Americaযুক্তরাষ্ট্র জুড়ে

অভিবাসী ইস্যু: সম্মেলনে অংশ নিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বান

শীর্ষবিন্দু আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ-সম্মেলনে সমুদ্রে ভাসমান ৭,০০০ বাংলাদেশী ও মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিকদের প্রসঙ্গ উঠে আসে। প্রশ্নকর্তা

সাংবাদিক মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি-মুখপাত্র জেফ রাথকের কাছে বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে নতুন কোন তথ্য আছে কিনা, তা জানতে চান। জবাবে রাথকে জানান, আন্দামান সমুদ্র ও বঙ্গোপসাগরের পরিস্থিতি আরও ভালোভাবে অনুধাবন করতে ও ভাসমান অভিবাসীদের শনাক্ত ও চিহ্নিত করতে মার্কিন নৌবাহিনীর নজরদারি বিমানগুলো সরকারগুলোকে সহযোগিতা করবে। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর একটি বিমান সমুদ্রে নজরদারি পরিচালনা শুরু করেছে।

সরকারগুলো অভিবাসীদের আশ্রয় দিতে রাজি হওয়ায় ও মালয়েশিয়া সরকার অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেয়ায় যুক্তরাষ্ট্র সন্তুষ্ট বলে মন্তব্য করেন তিনি। মানবিক এ সঙ্কট থেকে উত্তরণে আগামী ২৯শে মে থাইল্যান্ডে আয়োজিত সম্মেলনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র বলেও উল্লেখ করেন রাথকে। নিচে ওই ব্রিফিংয়ের প্রশ্নোত্তর-পর্বের বাংলাদেশ অংশটুকু তুলে ধরা হলো:

প্রশ্ন: বাংলাদেশী ও মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিক ইস্যুতে আপনার কাছে নতুন কোন তথ্য আছে কি? ইস্যুটি নিয়ে বিস্তর আলোচনা চলছে। তারা মালয়েশিয়ার সরকারি স্থানগুলোতে তাদের (অভিবাসীদের) আশ্রয় দিতে সম্মত হয়েছে। রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশী নাগরিক ইস্যুতে আপনার কাছে কোন তথ্য আছে কি?

ডেপুটি-মুখপাত্র (ভারপ্রাপ্ত): মার্কিন সামুদ্রিক নজরদারি বিমানসমূহের মাধ্যমে আন্দামান সমুদ্র ও বঙ্গোপসাগরে পরিস্থিতি আরও ভালোভাবে বুঝতে ওই অঞ্চলের সরকারগুলোকে সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মালয়েশিয়ার সরকারের সমর্থনের জন্যও ধন্যবাদ জানাই। সম্ভাব্য অভিবাসীদের বহনকারী বোটগুলোর অবস্থান শনাক্ত ও চিহ্নিত করতে গত সপ্তাহের শেষে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি পি-৮ বিমান সমুদ্রে নজরদারি বিমানগুলো পরিচালনা শুরু করেছে। ওই বিমানগুলো থেকে যে তথ্য পাওয়া যাবে, তার সাহায্যে সমুদ্রের পরিস্থিতি আরও ভালোভাবে উপলব্ধি করা যাবে। আঞ্চলিক সরকারসমূহকে সহযোগিতা করতে প্রয়োজন অনুযায়ী আমরা আরও বিমানের মাধ্যমে সমুদ্র নজরদারি পরিচালনায় প্রস্তুত আছি।

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সহযোগিতা করতে গত দুই দিন যুক্তরাষ্ট্র এসব কাজ করছে। অবশ্যই, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া ৭,০০০ অভিবাসীকে আশ্রয় দিতে রাজি হওয়াতেও আমরা সন্তুষ্ট। সমুদ্রে ভাসমানদের জন্য মালয়েশিয়া অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করবে, এমন খবরেও আমরা সন্তুষ্ট।

অতঃপর, আমার মনে হয় এ ইস্যুতে আমার সর্বশেষ পয়েন্টটি হচ্ছে, এই প্রচেষ্টাকে সমর্থন জানাতে এবং আগামী ২৯শে মে এ পরিস্থিতির সমাধানকল্পে থাইল্যান্ডের উদ্যোগে আয়োজিত সম্মেলনে উপস্থিত থাকতে আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি জোর আহ্বান জানাই।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close