লন্ডন থেকে

লন্ডনে বনফুলের নাম অবৈধভাবে ব্যবহারের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন

শীর্ষবিন্দু নিউজ: বনফুল মিষ্টি সপ যার খ্যাতি বাংলাদেশসহ ব্রিটেনেও রয়েছে। এবার ইস্ট লন্ডনের তিনটি দোকানে বনফুল অভিজাত কনফেকশনারী ইউকে এর সাইন এবং লগো অবৈধ ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানের এমডি নজরুল ইসলাম বাবুল।

মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, কোর্ট তাঁর পক্ষে রায় দিয়েছে এবং কোর্ট অন্যায়ভাবে নাম ব্যবহারাকারীদের সাইনবোর্ড প্রত্যাহারের নির্দেশনা দিয়েছে। তবে ইউকের বিভিন্ন সিটিতে বনফুলের আরো ৮টি শাখা বৈধ ভাবে চলছে বলে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে ইস্ট লন্ডনের তিনটি শাখার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা এ জন্য কোর্টে আপিল করছেন ও আইনগত প্রক্রিয়ায় আছেন। তাদের কাছে এ সংবাদ সম্মেলন অপ্রত্যাশিত বলেও জানান তারা।

নজরুল ইসলাম ছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে বনফুলের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম মিঠু ও পার্টনার নিম্বর আলীসহ আরো সহযোগিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা জোরালে কণ্ঠে বনফুলের নামে অবৈধ সাইনবোর্ড তুলে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর কথা বলেন। এদিকে তিনটি দোকানের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে নজরুল ইসলাম বাবুল বা বনফুল কয়েক বছর যথার্থ সার্ভিস দিতে পারেননি বলেই তারা নিজস্ব পণ্য বিক্রি করছেন।

বনফুল অভিজাত কনফেকশনারী ইউকে-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর নজরুল ইসলাম ও কোম্পানীর অন্যান্য ডাইরেক্টররা সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ইস্ট লন্ডনে তিনটি শাখায় অবৈধভাবে পরিচালিত হওয়ায় এবং বনফুলের নাম ব্যবহার করেও বনফুলের পণ্য বিক্রি না করায় ক্রেতারা প্রতারিত হচ্ছেন। বাবুল লিখিত বক্তব্যে কোটের ওডার মান্য করে ব্রিকলেন, ক্যাননস্ট্রীট ও বেথনালগ্রীনের তিনটি দোকানকে বনফুলের সাইনবোর্ড সরিয়ে নেয়ার আহবান জানান।

তবে তিনটি দোকানের পক্ষে ডাইরেক্টর হুমায়ুন কবির মাহিন ও সৈয়দ মোশাররফ হোসেন বাবু বলেন, এই সংবাদ সম্মেলন অপ্রত্যাশিত। কারন তারা এই নিয়ে সমঝোতা ও আইনি পক্রিয়া দুটোই চালাচ্ছেন। সিলেটের এক সময়ের বনফুল চট্রগাম বনফুলের সাথে অনুরূপ মামলায় পরাজিত হয়ে ফিজা নামে ব্রেন্ডিং শুরু করে। গণমাধ্যমের কর্মীদের প্রশ্নের জবাবে এমডি নজরুল ইসলাম বাবুল তা স্বীকার করেন।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close