গ্যালারী থেকে

টাইগারদের সিরিজ জয়

গ্যালারী থেকে ডেস্ক: তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করেছে টাইগাররা। পাকিস্তানের দেয়া ২৪০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৩৮.১ ওভার শেষে তিন উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।

রবিবার দুপুরে দিবারাত্রীর এ ম্যাচে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে পাকিস্তান দলের অধিনায়ক আজহার আলী টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। একটি জয়ের জন্য অপেক্ষা ছিলো ১৬ বছরের। আরেকটি জয়ের মাঝপথে কাটলো মাত্র একটি দিন। আর নতুন সূর্য ওঠার দিনে মিরপুরে ফ্লাড লাইটের আলোয় ইতিহাস রচনা করলো টাইগাররা। আগের অপেক্ষাটি ছিলো পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ের। আর নতুন ইতিহাসটা পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে জয় তুলে নিলো টাইগাররা।

ওয়ানডে সিরিজ জিতে নেয়ার উল্লাসে মাতলো গোটা দেশ। তামিম ইকবালের টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পথ দেখিয়েছে বাংলাদেশকে। সাথে মুশফিকুর রহিমের বুদ্ধিদিপ্ত ব্যাটিং বাংলাদেশকে নিয়ে গেলো নতুন উচ্চতায়। কিভাবেই না জিতলো বাংলাদেশ! ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ২৩৯ রানে পাকিস্তানকে আটকে দিয়েছিলো বোলাররা। ৩৮.১ ওভারে জয় তুলে নিয়ে বাংলাদেশ জানিয়ে দিলো তাদের শ্রেষ্ঠত্বের কথা। টাইগাররা ৩ উইকেটে ২৪০ রান করার পর মিরপুর হয়ে গেল উৎসবের জায়গা। আর ঢাকা হয়ে গেলো উৎসবের নগরী। গোটা দেশেই ছড়িয়ে পড়েছেন সেই উৎসবের রং। এই প্রথম যে পাকিস্তানকে সিরিজ হারালো বাংলাদেশ! র্যাঙ্কিংয়ে পাকিস্তানের অবস্থান ৭ এ।

বাংলাদেশ ৯ নম্বরে। কিন্তু এই ম্যাচে বাংলাদেশ এক নম্বরের মতো করেই খেললো। আসলে সিরিজের দুই ম্যাচেই বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠত্ব ফুটে উঠেছে বলে বলে। পাকিস্তান টার্গেট দিয়েছিলো ২৪০ রানের। আজকালকার ওয়ানডের হিসেবে মামুলী টার্গেটের মতো।

কিন্তু সিরিজ জয়ের টার্গেট যখন সামনে তখন তো এই টার্গেট মামুলী নয় কোনো। কিন্তু সৌম্য সরকার শুরুতেই যেভাবে হামলে পড়েন তাতে বোঝা যায় টাইগাররা অনেক অপেক্ষা করবে না। সৌম্য ১৭ রান করে বিদায় নিলেও ছন্দ কাটে না। আগের ম্যাচে ১৩২ রান করেছিলেন তামিম। যেখানে শেষ করেছিলেন সেখান থেকেই যেন তার শুরুটা হয়েছে এই ম্যাচে। প্রথম ওয়ানডেতে ধীর গতিতে সেট হয়ে দ্রুতগতির হয়েছিলেন তামিম।

এবার মারতে মারতে উইকেটে নিজেকে সেট করে ফেলতে থাকলেন তামিম। তাতে রাহাত আলী, সাঈদ আজমল, ওয়াহাব রিয়াজদের ওপর দিয়ে ঝড়ই বয়ে গেলো। প্রত্যেকের একেক ওভারে তিনটি করে বাউন্ডারি মেরে তামিম তার সামথ্যের্র আরেকটি প্রমাণ রেখেছেন। ৩১ বলে ফিফটি করেছেন তামিম। তাতে তার ১২টি বাউন্ডারি। তামিম এদিন ছিলেন কোমল কঠোরে মেলানো।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close