অন্য পত্রিকা থেকে

ভোটের প্রচারে দারুণ ব্যস্ত টিউলিপ

সৈয়দ নাহাস পাশা: সাদা, কালো, এশিয়ান- সবার কাছে ছুটছেন টিউলিপ সিদ্দিক; নিজের জন্য, লেবার পার্টির জন্য ভোট চাইছেন হাসিমুখে। আর লন্ডনের হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড কিলবার্ন আসনের এই তরুণ প্রার্থীর প্রচারে গভীর মনোযোগের সঙ্গে চোখ রাখছে যুক্তরাজ্যের মূলধারার গণমাধ্যম।

বলা হচ্ছে, আগামী ৭ মে যুক্তরাজ্যের জাতীয় নির্বাচনে হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড কিলবার্ন আসনেই সবচেয়ে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। লেবার পার্টি, লিবারেল ডেমোক্র্যাট ও কনজারভেটিভ পার্টির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনায় এ আসন এখন আলোচনার কেন্দ্রে।

২০১০ সালের নির্বাচনে মাত্র ৪২ ভোট এ আসন থেকে লেবার পার্টির এমপি হয়েছিলেন ব্রিটিশ অভিনেত্রী গ্লেন্ডা জ্যাকসন। তিনি অবসরে যাওয়ায় লেবার পার্টির এ আসন ধরে রাখার দায়িত্ব পেয়েছেন ৩২ বছর বয়সী টিউলিপ, যার খালা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, নানা শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার রূপকার।

যুক্তরাজ্যের ইনডিপেনডেন্ট, গার্ডিয়ান, ইভনিং স্ট্যান্ডার্ড, ডেইলি মেইল, সানডে টাইমসসহ প্রভাবশালী দৈনিকগুলো ছবি ও কার্টুনসহ টিউলিপের সম্ভাবনা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। জনমত জরিপগুলোতেও প্রতিদ্বন্দ্বিদের তুলনায় সামান্য এগিয়ে আছেন এই লেবার প্রার্থী।

সানডে টাইমসের এক প্রতিবেদনে টিউপিলকে উল্লেখ করা হয়েছে লেবার ‘পার্টির উদীয়মান তারকাদের একজন’ হিসাবে। টিউলিপের ভোটের প্রচারে ব্রিটেনের ‘সেলিব্রেটিদেরও’ দেখা যাচ্ছে।

শনিবার ছুটির দিনে কিলবার্ন হাই রোড এলাকার ব্যস্ত ফুটপাতে টিউলিপ সিদ্দিককে দেখা গেল লিফলেট হাতে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলছেন, তুলে ধরছেন লেবার পার্টির প্রতিশ্রুতিগুলো। তরুণ এই প্রার্থীকে দেখে অনেকে আবার নিজে থেকেই এগিয়ে আসছেন, কথা বলছেন।

এরই ফাঁকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেওয়া সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকারে বঙ্গবন্ধুর নাতনি বললেন, নির্বাচনে তিনি এবং তার দল সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও আবাসনে। বলা হচ্ছে, আগামী ৭ মে যুক্তরাজ্যের জাতীয় নির্বাচনে হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড কিলবার্ন আসনেই সবচেয়ে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। লেবার পার্টি, লিবারেল ডেমোক্র্যাট ও কনজারভেটিভ পার্টির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনায় এ আসন এখন আলোচনার কেন্দ্রে।

২০১০ সালের নির্বাচনে মাত্র ৪২ ভোট এ আসন থেকে লেবার পার্টির এমপি হয়েছিলেন ব্রিটিশ অভিনেত্রী গ্লেন্ডা জ্যাকসন। তিনি অবসরে যাওয়ায় লেবার পার্টির এ আসন ধরে রাখার দায়িত্ব পেয়েছেন ৩২ বছর বয়সী টিউলিপ, যার খালা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, নানা শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার রূপকার।

যুক্তরাজ্যের ইনডিপেনডেন্ট, গার্ডিয়ান, ইভনিং স্ট্যান্ডার্ড, ডেইলি মেইল, সানডে টাইমসসহ প্রভাবশালী দৈনিকগুলো ছবি ও কার্টুনসহ টিউলিপের সম্ভাবনা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। জনমত জরিপগুলোতেও প্রতিদ্বন্দ্বিদের তুলনায় সামান্য এগিয়ে আছেন এই লেবার প্রার্থী।

সানডে টাইমসের এক প্রতিবেদনে টিউপিলকে উল্লেখ করা হয়েছে লেবার ‘পার্টির উদীয়মান তারকাদের একজন’ হিসাবে। টিউলিপের ভোটের প্রচারে ব্রিটেনের ‘সেলিব্রেটিদেরও’ দেখা যাচ্ছে। শনিবার ছুটির দিনে কিলবার্ন হাই রোড এলাকার ব্যস্ত ফুটপাতে টিউলিপ সিদ্দিককে দেখা গেল লিফলেট হাতে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলছেন, তুলে ধরছেন লেবার পার্টির প্রতিশ্রুতিগুলো। তরুণ এই প্রার্থীকে দেখে অনেকে আবার নিজে থেকেই এগিয়ে আসছেন, কথা বলছেন।

এরই ফাঁকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেওয়া সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকারে বঙ্গবন্ধুর নাতনি বললেন, নির্বাচনে তিনি এবং তার দল সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও আবাসনে।

“আমারা চাই, আমাদের ইকোনমি যাতে আমাদের মানুষের জন্য কাজ করে, কেবল ওপরতলার মানুষের জন্য নয়।”

হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড কিলবার্ন আসনের তুলনামূলকভাবে দরিদ্র এলাকাগুলোতে সাধারণ মানুষের আবাসন সমস্যার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “মানুষের ঘরে খুব অসুবিধা হচ্ছে। খুব ওভারক্রাউডিং এখানে। তিন-চার বাচ্চা, কিন্তু এক বেডরুমের ফ্ল্যাটে থাকে। মানুষ আমার অফিসে এসে জানতে চায় হাউজিং নিয়ে আমরা কি করব।”

এক্ষেত্রে ভোটারদের সামনে লেবার পার্টির নেতা এড মিলিব্যান্ডের ২০ হাজার নতুন বাসা নির্মাণের প্রতিশ্রুতিই তুলে ধরছেন টিউলিপ। বলছেন, তার দল ক্ষমতায় গেলে স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় বাড়াতে নতুন তহবিলের ব্যবস্থা করবে।

“আরেকটা প্রায়োরিটি হলো মিনিমাম ওয়েজ। আমাদের মিনিমাম ওয়েজ খুব কম। মানুষ কুলাতে পারছে না। পরিবারকে খাওয়াতে পারছে না। এড মিলিব্যান্ড বলেছেন, লন্ডন লিভিং ওয়েজ নিয়ে আসবেন। প্রতি ঘণ্টায় আট পাউন্ড ৮০ পেন্স আপনারা পাবেন।”

আগামী ৭ মে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের জন্য সবাইকে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানান টিউলিপ।

“আমরা চাই লেবার সরকার আসুক, এড মিলিব্যান্ড আমাদের প্রধানমন্ত্রী হোক এবং আমি চাই এই এলাকার মানুষের কথা পার্লামেন্টে তুলে ধরতে।”

এবারের ব্রিটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে বিভিন্ন আসন থেকে মোট ১২ জন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিভিন্ন দলের মনোনয়ন পেলেও আলোচনায় এগিয়ে আছেন বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড বো আসনের বর্তমান এমপি রুশনারা আলী এবং ইলিং সেন্ট্রাল আসনে লেবার প্রার্থী রূপা হক।

তবে পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যের কারণে টিউলিপকে নিয়ে স্থানীয় বাঙালি কমিউনিটির আগ্রহ ও প্রত্যাশা অনেক বেশি।

হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড কিলবার্ন এলাকার বাসিন্দা তাজ উদ্দিন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “টিউলিপ সিদ্দিক স্থানীয় সমস্যাগুলো বোঝেন। লেবার পার্টির ঊর্ধ্বতন মহলেও তার গ্রহণযোগ্যতা আছে। তিনি নির্বাচিত হলে তা হবে আমাদের জন্য গৌরবের।”

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close