অন্য পত্রিকা থেকে

আরব দেশগুলোর উচিত শরনার্থীদের আশ্রয় দেয়া: বিপরীতে জার্মানিতে ২০০ মসজিদ নির্মাণের অফার সৌদি আরবের

সৈয়দ শাহ সেলিম আহমেদ: ইউরোপে যেভাবে প্রতিদিন শরনার্থীদের ঢল নেমেছে, তখনি সিরিয়ার সন্নিকটে অবস্থিল গালফ ও আরব রাষ্ট্রসমূহের সিরিয়ানদের প্রতি নমনীয় না হওয়া কিংবা শরনার্থীদের জন্য সীমান্ত খুলে না দেয়ার জন্যে আরব দেশসমূহের সমালোচনা বিশ্ব মিডিয়ায় যখন শুরু হয়ে যায়।

তখনি লেবাননের আল-দিয়ার পত্রিকায় একটি নিউজ সকলের নজর কাড়ে। সেখানে বলা হয়েছে, জার্মানিতে সিরিয়ান শরনার্থীদের জন্য সৌদি আরব ২০০ মসজিদ নির্মাণ করে দিবে। আল-দিয়ারের এই সংবাদ জার্মানির আল-জেমিং এ উদ্ধৃত করা হয়েছে।

তবে সারা বিশ্ব বলছে সিরিয়ার নিকটবর্তী বাহরাইন, কুয়েত, কাতার প্রভৃতি রাষ্ট্রসমূহ সিরিয়ান রিফিউজিদের গ্রহণ করছেনা কেন ? এমনকি ইউএইএর দেশ সমূহ ও সৌদি আরবও এ ব্যাপারে কিছু করছেনা কেন?

এই যখন সমালোচনা চতুর্দিকে তখন সৌদি সরকার বা আরব রাষ্ট্রসমূহের সরকারি তরফ থেকে কোন বক্তব্য দেয়া না হলেও আল-দিয়ারের অনুসরনে আল-হায়াত পত্রিকা আজ রিপোর্ট করেছে, সৌদি আরবে ৫০০,০০০ সিরিয়ান বসবাসের সূযোগ পেয়েছেন গৃহযুদ্ধ শুরুর পরে এবং তারা রিফিউজি হিসেবে নয়, কাজের সন্ধানে হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন।

এদিকে লেবাননের ফরেন মিনিস্টার জিবরান বাসিল আরব রাষ্ট্রসমূহের সিরিয়ান রিফিউজিদের এই মানবিক সংকটে সকলে মিলে ভাগাভাগি করে এগিয়ে আসা উচিত বলে আজ বৃহস্পতিবার মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন চার মিলিয়নের মতো শরনার্থী নেইবারিং দেশ সমূহের বর্ডারে এবং ১.১ মিলিয়ন শরনার্থী লেবানিজ বর্ডারে আশ্রয় পেয়েছেন, সেখানে সংকুলান না হওয়ায় রেকর্ড সংখ্যক শরনার্থী ইউরোপের দিকে অগ্রসর হয়েছেন।

বাসিল রয়টার্সের সাথে ইন্টারভিউতে বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে তার্কি, তরস্ক, জর্ডান শরণার্থী ইস্যুতে শরনার্থীদের সংকটের ধকল বইছে, অথচ আরব রাষ্ট্রসমূহ সেজন্যে কিছুই করছেনা। বাসিল আরো বলেন, সিরিয়ার সন্নিকটবর্তী হওয়াতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর কিছু করা উচিত।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close