Americaযুক্তরাষ্ট্র জুড়ে

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন শুরু: রিপাবলিকানরা এগিয়ে

bdnews24 news image

আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার পূর্বাভাস নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। সিনেটের নিয়ন্ত্রণ কারা পাচ্ছে তা নির্ধারিত হওয়ার পাশাপাশি ২০১৬ সালে হোয়াইট হাউসের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতার পথও প্রশস্ত হবে এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে।পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল ৬ টা (১১:০০ জিএমটি) থেকে ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, নির্বাচনে রিপাবলিকানরাই এগিয়ে থাকবে এবং সিনেটে তারাই সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করবে। কংগ্রেসের নিম্মকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে আগে থেকেই রিপাবলিকানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। উচ্চকক্ষ সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে তাদের আর মাত্র ছয়টি আসন প্রয়োজন।

সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে ডেমক্রাটরাও তৎপরতা চালিছে যাচ্ছে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার জনপ্রিয়তায় ধস তাদের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। সিনেটের নিয়ন্ত্রণ কারা পাচ্ছে তা নির্ধারিত হওয়ার পাশাপাশি ২০১৬ সালে হোয়াইট হাউসের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতার পথও প্রশস্ত হবে এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে।

পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল ৬ টা (১১:০০ জিএমটি) থেকে ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, নির্বাচনে রিপাবলিকানরাই এগিয়ে থাকবে এবং সিনেটে তারাই সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করবে। কংগ্রেসের নিম্মকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে আগে থেকেই রিপাবলিকানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। উচ্চকক্ষ সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে তাদের আর মাত্র ছয়টি আসন প্রয়োজন।

সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে ডেমক্রাটরাও তৎপরতা চালিছে যাচ্ছে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার জনপ্রিয়তায় ধস তাদের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির উন্নতি হওয়ার পরও প্রেসিডেন্ট ওবামার জনসমর্থন এখন সর্বনিম্ন পর্যায়ে।

তবে ডেমোক্রাটরা মনে করেন, তাদের যোগ্যতা প্রমাণিত।এটিই নির্বাচনের আগে তাদের সমর্থকদের উজ্জিবীত করবে এবং নির্বাচনে তাদের এগিয়ে নিয়ে যাবে। রোববার একটি প্রচারাভিযানে ওবামা তার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন, চেনা পরিচিত সবাইকে পাকড়াও করুন এবং ভোট দিতে নিয়ে চলুন। ঘরে বসে থাকবেন না। আপনার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করার ক্ষমতা অন্য কারো হতে ছেড়ে দেবেন না।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাঝামাঝি সময়ে এ নির্বাচন হয় বলে একে মধ্যবর্তী নির্বাচন বলা হয়। মধ্যবর্তী নির্বাচনে সাধারণত ভোটার উপস্থিতি কম থাকে এবং যে দল ক্ষমতায় থাকে না সাধারণত সে দলের প্রার্থীদের জয়ই বেশি হয়। এ বছর সিনেটের ১০০ আসনের এক তৃতীয়াংশের কিছু বেশি, প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসনের সবগুলো, ৫০টি রাজ্যের মধ্যে ৩৬টির গভর্নর এবং অগণিত রাজ্য ও স্থানীয় কর্মকর্তা নির্বাচনের জন্য ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ইতিমধ্যেই প্রচার-প্রচারণা, বাক-বিতর্কে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে পুরো আমেরিকায়। মধ্যবর্তী নির্বাচন যেন প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তা নিয়ে গণভোট। আমেরিকার ইতিহাসে ৩৮টি মধ্যবর্তী নির্বাচন হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫টিতেই হেরেছে প্রেসিডেন্টের দল। এবারের নির্বাচন ঘিরে উত্তাপ-উত্তেজনা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন রাজ্যে সিনেটর-গভর্নরদের বাকযুদ্ধে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন জরিপে তা উঠে আসছে।

গত মাসেও হারপার ম্যাগাজিনের জরিপে পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে বলা হয়। তাতে বলা হয় ওয়াশিংটন জ্বলছে। এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে বিশ্লেষকরা যে মতামত ব্যক্ত করেছেন তাতে প্রেসিডেন্টের দলের পরাজয় এবারও প্রায় নিশ্চিত বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত।

মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের পুরো ৪৩৫ আসনে, সিনেটের ৩৫ আসনে ও গভর্নরের জন্য ৩৬টি স্টেটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। ইতিমধ্যেই ১০৯ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এ সব আসনের মধ্যে যেখানে ডেমক্র্যাটদের দখলে এবং যে সব আসন রিপাবলিকানদের দখলে এবং নিশ্চিত জয় সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নেই।

প্রেসিডেন্ট ওবামার প্রথম মধ্যবর্তী নির্বাচনে ২০১০ সালে প্রতিনিধি পরিষধ তার হাতছাড়া হয়। যদিও সিনেটে মেজরিটি ডেমক্রেটদের হাতে থেকে যায়। এবার আশঙ্কা করা হচ্ছে সিনেট ডেমক্রেটদের হাতছাড়া হয়ে যাবে। আলাস্কা, আরকানসাস, কলরাডো, আইওয়া, লুইজিয়ানা, মন্টানা, সাউথ ডেকোটা ও ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় বর্তমান ডেমক্রেট সিনেটরদের জায়গায় রিপাবলিকানরা দখলে নেবার সম্ভাবনা প্রচুর।

এরমধ্যে আলাস্কা, কলরাডে, আইওয়াতে সিনেট নির্বাচনে রিপাবলিকানরা খুব কম মার্জিনে এগিয়ে আছে। অন্যান্য স্থানে তাদের অবস্থান ক্রমাগত দৃঢ় হচ্ছে। বর্তমান সিনেটে ডেমোক্রেটরা ৫৩টি আসন দখল করে আছে। রিপাবলিকানদের হয়েছে ৪৫, আর স্বতন্ত্র ২।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close