জাতীয়

মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাচ্ছেন ৭১-এ বীরাঙ্গনারা

৭১-এ বীরাঙ্গনাদের মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: ১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের সহযোগী কর্তৃক নির্যাতিত নারী (বীরাঙ্গনা) আবেদন করলে তা বিবেচনায় নিয়ে তাদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অন্তর্ভুক্তি করা হবে। সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) কার্যালয়ে এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ যাদের বয়স কমপক্ষে ১৫ বছর, তারা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটে নাম অন্তর্ভুক্তির সুযোগ পাবেন। সরকার নতুন করে ‘মুক্তিযোদ্ধা’র সংজ্ঞা নির্ধারণ করেছে। জামুকার ২৫তম সভায় সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

আ ক ম মোজাম্মেল হক জানান, নতুন সংজ্ঞায় লাল মুক্তিবার্তা, ভারতীয় তালিকা ও প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষরিত সনদে নাম থাকতে হবে। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের অভিপ্রায়ে যারা প্রশিক্ষণের জন্য সীমানা অতিক্রম করে ভারতে গেছেন, তারাও আবেদনের সুযোগ পাবেন। বিভিন্ন পেশাজীবী যারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্বজনমত গঠনে ভূমিকা রেখেছেন, মুজিবনগর সরকারের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, ইপিআর, আনসার, যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন, তারাও নতুন সংজ্ঞার আওতায় আসবেন।

স্বাধীন বাংলা বেতারের কলা-কুশলী-শিল্পী; স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের খেলোয়াড়বৃন্দ; আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা প্রদানকারী মেডিকেল টিমের চিকিৎসক-নার্স-সহকারী; বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের অধীনে স্থাপিত অফিসসমূহে দাফতরিক কাজে নিয়জিত ব্যক্তিবর্গ; এমএনএ এবং এমপিএ এ সংজ্ঞার মধ্যে পড়ছেন। লাল মুক্তিবার্তায় নাম থাকা সত্ত্বেও কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আসলে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান মন্ত্রী।

নতুন সংজ্ঞা অনুযায়ী গেজেটে নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে জামুকার ওয়েবসাইটে আবেদন করতে হবে। সভায় নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, সাবেক মন্ত্রী মোতাহার হোসেন, সাবেক প্রধান হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ, মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের কমান্ডর মেজর জেনারেল (অব.) হেলাল মোর্শেদ খানসহ জামুকার সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close