এশিয়া জুড়ে

লোভ এবং হালাল খাবার জটিলতায় কোরিয়াতে শ্রমবাজার হারাচ্ছে বাংলাদেশ

 

মাঈনুল ইসলাম নাসিম: এশিয়ার ‘টাইগার ইকোনমিজ কান্ট্রি’ দক্ষিণ কোরিয়ার শ্রমবাজারে দেশওয়ারী কোটা কোনদিনই পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ, এখনও পারছে না। কারণ হিসেবে অনেকটা আক্ষেপের সুরেই বেশ কিছু কঠিন সত্য জানালেন সিউলে দায়িত্বরত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জুলফিকার রহমান।

কোম্পানির তরফ থেকে ফ্রি দেয়া খাবারের প্রতি নেক্কারজনক অনভ্যস্ততার পাশাপাশি সামান্য কিছু বাড়তি অর্থের লোভে হুটহাট যখন তখন মালিকের বারোটা বাজিয়ে কোম্পানি বদলের হিড়িক রীতিমতো হুমকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে এদেশে বাংলাদেশের প্রবল সম্ভাবনাময় শ্রমবাজার।

পেশাদার কূটনীতিক জুলফিকার রহমান এই প্রতিবেদককে জানান, শতভাগ কম্পিউটারাইজড সিস্টেমে বাংলাদেশ সহ ১৫টি দেশ থেকে কর্মী নিয়ে থাকে কোরিয়া এবং নিয়োগের ক্ষেত্রে ঢাকা বা সিউলে কারো কোন হাত থাকে না, থাকার সুযোগও নেই।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকারখানার মালিকদের বিভিন্ন এসোসিয়েশন রয়েছে এখানে, যাদের ওয়েবসাইটে প্রদত্ত ডাটাবেজ থেকে বিভিন্ন এমপ্লয়ার বা মালিকরা তাদের প্রয়োজন বা চাহিদা মাফিক কর্মী সংগ্রহ করে থাকেন। অনলাইন ডাটাবেজ এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম (ইপিএস) স্কিমের আওতায় কোরিয়ান মালিকপক্ষ বাংলাদেশ থেকে না অন্য কোন দেশ থেকে কর্মী নেবেন, এটা একান্তই তাদের নিজস্ব এখতিয়ার।

বর্তমানে যে ১৫ হাজার বাংলাদেশী বসবাস করছেন দক্ষিণ কোরিয়াতে, তার মধ্যে প্রায় ১৩ হাজারই এসেছেন সরকারী ঐ ইপিএস স্কিমের অধীনে। বিগত কয়েক বছরে বাংলাদেশের জন্য ৩ হাজারের কোটা নির্ধারিত থাকলেও বাৎসরিক কোটার এক-তৃতীয়াংশই পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ।

কারণ জানতে চাইলে রাষ্ট্রদূত জুলফিকার রহমান বলেন, “আমাদের কর্মীরা কঠোর পরিশ্রমী এটা সত্য। আমার সাথে গত কয়েক মাসে বিভিন্ন কোম্পানির বহু মালিকের সাথে কথা হয়েছে। বাংলাদেশের লোকজন শুকরের মাংস খান না।

 

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close