অন্য পত্রিকা থেকে

আন্তর্জাতিক বিশ্বে যেভাবে মিথ্যুক হলেন শেখ হাসিনা

নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন হল শেখ হাসিনা চোখের চিকিৎসার জন্য লন্ডনে এসেছিলেন। বলা হয়েছিল শেখ হাসিনা নাকি ভারত জয় করেছেন; এবার ব্রিটেনও জয় করে যাবেন। কিন্তু আদৌ কি তাই। একদিকে যেভাবে তার সফরকে প্রতিরোধ করে দূর্বিসহ করে তুলেছিল যুক্তরাজ্য বিএনপি।

অন্যদিকে এমপি মন্ত্রীর কাছে সাক্ষাত্কার চেয়ে প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় খুবই মনকষ্টে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী হাসিনা।

একের পর এক সাক্ষাত্কার চেয়ে ব্যর্থ কারো সাক্ষাত পান নি, এমনকি ফটোসেশনের সুযোগ চেয়েও ব্যর্থ হয়েছেন হাসিনা। এর কারণ হিসাবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হাসিনা সম্পর্কে বহির্বিশ্বে একটা বাজে ধারণা তৈরী হয়েছে। আর এর কারণ হল শেখ হাসিনার অতীতের মিথ্যাচার।

এর আগে যখন গার্ল সামিটে এসেছিলেন তখন দেশে ফিরে তারই পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গার্ল সামিটে যোগদান এবং তার লন্ডন সফর সফল হয়েছে।

আন্তর্জাতিক এবং কূটনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রসূ হিসেবে বর্ণনা করেন তিনি। অথচ শেখ হাসিনা ২২ জুলাই ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করতে গেলে তিনি (ক্যামেরন) বাংলাদেশের ৫ জানুয়ারির তামাশার নির্বাচন সম্পর্কে বৃটিশ সরকারের অসন্তোষের কথা স্পষ্টভাবেই জানিয়ে দিয়েছিলেন। ক্যামেরোন বলেছেন, কথিত ওই নির্বাচনে জনগণের ভোট ছাড়াই অর্ধেকেরও বেশি আসনে প্রাথীদের বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। গণতান্ত্রিক বিশ্বের কাছে এধরণের নির্বাচন গ্রহণযোগ্য নয়।

শেখ হাসিনার সাফল্যের দাবির প্রেক্ষিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ১০ ডাউনিং স্ট্রিট থেকে অফিসিয়ালি একটি প্রেস রিলিজ ও ইস্যু করা হয়। এতে শেখ হাসিনার অবৈধ সরকার সম্পর্কে ব্রিটেনের অবস্থান স্পষ্ট করে দেয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে প্রবীণ সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক জনাব সাদেক খান রেডিও তেহরানকে বলেছিলেন, কূটনৈতিক সফর নিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বা পররাষ্ট্রমন্ত্রী যেভাবে ভুল তথ্য পরিবেশন করছেন, তাতে আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশেরই বদনাম হচ্ছে। তাদের সততা নিয়েই বিদেশীরা প্রশ্ন তুলছেন। সাদেক খান আরো বলেন, ৫ই জানুয়ারির নির্বাচন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহল তাদের দৃষ্টিভঙ্গি যে পাল্টায়নি সেটা সরকারকে বুঝতে হবে। এ অবস্থায় জনগণের আন্দোলন জমে উঠলে সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক বিভাগের অধ্যাপক ড: অকমল হোসেন বলেন, ৫ই জানুয়ারির নির্বাচন নিয়ে সরকার যে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায় করতে ব্যর্থ হয়েছে তা শেখ হাসিনার সর্বশেষ কূটনৈতিক সফর থেকে আবারো প্রমাণ হয়েছে। তিনিও মনে করেন, সরকার যেভাবেই ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করুক না কেন পশ্চিমা দুনিয়া, যুক্তরাষ্ট্র বা জাতিসংঘ বাংলাদেশের ৫ ই জানুয়ারীর নির্বাচন প্রসঙ্গে তাদের আগের অবস্থানেই রয়েছে। পশ্চিমা বিশ্ব এখনও বাংলাদেশে একটি অংশগ্রহণমূলক নতুন নির্বাচনের পক্ষে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে। এ জন্য সরকারকে সংলাপেরও তাগিদ দিয়ে আসছে তারা।

শুধু লন্ডনেই নয় এভাবে বিভিন্ন দেশে গিয়ে এভাবে মিথ্যাচার করে হাসিনা দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছেন। জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. মোমেন এক ব্রিফিংয়ে দাবি করে বলেছিলেন- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে মেনে নিয়েছে। তার বক্তব্যের পরদিনই আমেরিকার স্টেট ডিপার্টমেন্ট থেকে বিবৃতি দিয়ে ওই বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত প্রকাশ করে বিবৃতি দেয়া হয়। সেখানেও যুক্তরাষ্ট্র সরাসরিই জানিয়ে দিয়েছে তারা ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পক্ষে নয়।

এছাড়া প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুনের সঙ্গে সাক্ষাতের পর প্রেস ব্রিফিংয়ে দাবি করেছিলেন- জাতিসংঘ ৫ জানুয়ারির নির্বাচন মেনে নিয়েছে। কিন্তু পরের দিন জাতিসংঘ থেকে প্রেসিডেন্টের ওই বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, জাতিসংঘ ৫ জানুয়ারির নির্বাচন মেনে নেয়নি। এভাবেই একের পর এক শেখ হাসিনার মিথ্যাচার জনগণের সামনে উন্মোচিত হচ্ছে। তারপরও শেখ হাসিনা তার অবৈধ সরকারের স্বীকৃতি আদায়ে জনগণের অর্থের অপচয় করে চলছেন ।”

২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রীর পূর্ব নির্ধারিত যুক্তরাজ্য ও ইতালি সফর বাতিল হয় একইভাবে অবৈধ প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নে । ১৩ নভেম্বর বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্দি-জ্বরে ভুগছেন এবং চিকিৎসকরা তাঁকে বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তাই তিনি লন্ডন ও রোম সফর বাতিল করেছেন এবং লন্ডনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর কর্মসূচিগুলো স্থগিত করা হয়েছে। অথচ একটি নির্ভরযোগ্য সুত্র জানা গেছে, অসুস্থতার কারণে প্রধানমন্ত্রীর সফর বাতিল করা হয়েছে বলে বিবৃতি দিলেও মূলত অবৈধতার প্রশ্নেই এ সফর বাতিল করা হয়েছে।

সূত্রটি জানায়, ১৬ থেকে ২০ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুক্তরাজ্য ও ইতালি সফরের কথা ছিল। এর মধ্যে ১৬ থেকে ১৮ নভেম্বর অক্সফোর্ড ইউনিয়নে বক্তৃতা দিতে তাঁর লন্ডন সফর এবং ১৮ থেকে ২০ নভেম্বর পুষ্টিবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিতে রোম সফরের কথা ছিল। শেখ হাসিনার এই সফরটি খুবই গোপনীয়তার সাথে আয়োজন করা হয়েছিল।

অনুসন্দানে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর সফরের লক্ষ্য ছিল ৫ই জানুয়ারির প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা সরকারের প্রপাগান্ডা ক্যাম্পেন এবং যুক্তরাজ্য সরকারের সমর্থন আদায় করা কিংবা ফটো সেশন করে আন্তরিকতা ও সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক মহলের বৈধতা রয়েছে বোঝানোর চেষ্টা করা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অনেক চেষ্টা তদবির করেও প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরুন কিংবা সরকারের কোনো মর্যাদাশালী মন্ত্রী এমপির সাথে সাক্ষাত পেতে ব্যর্থ হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সফর বাতিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

অনুসন্দানে আরও জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৭ তারিখে অক্সফোর্ড ইউনিয়নে যে বক্তৃতা দেয়ার কথা ছিল সেটি মূলত অক্সফোর্ড ইউনিয়ন কর্তৃপক্ষ আয়োজন করেনি। এটা মূলত যুক্তরাজ্যস্থ স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা ও বাংলাদেশ হাইকমিশনের সমন্বয়ে আয়োজন করা হয়েছিল অক্সফোর্ড ইউনিয়নের ভাড়া করা হলে। এ প্রসঙ্গে অক্সফোর্ড ইউনিয়নের প্রেস সেক্রেটারি ড্যান ভেলেন্টাইন এর সাথে যোগাযোগ করে জানতে চাওয়া হয়েছিল শেখ হাসিনা অক্সফোর্ড ইউনিয়নে অথিতি হিসাবে আমন্ত্রিত কিনা। জবাবে ড্যান প্রশ্নটি এড়িয়ে যান।

এছাড়া ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট বেনজামিন সুলিভান এবং সেক্রেটারি ন্যাম ফুঙ দিন এর সাথে যোগাযোগ করা হলে এবিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হন নি তারা। বিডি৭-এর অনুসন্দানে জানা বেড়িয়ে আসে, শেখ হাসিনার অক্সফোর্ড ইউনিয়নের এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগদানের বিষয়টি ছিল খুবই গোপনীয়। কিন্তু খবরটি প্রকাশ হয়ে যাওয়ায় বিব্রতকর অবস্থায় পরেছে অক্সফোর্ড ইউনিয়ন। একের পর এক অভিযোগপত্র জমা হয় ইউনিয়নের অভিযোগ বক্সে।

এসব অভিযোগে বলা হয় অক্সফোর্ড ইউনিয়ন একটি ঐতিহ্যবাহী ইউনিয়ন। কিন্তু শেখ হাসিনা ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন, তাই বৈধতার প্রশ্নে প্রশ্নবিদ্ধ প্রধানমন্ত্রীকে অক্সফোর্ড ইউনিয়নে বক্তৃতা দেয়ার সুযোগ করে দেয়া হলে অক্সফোর্ড ইউনিয়ন ইমেজ সংকটে পরতে পারে। এসব বিষয় বিবেচনা করেই অক্সফোর্ড ইউনিয়ন শেখ হাসিনার এই অনুষ্ঠানটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয় বলে জানা গিয়েছিল।

ডেভিড ক্যামেরোনের সাক্ষাত না দেয়ার কারণটিও ছিল আমাদের দেশের জন্য লজ্জাজনক। বিভিন্ন সময়ে দেখা গেছে শেখ হাসিনা ফটো সেশনে মিলিত হয়ে তার ছবি ব্যবহার করে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করা হয়, যে কারণে ব্রিটিশ সরকার প্রধানমন্ত্রীকে সাক্ষাত দিতে বিব্রতবোধ করছে।

শেখ হাসিনা ইতিপূর্বে লন্ডন সফরে গিয়েছেন একাধিকবার। কিন্তু বরাবরই লন্ডন সফর শেষে ঢাকা ফিরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিথ্যা তথ্য দিয়ে জনগনকে বিভ্রান্ত করেন। প্রধানমন্ত্রীর ২০১১ সালের সফর নিয়ে বাংলাদেশের পত্রপএিকা, টেলিভিশন চ্যানেলে নিত্য খবর প্রচার ও প্রকাশ হলেও এ সফর থেকে অর্জন কতটুকু সেটি প্রধানমন্ত্রীই ভালো জানেন। সত্যিকারের অর্জন কিংবা বিসর্জন কতটুক সেটি মুল্যায়ন করবেন কুটনীতিকরা। তবে বৃটেনের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে ‘সাক্ষাতকার ম্যানেজের’ নেপথ্যে রয়েছে মজার কাহিনী। এইসব কাহিনী এখন অনেক প্রবাসী বাংলাদেশীদের কাছে মুখরোচক বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

এটি সবাই জানেন, পুরষ্কার কিংবা পদক গ্রহনের ব্যাপারে শেখ হাসিনা বরাবরই উদার। এ ক্ষেএে অনেক পুরষ্কারদাতা এবং সংগঠনকে বাংলাদেশের মানুষের কাছে পরিচিত করানোর দাবীও প্রধানমন্ত্রী করতে পারেন। ২০১১ সালেও যুক্তরাজ্য সফরে এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। মহা ঢাকঢোল পিটিয়ে প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে গ্লোবাল ডাইভারসিটি এওয়ার্ড ২০১১ গ্রহন করেছেন। দ্যা নেক্সট স্টেপ ফাউন্ডেশন নামে একটি বেসরকারী সংগঠন শেখ হাসিনাকে এই পুরষ্কার দেয়।

সমাজে ও রাষ্ট্রে বিশেষ অবদানের জন্য এর আগে বিগত কয়েক বছরে এই পুরষ্কারটি অনেকেই পেয়েছেন, তবে তারা প্রায় সবাই ছিলেন শিল্পী ও অভিনেতা। বেসরকারী সংগঠন নেক্সট স্টেফ ফাউন্ডেশন ২০১১ সালে একজন প্রধানমন্ত্রীকে পুরষ্কার দেয়ার কৃতিত্ব দাবী করতে পারে। একইসঙ্গে সংগঠনটি বাংলাদেশের জনগনের কাছেও এই সংগঠনটি পরিচিতি পাওয়ার সুযোগ পেয়েছে।

২০১৪ সালের জুলাই মাষে প্রধামন্ত্রী হাসিনা সফর সঙ্গীর এক বিশাল বহর নিয়ে লন্ডনে এসেছিলেন গার্ল সামিট ২০১৪ এ যোগ দিতে। ব্রিটিশ সরকার ও ইউনিসেফের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো এই সামিটে অংশ নেয়ার জন্য বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। বিভিন্ন দেশ থেকে সরকারের প্রতিনিধি ও এনজিওর প্রতিনিধিরা সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন।

কিন্তু কোন দেশ থেকে সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধান সমপর্যায়ের কেউ উ্পস্থিত হননি। শেখ হাসিনা সমস্ত লাজ লজ্জা প্রটোকল ভেঙ্গে কেন এসেছিলেন তার প্রেক্ষাপট ভিন্ন, শেখ হাসিনার কাছে উপলক্ষ ছিল গার্ল সামিট, লক্ষ্য ছিল ক্যামেরুন আর ক্যামেরা। সফরকালে ক্যামেরোনের সাথে ২০ মিনিটের সাক্ষাত পেতে সচেষ্ট হয়েছিলেন শেখ হাসিনা।

ডেভিড ক্যামেরোনএর কাছে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ উন্নয়নে মতপ্রকাশে স্বাধীনতা, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিকরূপ দানে সকলের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করতে তার ব্যর্থতা স্বীকার করে তা উত্তরোণে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের অঙ্গীকার করেছিলেন। কিন্তু দেশে ফিরে জনগণকে কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন। পরে ব্রিটিশ সরকার তাদের ওয়েবসাইটে তা প্রচার করে দিলে শেখ হাসিনার মিথ্যাচার জনগনের কাছে উন্মোচন হয়ে যায়।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close