সিলেট থেকে

চুরির চেকে টাকা তুলতে গিয়ে গ্রেফতার

শীর্ষবিন্দু নিউজ: গোলাপগঞ্জে অন্যের অ্যাকাউন্ট থেকে চুরির চেকে টাকা উত্তোলন করতে গিয়ে কারাগারে গেলেন খোরশেদ আলম বাবলু নামের এক ব্যক্তি। তিনি সিলেট নগরীর সোবাহানীঘাটের ৩৫ নম্বর মৌবনের মৃত নিয়াজ আহমদের ছেলে। যা প্রকৃত পক্ষে বাবলুর স্থায়ী ঠিকানা চৌকিদেখী এলাকায়।

জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটায় পূবালী ব্যাংক গোলাপগঞ্জ শাখা থেকে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মালিক নগরীর চৌকিদেখী ১৬৩ নম্বর রংধনু বাসার বাসিন্দা। বুধবার দুপুরে গোলাপগঞ্জ থানা পুলিশ সিলেট জেলা জজ ও দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়্যাল ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতে বাবলুকে তোলেন। আদালত বাবলুকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করেন।

গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা একেএম ফজলুল হক শিবলী জানান, গতকাল মঙ্গলবার মতিন আহমেদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বেআইনীভাবে টাকা উত্তোলনের অভিযোগটি পাই। পরে গোলাপগঞ্জ পূবালী ব্যাংক শাখা থেকে তাকে আটক করা হয়। বেআইনীভাবে টাকা উত্তোলনের অভিযোগটি পাই। পরে গোলাপগঞ্জ পূবালী ব্যাংক শাখা থেকে তাকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা দায়ের করেছেন অ্যাকাউন্টটির মালিক।

ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মালিক মতিন আহমেদ জানান, তিনি একজন ব্যবসায়ী। চৌকিদেখীতে তার ভিসিডি-ডিভিডি ক্যাসেটের দোকান রয়েছে। তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে গোলাপগঞ্জের পূবালী ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট রয়েছে। যার নম্বর ৩৫২১৯০১০০৬০৪০।

এটি থেকে মঙ্গলবার চুরি হওয়া চেক বইয়ের একটি চেকের পাতা দিয়ে আশিকুর রহমান আশিক পরিচয় দিয়ে খোরশেদ আলম বাবলু ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা উত্তোলন করতে যান। চেকের পাতা নম্বর ৭৫৪৫১৩৯। এসময় ম্যানেজার বিষয়টি তাকে অবগত করেন। খবর পেয়ে তিনি ব্যাংকে ছুঁটে যান।

উল্লেখ্য, আটককৃত খোরশেদ আলম বাবলু চৌকিদেখীর স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন। পাকিস্থানী বংশদ্ভুদ বাবলুর পরিবার স্বাধীনতার পরপর বাংলাদেশেই থেকে যান্ এবং স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন নড়রীর চৌকিদেখী এলাকায়।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close