুলেছে বিশ্ব মিডিয়ায়। একে দেখা হচ্ছে তারকাদের ব্যক্তিগত ছবি ফাঁসের অন্যতম বড় ঘটনা হিসেবে। এ ছবিগুলোর বেশির ভাগই বিবস্ত্র ও শারীরিক সমপর্ক স্থাপনের সময়কালের। অভিযোগ উঠেছে এই ছবিগুলো হাতিয়ে নেয়া হয়েছে অ্যাপলের ‘ক্লাউড’ নির্ভর তথ্য সংরক্ষণ করার সেবা ‘আইক্লাউড’ থেকে।

ফোরচ্যান ও রেডিট ওয়েবসাইটে যারা পোস্ট করেছেন, তারা বলেছেন, হ্যাকাররা আইক্লাউড হ্যাক করার পরই এই ছবিগুলো প্রকাশ পেয়ে যায়। একই সঙ্গে তারা বলছেন, আরও শতাধিক তারকার ছবি প্রকাশ করা হবে। এদিকে এখন পর্যন্ত যে সব তারকার ছবি প্রকাশ পেয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন ‘হাঙ্গার গেমস’ তারকা জেনিফার লরেন্স। সেখানে তাকে বিবসনা অবস্থায় দেখা যায়। তার এক মুখপাত্র এই ঘটনাকে ‘ব্যক্তিগত গোপনীয়তার মারাত্মক লঙ্ঘন’ হিসেবে উল্লেখ করে একটি বিবৃতি দিয়েছেন। এই চুরি হওয়া ছবিগুলো যারা পোস্ট করেছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে সেই বিবৃতিতে।

অন্যদের মধ্যে অভিনেত্রী মেরি এলিজাবেথ উইনস্টিড রয়েছেন। তিনি এক টুইট বার্তায় বলেছেন, ছবিগুলো তিনি নিজের বাড়িতে স্বামীর সঙ্গে তুলেছিলেন। তিনি হ্যাকারদের উদ্দেশে বলেন, আশা করছি, তোমরা নিজেদের নিয়ে এখন গর্ব অনুভব করছো। তবে এই তালিকায় থাকা অভিনেত্রী ও গায়িকা ভিক্টোরিয়া জাস্টিস তার ছবিগুলো নিজের নয় বলে দাবি করছেন। এছাড়া, গায়িকা আরিয়ানা গ্রান্ডে বলেছেন, তার ছবিগুলোও ভুয়া। এছাড়া, ছবি ফাঁস হওয়া তারকাদের মধ্যে অন্যতম বড় তারকা কেট আপটন স্বীকার করেছেন যে, ছবিগুলো তার।

একজন প্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষজ্ঞ জানান, ক্লাউড স্টোরেজ সবার জন্যই ভেদযোগ্য। তারকাদের জন্য তো আরও বিপজ্জনক। কেননা, হ্যাকাররা এসবই খুঁজে ফেরে। তবে ধারণা করা হচ্ছে এর পেছনে একজন নয়, একাধিক হ্যাকার জড়িত। এই হ্যাকার গ্রুপ হয়তো বড় কিছু করতে চেয়েছিল। এদিকে এই ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে এফবিআই। এফবিআই’র তদন্তকারীরা বলছেন, এই ছবিগুলো ফাঁস করার পেছনে জড়িত মূল ব্যক্তিকে চিহ্নিত করার কাছাকাছি রয়েছেন তারা। বিষয়টি নিয়ে একটি বিবৃতিও দিয়েছেন তারা।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close