ফিচার

ব্লগার অনন্ত হত্যা ও প্রশাসনের দায়

জানিনা, আমাদেরকে এভাবে আর কত খুনের কথা শুনতে হবে! একের পর এক মুক্তমনা লেখক ও ব্লগার হত্যার খবর আসছে, আর আমরা সবাই কয়েকদিন প্রতিবাদমুখর হয়ে এবং লেখালেখি করে থেমে যাচ্ছি, আর ক’দিন পর ফের সেই একই খবর আসছে।

প্রশাসনও একের পর এক ব্লগার হত্যাকারী গ্রেফতারের নাটক মঞ্চস্থ করে চলেছে। আর তাতে সরকারের মন্ত্রী-এমপিরাও বেশ আত্মতৃপ্তি অনুভব করছেন। আসলে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। আল্লাহ মালুম, এতে আমাদের সমাজ ও সভ্যতা কোথায় গিয়ে ঠেকবে?

মঙ্গলবার সকালে ঘুম থেকে উঠে টিভির পর্দায় চোখ রাখতে না রাখতেই কানে ভেসে আসলো অনন্ত বিজয় দাশ নামের এক ব্লগার হত্যার খবর। সকাল সাড়ে নয়টার দিকে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে সিলেট নগরের সুবিদবাজার এলাকায় প্রকাশ্যে দিবালোকে এই ব্লগারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। তাকে এতোটা নির্মমভাবে কুপানো হয় যে, তাঁর মাথা থেকে মগজ বের হয়ে রাস্তা রক্তে রঞ্জিত হয়, ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।

তাঁর অপরাধ- মুক্তমনার লেখক ও ব্লগার ছিলেন। বিভিন্ন সময় তিনি বস্তুবাদ ও যুক্তিবাদ নিয়ে ব্লগে লিখতেন। পার্থিব, ডারউইন: একুশ শতকে প্রাসঙ্গিকতা, ভাবনা (সম্পাদিত), সোভিয়েত ইউনিয়নে বিজ্ঞান ও বিপ্লব ও জীববিবর্তন সাধারণ পাঠসহ বেশ কয়েকটি বই লিখেছেন। এছাড়া গত ফেব্রুয়ারিতে টিএসসি চত্বরে দুর্বৃত্তদের হামলায় ওপারে চলে যাওয়া বিজ্ঞান মনস্ক লেখক অভিজিতের একটি বইয়ের ভূমিকা লিখেছিলেন। ‘যুক্তি’ নামের একটি পত্রিকা সম্পাদনাও করতেন তিনি।

ইতোপূর্বে ব্লগে লেখালেখি করার কারণে অনন্তকে একাধিকবার হত্যার হুমকি দেয়া হয় বলে দাবি তার সহযোগীদের। গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম সংগঠকও ছিলেন তিনি। এই হত্যাকাণ্ডের কয়েক ঘন্টার ব্যবধানেই এর দায় স্বীকার করেছে জঙ্গি সংগঠন আল কায়েদা ভারতীয় শাখা। যা মেরিল্যান্ড ভিত্তিক মার্কিন তদন্তকারী সংস্থা সাইট (সার্চ ফর ইন্টারন্যাশনাল টেররিস্ট এনটিটিজ) ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এরআগে মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ রায়ের হত্যার দায় নিতে দুই মাসেরও বেশি সময় নিলেও এবার কিন্তু মোটেও দেরি করেনি এ সংগঠনটি। সংবাদপত্রের প্রতিবেদনের তথ্য মতে, মঙ্গলবার অনন্ত হত্যার পর আনসার আল-ইসলাম নামে একটি টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে প্রথমে একটি টুইট করা হয়, যাতে একিউআইএস অনন্ত

হত্যার দায় স্বীকার করেছে বলে দাবি করা হয়। প্রায় একই সময়ে আরেকটি টুইটে একই লেখার সঙ্গে একটি লিংক জুড়ে দেয়া হয় আনসার বাংলা ৮ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে। ওই লিংকে ক্লিক করলে যে পেইজটি আসছে তাতে লেখা রয়েছে- ‘আলহামদুলিল্লাহ ! আমরা আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে আল-কায়েদা উপমহাদেশ (AQIS) এর ভাইরা আরও এক ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিক ব্লগারকে জাহান্নামে পাঠিয়েছেন! সে নাস্তিকদের আখড়া মুক্তমনার এডমিন এবং নিয়মিত বিভিন্ন নামে আল্লাহ ও তার রাসুল (সাঃ) এবং ইসলাম নিয়ে ব্যাঙ্গ-বিদ্রূপ করত।’ (তথ্যসূত্র: বাংলামেইল২৪ডটকম, ১২, ২০১৫)

এরআগে অভিজিত হত্যার পরও আনসার বাংলা ৭ নামে এক জঙ্গি সংগঠন তাদের টুইটে একই ভঙ্গিমায় কথা বলেছিল। অভিজিৎ হত্যার তদন্তে বাংলাদেশ পুলিশের পাশাপাশি মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইও এগিয়ে আসলেও এ পর্যন্ত কার্যত কোনো অগ্রগতি নেই।

এইতো ক’দিন হলো ওয়াশিকুর রহমান বাবু নামে আরেক অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টকেও একই কায়দায় হত্যা করা হয়। সাহসী দুই হিজরার সাহসিকতায় ওয়াসিকুরের দুই খুনি হাতেনাতে গ্রেফতার হবার পর পুলিশ দাবি করেছিল- এই সূত্র ধরেই অন্য ব্লগার হত্যাকাণ্ডগুলোর রহস্য উন্মোচন করতে পারবে তারা। কিন্তু আড়াই মাস পর আজ আমরা কী দেখতে পেলাম! ফলে সহজেই আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন জাগে-

জনগণের ট্যাক্সের বিশাল অর্থে পরিচালিত রাষ্ট্রের এই সংস্থাগুলো আসলেই কি অপরাধী চিহ্নিত করতে সক্ষম, না তাদের দুর্বলতার কারণেই এসব হত্যাকাণ্ড ঘটছে! বিশিষ্ট সাংবাদিক মিজানুর রহমান খানের মতে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অধিকতর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের ফলে সংস্থাগুলো তাদের পেশাদারিত্বের সক্রিয়তা হারাচ্ছে।

ফলে এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে তাদের যে ধরনের গবেষণা সেল ও সক্ষমতা থাকা দরকার তা নেই। ফলে ঘটনা ঘটেই চলেছে।

প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে আমাদের দক্ষ স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী ও পুলিশের কর্তাব্যক্তিরা জোর দিয়েই দাবি করেন- বাংলাদেশে কায়দার কোনো অস্তিত্ব নেই। তাদের এই দাবি যদি সত্য হয়ে থাকে তবে আজকে আল কায়েদা নামে যে জঙ্গি সংগঠনটি অনন্ত হত্যার দায় স্বীকার করেছে তা কী ভুয়া বলে ধরে নেব, না অন্য কিছু ভাববো, তা কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না। আসলেই বাংলাদেশে এই সংগঠনটির তৎপরতা আছে কি, নেই। এটা স্পষ্ট করার দায়িত্বও সরকার ও প্রশাসনের।

ফলে নিগঢ়ে গিয়ে তা খতিয়ে দেখা উচিত, অন্যথা বাংলাভাই তথা জেএমবির চেয়েও ভয়াবহ দশা হতে পারে। কেননা, বিগত বিএনপি জোট সরকার প্রথম দিকে বাংলাভাই-জেএমবিকে মিডিয়ার সৃষ্টি দাবি করলেও পরবতীর্তে তা রাষ্ট্র ও সরকারের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।

স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের ভাষ্য অনুসারে ধরেই নিলাম আল কায়েদা নামে কোনো জঙ্গি সংগঠনের অস্তিত্ব আমাদের দেশে নেই, ফলে অনন্ত বিজয় দাশ হত্যার দায় স্বীকার করে তাদের এই বিবৃতি ভুয়া কিংবা ভিত্তিহীন।

তবে এই হত্যা কে বা কারা ঘটিয়েছে এটা বের করার দায়িত্ব কার? মনে প্রশ্ন জাগে, প্রকাশ্যে দিবালোকে মানুষ খুন হয়, এসময় আমাদের এতো দক্ষ পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা কোথায় থাকেন? আর এতো ক্ষমতাধর সরকারের রাষ্ট্রযন্ত্র কী করে!

মুক্ত চিন্তার লেখক হত্যার ঘটনা এটাই নতুন নয়, এর আগেও মুক্তচিন্তার বিশিষ্ট লেখক হুমায়ুন আজাদ, মুক্তমনা শফিউল ইসলাম লিলন, ব্লগার আশরাফুল ইসলাম, আরিফ রায়হান দ্বীপ, জাফর মুন্সি, মামুন হোসেন, জগৎ জ্যোতি তালুকদার, ব্লগার জিয়াউদ্দিন জাকারিয়া বাবু, ব্লগার রাজিব, বিজ্ঞানমনস্ক লেখক অভিজিৎ রায় ও ওয়াসিকুরসহ আরো অনেককে এভাবেই জীবন দিতে হয়েছে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীদের হাতে। প্রতিটি ঘটনার পরপরই ঢালাওভাবে সাম্প্রদায়িক শক্তিকে দায়ি করা হয়েছে।

এর ফলে আমরা কী দেখলাম- কোনো হত্যাকাণ্ডেরই সুষ্ঠু বিচার হয়নি। অপরাধীরা থেকে গেছে ধরা ছুঁয়ার বাইরে। এবারও পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে অনন্ত হত্যাকাণ্ডের বিচারের দশা একই হবে। বরাবরের মতোই অনন্ত হত্যার প্রতিবাদে প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠেছে মুক্তমনার সমর্থক গণজাগরণ মঞ্চ ও প্রগতিশীল ছাত্রজোট। তারা আজ বুধবার সিলেটে আধাবেলা হরতাল ডেকেছে । সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রতিবাদ ও সমালোচনার ঝড় বইছে।

এছাড়াও দেশের বিভিন্ন মহল থেকে নিন্দা ও প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে। আলোড়িত হয়েছে গণমাধ্যমেও। কিন্তু তাতে কী লাভ! এই হত্যার ধারাবাহিকতা কী থামবে?

আর এই হত্যাকাণ্ডকে যে যেভাবে সংজ্ঞায়িত করার চেষ্টা করুক না কেন, জনজীবনের নিরাপত্তা দেয়ার ব্যর্থতার দায় রাষ্ট্র ও সরকার কোনোভাবেই এড়াতে পারে না। আজ মুক্তবুদ্ধির লেখক হত্যার ধারাবাহিকতা আমাদের রাষ্ট্রের চরিত্র নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে। এটা আমাদের রাষ্ট্রের জন্য অশনিসংকেত। এ হত্যাকাণ্ডই প্রমাণ করে আমাদের সমাজ যে ক্রমেই অসহিষ্ঞু হয়ে পড়ছে এবং আমরা যে ক্রমেই কতটা অসভ্য হয়ে উঠছি।

একেকটি হত্যা শুধুই হত্যা, আসলেই কী ব্যাপারটি সেরকম, না, আমাদের দেশে যে অগণতান্ত্রিক চর্চা চলে আসছে সেটারই ধারবাহিতা এই হত্যাকাণ্ড?

কেননা, হত্যাকাণ্ডের পর কোনো ধরনের তদন্ত ছাড়াই ঢালাওভাবে কোনো একটি পক্ষকে দায়ি করা হয়। এ ধরনের দাবি ভিকটিম পরিবারসহ বিভিন্ন মহল থেকে করতেই পারেন।  কিন্তু তদন্ত ছাড়া সরকার কিংবা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের দায় কারো উপর চাপানো মানে মামলার তদন্তকে প্রভাবিত করা তথা প্রকৃত জড়িতদের আড়াল করা। এতে প্রকৃত অপরাধীরা ঘটনা ঘটিয়ে অনেকটা নিরাপদেই থেকে যাচ্ছে।

ফলে এ হত্যা আমাদের সব নাগরিকের জন্যই হুমকি স্বরূপ। এর বিচার না হলে আরও যে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হবে এতে কোনো সন্দেহ নেই। এক দশক পেরিয়ে গেলেও হুমায়ুন আজাদ ও শামসুর রহমানের উপর বর্বর সন্ত্রাসী হামলার বিচার না হওয়ায় আজে একের পর এক নৃশংসভাবে হত্যার শিকার হচ্ছেন আমাদের তরুণ লেখক ও ব্লগাররা।

আমাদের দেশে মূলত: গণতান্ত্রিক পরিবেশ না থাকার কারণে এই হত্যার সংস্কৃতি চলে আসছে। ভিন্ন মত দমন-নিপীড়নের রাষ্ট্রীয় সংস্কৃতিই এধরনের হত্যাকাণ্ডকে উৎসাহিত করছে।ফলে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড বন্ধ করতে হলে যেমনটি রাষ্ট্রীয়ভাবে গণতান্ত্রিক চর্চা আবশ্যক, তেমনি ঘটনার পরপরই তদন্ত ব্যতিরেকে কোনো পক্ষের উপর দায় চাপানোর সংস্কৃতি থেকেও বেরিয়ে আসতে হবে।নিরপেক্ষভাবে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত জড়িতদের বের করে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সেই সাথে সাম্প্রদায়িক তৎপরতার বিরুদ্ধে সোচ্চারের আগে সব ধরনের অগণতান্ত্রিক চর্চাকে সর্বস্তরের নাগরিকদের প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

সেই সাথে কারা ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করছে, কারা মুক্তচিন্তার নামের অন্যের ধর্মানুভুতিতে আঘাত হানার মতো লেখালেখি করছে সেগুলোও বন্ধ ও জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। কেননা, যে কোনো সমাজব্যবস্থায় যে কেউ তার মুক্ত চিন্তা চেতনার বহি:প্রকাশ বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় করতেই পারেন এটা দোষের কিছু নয়।

কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রেও কারো ধর্মানুভুতিতে আঘাত হানার মতো কথা বলা কিংবা লেখালেখি করার অধিকার নেই। আর কেউ এমনটি করার চেষ্টা করলে সেটা বড় ধরনের অপরাধের মধ্যে গণ্য। তাই খুনীদের খুজেঁ বের করে শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি খুনের শিকার ওই সব নিহত ব্লগারদের লেখালেখি ও কার্যক্রমের একটি পর্যালোচনা জনসমক্ষে প্রকাশ এবং তা কারো ধর্মানুভুতিতে আঘাত হানার মতো হয়ে থাকলে সে বিষয়ে সতর্কতামূলক ও প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা থাকা উচিত।

অন্যদিকে আমাদের রাষ্ট্রযন্ত্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যর্থতাকে ‘শাক দিয়ে মাছ ঢাকার’ অপচেষ্টা এবং অপরাধ প্রতিরোধে তাদের সক্ষমতাকে নিয়েও নতুন করে ভাবতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাতীয় নেতৃবৃন্দকে হানাহানি বন্ধ করে ঐক্যের মোহনায় দাঁড়িয়ে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে সংবিধান ও আইনের বিধি বিধান বলে রাষ্ট্র পরিচালনার পথে হাঁটতে হবে।

তবেই আশা করা যায়- রাষ্ট্রে শান্তি ফিরে আসবে এবং মুক্তবুদ্ধি চর্চার পরিবেশ নিশ্চিত হবে।  একের পর এক ব্লগার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আমরা উদ্বিগ্ন। তাই আমাদের সবার দাবি অবিলম্বে ব্লগার অনন্ত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের খুজেঁ বের করে আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সরকারের গুরু দায়িত্ব।

সবশেষে বলবো- কারো কোনো অজুহাত শুনতে চাই না, কোনো ধর্ম-মতের ভেদাভেদ বুঝি না। অনন্ত বাংলাদেশী, সে আমার ভাই। আমার ভাই কোনো অপরাধ করে থাকলে দেশের প্রচলিত আইনে তার বিচার হতে পারে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী তার কর্মে কষ্ট পেয়ে থাকলে আইনের আশ্রয় নিতে পারতো। কিন্তু আমার ভাইকে এভাবে নৃশংসভাবে হত্যার অধিকার কারো নেই।

ফলে এঘটনার নিন্দা জানানোর ভাষা আমার নেই। এই সভ্য সমাজে সন্ত্রাসীদের হাতে নৃশংসভাবে নিহত অনন্তের শোকাহত পরিবারকে সমবেদনা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। শুধু হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির প্রত্যাশায় আজ এখানেই শেষ করলাম।

লেখক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান, গবেষক ও কলামলেখক, ই-মেইল- sarderanis@gmail.com

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close